TRENDING:

Success Story: বাবা কাঠের মিস্ত্রি, তামিলনাড়ুতে ক্লাস টুয়েলভ-এর পরীক্ষায় ৬০০-এ ৬০০ মেয়ে, ৪৯৯ পেলেন সাফাইকর্মীর কন্যা

Last Updated:

Success Story: ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে রেকর্ড করলেন তামিলনাড়ুর নন্দিনী। কমার্সের ছাত্রী নন্দিনী ভবিষ্যতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চান

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
চেন্নাই : বংশপরিচয় কোনওভাবেই শিক্ষা বা মেধার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। সে কথাই নতুন করে প্রমাণ করলেন তামিলনাড়ুর দ্বাদশ শ্রেণীর এক পরীক্ষার্থিনী। তাঁর বাবা পেশায় কাঠের মিস্ত্রি। শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে দ্বাদশ শ্রেণীর চূড়ান্ত পরীক্ষায় ৬০০-এ ৬০০ পেলেন মেয়ে। ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে রেকর্ড করলেন তামিলনাড়ুর নন্দিনী। কমার্সের ছাত্রী নন্দিনী ভবিষ্যতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চান।
তাঁর উচ্চশিক্ষার জন্য তামিলনাড়ু সরকার সব রকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন
তাঁর উচ্চশিক্ষার জন্য তামিলনাড়ু সরকার সব রকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন
advertisement

সোমবার প্রকাশিত হয়েছে রেজাল্ট। তখনই জানা যায় ডিন্ডিগুল জেলার বাসিন্দা এস নন্দিনী তাক লাগানো রেজাল্ট করেছেন। কিশোরী জানিয়েছেন, ‘‘৬০০-এ ৬০০ পেয়ে আমি খুবই খুশি। আমি এই রেজাল্ট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বাবা মাকে উ‍ৎসর্গ করতে চাই৷ যদি আমাদের আত্মবিশ্বাস থাকে, কোনও বাধাই চলার পথে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে না৷’’ তাঁর উচ্চশিক্ষার জন্য তামিলনাড়ু সরকার সব রকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন৷

advertisement

advertisement

চেন্নাইয়ে কর্পোরেশন পরিচালিত স্কুলগুলির পড়ুয়াদের মধ্যে অনার্সে সেরা হয়েছেন এন গায়ত্রী৷ তিনি মোট ৬০০ নম্বরের মধ্যে ৫৯২ পেয়েছেন৷ দুটি বিষয়ে পূর্ণ নম্বর অর্থাৎ ১০০ এবং বাকি চার বিষয়ে পেয়েছেন ৯৯ করে৷ তাঁর মা কাজ করেন ফলের দোকানে৷ বাবা বেসরকারি পাঠাগারের সহকারী৷ জীবনে লক্ষ্যপূরণের জন্য নির্দিষ্ট পথ থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘শিক্ষাই একমাত্র আমাদের জীবনকে বহু দিক থেকে পরিবর্তন করতে পারে৷’’

advertisement

জানা গিয়েছে আর সফল কন্যা মনীষার কথাও৷ তিনি সিঙ্গল মাদারের সন্তান৷ তাঁর মা পেশায় সাফইকর্মী৷ বোর্ড পরীক্ষায় ৬০০-র মধ্যে ৪৯৯ পাওয়া মনীষা পুলিশ অফিসার হতে চান৷

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
৪০ বছর পিছিয়ে উনুনে ফিরছে শহর! গ্যাসের সঙ্কট, শিলিগুড়িতে রাতারাতি জমজমাট ‘ঘুঁটে বাজার’! দেদার বিক্রি
আরও দেখুন

বলেছেন ‘‘বর্তমান পরিস্থিতির কথা মনে রেখে কোনওমতেই আমাদের লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়৷ আজ হয়তো জীবন আমাদের হাতে নেই৷ কিন্তু কাল এটা পরিবর্তন হবে৷ আমাদের প্রতিভা ও শিক্ষা দিয়েই এই পরিবর্তন হতে পারে৷ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তত্ত্বাবধানেই লেখাপড়া করেছেন তিনি৷

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/
Success Story: বাবা কাঠের মিস্ত্রি, তামিলনাড়ুতে ক্লাস টুয়েলভ-এর পরীক্ষায় ৬০০-এ ৬০০ মেয়ে, ৪৯৯ পেলেন সাফাইকর্মীর কন্যা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল