নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট আবারও একবার কেন্দ্রীয় সরকারের চাপিয়ে দেওয়া মনোভাবকে আটকে দিল! ইউজিসির ২০২৬ সালের “Promotion of Equity in Higher Education Institutions) Regulations, 2026“ বিধির প্রয়োগ সাময়িকভাবে থামিয়ে দিয়েছে। আদালতের মতে, এই বিধিগুলো “অত্যধিক ব্যাপক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক” (“too sweeping”) এবং এগুলোর গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন আছে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বলেছেন যে এই ধরণের বিধিগুলি চালু করার পূর্বে রাজ্যগুলির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন। সেই বক্তব্যের যথার্থতাই আরও একবার প্রমাণিত হল!’ (মূল পোস্টের বানান ও যতি চিহ্ন অপরিবর্তিত)
advertisement
দেশজোড়া জেনারেল ক্যাটেগরির পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মাঝেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) ‘বিতর্কিত’ নয়া বিধির উপরে স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট৷ প্রধান বিচারপতি জানালেন, UGC-র নতুন বিধি যেভাবে লেখা হয়েছে, তার সংশোধন প্রয়োজন৷ নতুন বিধির বয়ানে ‘সবটাই অস্পষ্ট’৷ শীর্ষ আদালতের পরামর্শ, এই বিধির ভাষা কোনও বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা দরকার৷ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, ‘এই নিয়ম সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করবে। যার ফল হবে মারাত্মক।’ প্রসঙ্গত UGC-র ২০২৬ রেগুলেশনে বলা হয়েছিল, দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজকে একটি ইক্যুয়াল অপারচুনিটি সেন্টার (EOC) তৈরি করতে হবে এবং যে কোনও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের জন্য ক্যাম্পাস-লেভেল কমিটি গঠন করতে হবে এবং সমতা বজায় রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক কাজকর্মের পরিবেশ তৈরি করতে হবে৷
