বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্চের এই ব্রিগেড সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে ব্রিগেড সমাবেশের দিনক্ষণ চূডা়ন্ত হয়নি। কারণ, ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করতে দক্ষিণবঙ্গের দলের একাধিক সাংগঠনিক জোন থেকে রথযাত্রা শুরু করবে বিজেপি। সেই সমস্ত রথ ব্রিগেডে আসবে। দোলযাত্রার পরই বাংলায় রথযাত্রা কর্মসূচি শুরু করে দেবে বিজেপি।
advertisement
পরীক্ষার মরশুম শেষ হলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই জনসভা শুরু হয়ে যাবে। মোদি-শাহদের একাধিক জনসভা রয়েছে বাংলায়। তবে কলকাতা জোনে ব্রিগেডেই জনসভা করতে চাইছে বিজেপি। ব্রিগেডের সভায় জমায়েতে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাকে নিয়ে আসা হবে। একইসঙ্গে শিলিগুড়িতেও মোদিকে দিয়ে এটা বড় জনসভা করানোর পরিকল্পনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। এদিকে, চলতি মাসের মধ্যেই বিধানসভাভিত্তিক প্রার্থী তালিকা জেলাগুলি থেকে নিয়ে দিল্লির কাছে পাঠিয়ে দিতে চায় রাজ্য বিজেপি। জেলা থেকে প্রতিটি আসনের জন্য তিনটি করে নাম দিয়ে মোট ২৯৪টি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা জমা পড়বে। কিছু ক্ষেত্রে একাধিক নামও থাকতে পারে। রাজ্য বিজেপির তরফে তা কাটাছেঁড়া করে বিধানসভাপিছু তিনটি করে নাম দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হবে।
এছাড়া, কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে বিভিন্ন এজেন্সি যারা সমীক্ষা করে আরও কিছু নাম পাঠাবে। কিংবা তাদের সমীক্ষার সঙ্গে জেলা পার্টির তরফে আসা নামগুলিও মিলিয়ে দেখা হবে। সব দেখে শুনে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই কয়েক দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে দিল্লি। শনিবার বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সল্টলেক বিজেপি দফতরে। কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব, সহ-পর্যবেক্ষক বিপ্লব দেব ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা এবং শমীক ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন। শুভেন্দু অবশ্য কিছুক্ষণের জন্য বৈঠকে থেকে অন্য কর্মসূচিতে বেরিয়ে যান। এই বৈঠক থেকেই রথযাত্রা, ব্রিগেড সমাবেশ ও প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে খবর।
