সাক্ষাৎকারে গীতা বলেন, অভিভাবকদের মধ্যে তিনি খারাপ পুলিশ, অন্য দিকে হরভজনের সঙ্গে হিনায়ার সম্পর্ক বেশ কোমল। তাঁদের মধ্যে মেয়েকে সহবত শেখানো নিয়ে লড়াই হয় কি না জানতে চাওয়া হলে গীতা জবাব দিয়েছিলেন, “যেমন আর সবার মধ্যে হয়, স্বাভাবিক ব্যাপার এটা… ওহ তো হোনা হি হ্যায় না (সেটা তো হবেই)"! গীতা আরও বলেন, মাঝে মধ্যেই তাঁদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ থাকে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা হিনায়াকে নিয়ে। বিভিন্ন সময়ে, হিনাকে নিয়ে হরভজনের সঙ্গে একমত নন অভিনেত্রী, যখন গীতা শৃঙ্খলাবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করেন তখনই ক্রিকেটার স্বামী বলে বসেন, "চলো, যানে দো ইয়ার (আরে, ছেড়ে দাও)"।
advertisement
এখানেই শেষ না করে গীতা আরও বলেন, "আমাকে সর্বদাই একজন খারাপ পুলিশ হতে হবে এবং শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। কারণ তিনি এখানে থাকেন না এবং তার পরে কয়েক সপ্তাহের জন্য যখন তিনি আসেন তখন তাঁর অবস্থা এমনই হয়- ঠিক হ্যায়, জানে দে', 'ইসকো করনে দে (ঠিক আছে ছেড়ে দাও',' সে যা করছে তা করতে দাও')"!
এর পর অভিনেত্রী নিজের দ্বিতীয় গর্ভাবস্থার কথা প্রকাশ করে বলেন এই পরিস্থিতিতেও তাঁর প্রথম প্রাধান্য তাঁর মেয়ে। তিনি আরও বলেছিলেন যে কঠিন সঙ্কট চলাকালীন সময়ে অতিরিক্ত সতর্ক ও যত্নবান হওয়ায় সব কিছুই কঠিন হয়ে পড়েছে। হিনায়াকেও এখন লকডাউনের মধ্যে বন্দি জীবন কাটাতে হচ্ছে। তবে এই মহামারীটি "বাচ্চাদের মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে" বলে জানান গীতা।
