দিদি পেশায় চিকিৎসক। তাঁর হবু স্বামী দিব্যজিৎ দত্ত। তিনি ওই একই পেশার সঙ্গে যুক্ত।ডাক্তারি ঐশ্বর্যর পেশা হলেও, মডেলিংও তাঁর শখ। সমাজমাধ্যমে তাঁর ছবি মাঝেমধ্যেই নজর কাড়ে।
চার বছর আগের এক নভেম্বরে চলে যান ঐন্দ্রিলা। মিথ্যে হল প্রার্থনা, বিজ্ঞান৷ জীবনের সবচেয়ে অপ্রিয়, অথচ সবচেয়ে কঠিন সত্যির সামনে দাঁড়াতে হয়েছিল সেদিন৷ আর ফিরলেন না ঐন্দ্রিলা৷ এতদিনে ঐন্দ্রিলা শর্মার নামটা অজানা খুব কম মানুষের কাছে৷ কারও কাছে লড়াইয়ের সমার্থক ঐন্দ্রিলা, কারও কাছে ঐন্দ্রিলার অর্থ প্রাণশক্তি৷ অল্পে হেরে যাওয়া, হাঁফিয়ে ওঠা, আশা ছেড়ে দেওয়া মানুষগুলোকে নিজের অজান্তেই বাঁচতে শিখিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা৷ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এভাবেও ফিরে আসা যায়৷’ তাঁর চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেনি কেউ। থেমে গিয়েছিল তাঁর পরিবারের জীবন। তবু দুঃখ আঁকড়ে কতদিন বাঁচা যায় জীবন তো জীবনের নিয়মে চলে তাই আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছেন তাঁরা। সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন ঐশ্বর্য শর্মা। নীল পাঞ্জাবিতে দেখা গিয়েছে হবু বর দিব্যজিৎকে। টকটকে লাল রঙের শাড়িতে সেজেছেন ঐশ্বর্য।
advertisement
