এ দিনই এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপ্যান্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে৷ এর পাশাপাশি, যাঁরা শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে বিএলএ-রা শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারবেন বলেও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷
এ দিন বারাসতের সভা থেকে অভিষেক বলেন, ‘আজ থেকে ঠিক ২০ দিন আগে আমি দিল্লিতে গিয়েছিলাম ১০ জনের প্রতিনিধি দল নিয়ে। যে ১ কোটি ৩৫ লক্ষের বেশি মানুষকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে নাম বাদ দিতে চেয়েছিল। আমরা বলেছিলাম তালিকা বার করতে। বলেছিল করবে না৷ বিএলএ’দের বলেছিলাম রাখতে। বলেছিল রাখবে না। আমার কাছে এই মাটি পুণ্য। বিরোধীদের চক্রান্তের ফলাফল চুরমার হয়েছে৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিল।’
advertisement
অভিষেক আরও বলেন, ‘যারা বাংলার মানুষকে ভাতে মেরে চুপ করে না থেকে ভোটাধিকার কাড়তে চেয়েছিল। তাদের গালে থাপ্পড় পড়ল৷তাহলে মোদীজী কার ক্ষমতা বেশি? আজ আদালতে হারালাম, এপ্রিলে ভোটে হারাব। বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি। তৈরি থাকো। বশ্যতা স্বীকার করতে পারে না বাংলার মানুষ৷ কাকে ডাকা হচ্ছে? কেন ডাকা হচ্ছে? সেটাই জানতে চেয়েছিলাম। এরা বলেছিল জব্দ করবে। তাই পরিকল্পিত ভাবে বাদ দিতে চেয়েছিল ভোটাধিকার থেকে৷’
প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপ্যান্সির আওতায় ফেলা হয়েছে, তাদের তালিকা প্রকাশ করার দাবি আগেই জানিয়েছিল তৃণমূল৷ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকেও একই দাবি জানিয়েছিল তারা৷ কেন বিএলএ-দের শুনানিতে থাকতে দেওয়া হবে না, তা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল৷
