বিদ্ন্যান মানে অভিযোগ করেছিলেন, ‘নাজারিয়া’ নামের একটি চলচ্চিত্র প্রকল্পে বিনিয়োগের নামে তাঁর কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পলাশ মুচ্ছলের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগে ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক চলাকালীন বিশ্বাসঘাতকতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পলাশ মুচ্ছল ও স্মৃতি মন্ধানার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে, যার জেরে বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।
advertisement
শনিবার সন্ধ্যায় ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে পলাশ মুচ্ছল জানান, আইনি পদক্ষেপ শুরু করা হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর আইনজীবী শ্রেয়াংশ মিঠারের মাধ্যমে সাংলির বাসিন্দা বিদ্ন্যান মানের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর দাবি, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা, অশোভন এবং পরিকল্পিত ভাবে তাঁর চরিত্র ও সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই তোলা হয়েছে।
‘যাত্রীদের পছন্দের স্বাধীনতা থাকতে হবে’! বন্দে ভারত স্লিপারের নিরামিষ মেনু ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি তরজা
সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সি বিদ্ন্যান মানে মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও এফআইআর নথিভুক্ত হয়নি।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর সাংলিতে প্রথম দেখা হয় দু’জনের। চলচ্চিত্র প্রযোজনায় বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করলে ‘নাজারিয়া’ প্রকল্পে লগ্নির প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বলা হয়, ২৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে ওটিটি মুক্তির পর ১২ লক্ষ টাকা লাভ হবে এবং ছবিতে একটি চরিত্রও দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে একাধিক বৈঠকের পর ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে মোট ৪০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। তবে ছবির কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে কোনও সাড়া মেলেনি বলে দাবি।
পলাশ মুচ্ছল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই অভিযোগ এনে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, আর সেই কারণেই তিনি আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।
