গতবার পঞ্জাবের হয়ে সুপার ফ্লপ গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে বিশাল পরিমাণ অর্থ খরচ করে দলে নিয়েছে আরসিবি। ১৪.২৫ কোটি দিয়ে ম্যাক্সওয়েলকে কেনার পর ১৫ কোটি টাকায় নিউজিল্যান্ডের দীর্ঘদেহী অলরাউন্ডার কাইলি জেমিসনকে দলে নিয়েছে তাঁরা। অর্থাৎ হাতে থাকা অর্থের নব্বই ভাগ এই দুজন ক্রিকেটারকে দলে নিতে খরচ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ কোটি দিয়ে নেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ড্যানিয়েল
advertisement
ক্রিস্টিয়ানকে। কিন্তু আরসিবি প্রতিবার যতই ভাল দল গড়ুক না কেন, ট্রফি ভাগ্য তাঁদের নেই। বিরাট কোহলির অধিনায়কত্ব নিয়েও কিছু জায়গায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এবার রথের চাকা উল্টোদিকে ঘোরে কিনা সেটাই দেখার।
নতুন বছরের আরসিবি দল
বিরাট কোহলি(অধিনায়ক),এবি ডিভিলিয়ার্স, দেবদত্ত পারিকাল,
চাহাল, সিরাজ, কেন রিচার্ডসন, ওয়াশিংটন সুন্দর, পবন দেশপান্ডে, শাহবাজ আহমেদ, নবদিপ সাইনি, অ্যাডাম জাম্পা, কাইল জেমিসন,গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ফিন আলেন, রজত পাতিদার, সচিন বেবি, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, ড্যান ক্রিস্টিয়ান, কে এস ভারত, সুয়াশ প্রভুদেসাই, ড্যানিয়েল স্যামস, হার্শাল প্যাটেল
শক্তি - ম্যাক্সওয়েল, জেমিসনদের মত ক্রিকেটার দলে আসায় ভারসাম্য বেড়েছে আরসিবি - র। দুজনেই টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের পক্ষে আদর্শ। পাশাপাশি ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান অভিজ্ঞতায় দলের মিডল অর্ডার সামলে নিতে পারবেন আবার তৃতীয় পেসারের কাজটা করতে পারবেন। চাহাল, সিরাজ, ওয়াশিংটন সুন্দরদের মত বর্তমান ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা থাকায় দলের হাতে একাধিক পরিবর্তন রয়েছে। দলে হার্ড হিটারের অভাব নেই।
দুর্বলতা - বড্ড বেশি ডি ভিলিয়ার্স এবং বিরাট কোহলি নির্ভরতা। এই দুজন খেলতে পারলে একরকম, না পারলে অত্যন্ত সাদামাটা লাগে দলটাকে। তাছাড়া উমেশ, শিবম দুবে, মইন আলিদের মত ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত কিনা ম্যাচ না গড়ালে বোঝা যাবে না। ম্যাক্সওয়েল ফর্মে থাকলে চিন্তা কম, কিন্তু না থাকলে
আরসিবির কপাল পুড়বে। জেমিসন প্রথমবার আইপিএল খেলবেন।
কীভাবে মানিয়ে নেন সেটাও একটা ব্যাপার।
