সোমবার তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সম্মেলন বক্তৃতা করার সময় দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘‘মমতা বন্দোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। সেই অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের কাছে এখন বড় অস্ত্র। ট্রেন্ডিং এখন যে কোনও কিছুতে হতে পারে। আমরা সবাই ডিজিটাল যোদ্ধারা। ডিজিটাল মিডিয়া বড় অস্ত্র আমাদের কাছে। পৃথিবী জুড়ে সবার হাতে মোবাইল আছে।’’
advertisement
তবে এখানেই তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের নীতির পাঠা পড়ান দেব৷ বলেন, ‘‘আমার যোদ্ধারা কাউকে নিন্দা না করে, ছোট না করে কাজ করবে। আমাদের সরকার গত ১৫ বছরে যা কাজ করেছে সেই কাজ ঘরে ঘরে জানাতে হবে। আমি কাউকে ম্যালাইন করিনি। আমি ১২ বছর ধরে সাংসদ। আমি প্রায় ১২৫ সভা-মিছিল করেছি। আমি আমার মঞ্চ থেকে কাউকে ছোট করিনি। আমাদের জিততে হবে ভালবাসা, বিশ্বাস, মাথা উঁচু করে। যদি হারি কোনওদিন মাথা উচু করে, নিন্দা করে নয়। বাংলার মানুষকে অন্য দল ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। তোমরা হচ্ছো বাংলার বিএসএফ যারা বাংলাকে রক্ষা করবে। বাংলার সম্মান মানে আমাদের সকলের সম্মান।’’
ছাব্বিশের নির্বাচনে ক’টা আসন পাবে তৃণমূল? তিনিই বা কত টার্গেট দিয়েছেন? এদিনের মঞ্চ থেকে সাংসদকে বলতে শোনা যায়, ‘‘দলের মান সম্মান বাড়ানোর দায়িত্ব আমারও। আগের থেকে বেশি আসন চাই। আমি ২৫০ আসন বলেছি। কাজের নিরিখে দিদি এগিয়ে। এখন ভোট কঠিন। খালি কাদা ছোঁড়াছুড়ি। মানুষের কাজের দায়িত্ব নিলে বিরোধীরাও ভালবাসা পাবে। ঠিকঠাক ভোট হলে দিদি আবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে।’’
২০১৪ সালে প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি৷ সেই বছরই লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল দেবকে৷ তার ১০ বছর পরে ২০২৪ এর নির্বাচনের আগে যদিও রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি৷ লোকসভায় দাঁড়িয়ে তাঁর বক্ৃতা জল্পনা তৈরি করেছিল৷ তারপরে একে একে মমতা-অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকের পরে ফের ছব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে তিনিই হন তৃণমূলের প্রার্থী৷ জয়লাভ করেন৷
বর্তমানে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবকে এই সেদিনও দেখা গিয়েছিল তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি মিছিলে হাঁটতে৷
