অভিষেক বলেন, “দেহের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। ২০০৯ সাল থেকে কাজ করছে তাঁরা। সাড়ে তিনটে থেকে তার শিফট ছিল। তার দাদা বারবার তাঁকে ফোন করেই যায়। ফোনে পায়নি। পরের দিন বেলায় পুলিশ ফোন করে জানায় সুখেনের চোট লেগেছে। কিন্তু গিয়ে ভাইয়ের দেহ দেখেই ভেঙে পড়ে তাঁর দাদা।” অভিষেকের কথায়, “আমি মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছি না। একাধিক ঘটনা ঘটেই চলেছে। পুলিশ তদন্ত করছে। এটা তদন্ত সাপেক্ষ। বাকি ঘটনার সঙ্গে আমি মেলাচ্ছি না। রাজ্য পুলিশ, পুণে পুলিশের সঙ্গে কথা বলছে। অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করার দায়িত্ব মহারাষ্ট্র পুলিশের। না পারলে কেস বাংলায় পাঠাক। আমরা ৫০ দিনে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু গ্রেফতার করব আবার জামিন দিয়ে দেব তা।হবে না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, সে যেই হোক তার কড়া শাস্তি দাবি করছি।”
advertisement
একইসঙ্গে মৃতের পরিবারকে সমস্ত আইনি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। তিনি দাবি তোলেন, “ট্রায়াল নির্দিষ্ট সময়ে শুরু করতে হবে। মহারাষ্ট্র পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে যেন পরিবার ন্যায়বিচার পায়। পুরুলিয়া বিজেপি সাংসদও যেন একই তৎপরতা নিয়ে উদ্যোগী হয়, যারা এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেয়।”
আরও পড়ুন: ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট…! আসছে বড় পরিবর্তন, গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে দিল RBI, জানা জরুরি!
অভিষেক আরও বলেন, “আমি রাজনৈতিক কথা বলব না। বিজেপি পরিচালিত তদন্ত সংস্থার ট্রায়াল নিয়ে নানা দুর্নাম আছে। ওড়িশা, মহারাষ্ট্র বিজেপির সরকার। সেখানে কথা বলুক সাংসদ। এই ঘটনায় যতদূর যেতে হয় যাব। দরকার পরলে পরিবারের সঙ্গে আমাদের বিধায়ক সাংসদদের দল যাবে মহারাষ্ট্র। আমি সাথে সাথেই পরিবারের সাথে কথা বলেছিলাম। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আসেন বাড়িতে। এটা আমাদের কর্তব্য। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভারতের ১০,০০০ টাকার ‘রেট’ কত হবে জানেন…? শুনলেই চমকে যাবেন ‘উত্তরে’!
“এই মৃত্যু কেন হয়েছে আমি বলতে পারব না। এটার তদন্ত চলছে। তবে গত ছয় মাস ধরে নানা জায়াগায় যা হচ্ছে। আমরা বৈচিত্র্যের মধ্যে একতায় বিশ্বাস করি। কথায় কথায় বাংলাদেশী বলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হচ্ছে। আশা করব দেবেন্দ্র ফড়নবিসকে ফোন করে সাংসদ সুবিচার চাইবেন। তৎপরতা দেখাবেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কড়া শাস্তি হবে। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, যারা ধরা পড়বে তারা যেন জামিন না পায়।
এরপরেই কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে অভিষেকের মন্তব্য, “ভারতে গত ১৪ বছরে সাড়ে তিন কোটি মানুষ বিদেশে চলে গেছে। সেখানে কাজ করছে। কিন্তু দেশের মধ্যে সমাজের মধ্যে বিভাজন হচ্ছে। সমাজ ভেঙে আগুন লাগানোর মানসিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। শনিবার সব বিধানসভায় মিছিল হবে। বাকি দলকেও বলব দলমত নির্বিশেষে পাশে এসে দাঁড়ান।”
