এই বিষয়ে নজরদারির জন্য আদালত নিযুক্ত বিশেষ অফিসার নিযুক্ত করে আদালত। এর পাশাপাশি কোর্টের আরও নির্দেশ, স্কুল ঘর হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য সিআইএসএফ-এর গ্রুপ কমান্ড্যান্টকেও উপস্থিত থাকতে হবে।
advertisement
জানা গিয়েছে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি হবে, সেদিন ঘর হস্তান্তররের বিষয়ে আদালতে রিপোর্ট দেবে বিশেষ আধিকারিক। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি চিনা নববর্ষ৷ ওই বিশেষ দিন পালনের জন্যই ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করার জন্য বিশেষ অফিসার নিয়োগ হাইকোর্টের।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে স্কুলের ১০টি ঘর বাদে বাকি সমস্ত অংশ সিআইএসএফ (CISF)-এর গ্রুপ কমান্ডান্টের কাছ থেকে বুঝে নেওয়ার জন্য বিশেষ অফিসার (Special Officer) নিয়োগ করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত নিযুক্ত বিশেষ অফিসার তথা আইনজীবী অর্জ্য নন্দী সেই ঘরগুলি বুঝে নেওয়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবেন।
আরও পড়ুন: ‘হাসিনাকে ফেরত চাই’, ইউনূসের সুরেই দাবি বিএনপি-র! তারেকের হাত ধরে মসৃণ হবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক?
উল্লেখ্য, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিরাপত্তায় মোতায়েন সিআইএসএফ জওয়ানদের রাখতে ট্যাংরায় চিনাদের একটি বেসরকারি স্কুল নিয়েছিল রাজ্য। দু’মাসের জন্য নেওয়া হয়েছিল ওই স্কুলবাড়িটি। কিন্তু অভিযোগ, ১৪ মাস কেটে গেলেও এখনও কোনও বিকল্প ব্যবস্থা করেনি রাজ্য।
