ট্রাম্পের দাবি, গত ৫০ বছরে আমেরিকায় প্রথম নতুন তেল শোধনাগার। তাঁর কথায়, “আমেরিকার প্রথম পরিশোধন” নামে এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি উৎপাদন বাড়াবে, হাজার হাজার কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।
আরও পড়ুনঃ ‘বর্ডার ২’ কি বরুণ ধবনের শেষ সিনেমা? ছবি সফল হতেই বড় সিদ্ধান্ত অভিনেতার!
advertisement
ট্রাম্প জানান, এই প্রকল্প তাঁর “আমেরিকা ফার্স্ট এজেন্ডা”-র অংশ। প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর কমানোর ফলে বড় বড় বিনিয়োগ আমেরিকায় ফিরে আসছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন রিফাইনারিটি হবে “বিশ্বের সবচেয়ে পরিষ্কার তেল শোধনাগার” এবং এটি আমেরিকার বাজারের পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেয়নি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
এই ঘোষণার সময়ই পশ্চিম এশিয়ার চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়, ফলে এই অঞ্চলে সংঘাত বাড়লে জ্বালানি বাজারে তার বড় প্রভাব পড়ে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে তেল-গ্যাসের দাম বাড়লেও তা সাময়িক। তাঁর মতে, মার্কিন সামরিক অভিযান অপারেশন এপিক ফিউরি-র লক্ষ্য পূরণ হলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম কমে যেতে পারে।
