TRENDING:

মেয়েদের 'নোংরা' ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে ২ কোটি টাকা আয় তিন যুবকের!...দেখুন

Last Updated:

৩ ইউটিউবার৷ মজাদর ভিডিও শ্যুট করার নামে মেয়েদের সঙ্গে অভব্যতা৷ সেই শ্লিলতাহানির ভিডিও সরাসরি আপলোড করে প্রচুর টাকা কামাত তারা৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#মুম্বই: ইউটিউবে মজাদার ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন না, এমন লোকের সংখ্যা কম৷ তাই বহু ইউটিউবার রয়েছেন যাঁরা এই ধরণের ভিডিও নিয়মিত আপলোড করেন তাঁরা৷ এটা তাঁদের নেশা এবং পেশা৷ এর থেকে উপার্জনও হয় প্রচুর৷ বহু সংস্থাও রয়েছে যারা এমন ভিডিওর জন্য খুবই জনপ্রিয়৷ একদিকে যেমন রয়েছে প্রচুর আয়, তেমনই রয়েছে সাধারণের সামনে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি৷ তেমনই মজাদার ভিডিও তোলার নাম করে মেয়েদের শ্লিলতাহানি করত ৩ যুবক এবং সেই অভব্য ভিডিও পোস্ট করত তারা৷ নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলেই হত এই কাজ৷ প্রচুর মানুষ সেই ভিডিও দেখত, ফলে সেই ভিউয়ার সংখ্যা থেকে মোটা টাকা আয়ও হত এই যুবকদের! ঘটনা মুম্বইয়ের৷ শেষে পুলিশের সাইবার শাখা গ্রেফাতার করে তাদের৷
advertisement

মজার ভিডিও বা প্র্যাঙ্ক ভিডিও শ্যুট করা হবে৷ এমন বলে সব বয়সের মহিলাদের টোপ দিত ৩ মুম্বইয়ের যুবক৷ সেই ভিডিওতে অভিনয়ের জন্য  বেছে নেওয়া হত মহিলাদের৷ কিন্তু ক্যামেরা অন হতেই, শুরু হত শ্লিলতাহানি৷ মেয়েদের শরীরের নানা জায়গায় ছুঁয়ে যেত যুবকদের হাত৷ অস্বস্তি প্রকাশ করলে, তাদের ধমক দেওয়া হত৷ তারপর ভিডিও শ্যুট হয়ে গেলে, দেখানো হত ভয়৷ তাতেই চুপ থাকতেন নির্যাতিতারা৷ ভিডিও গুলি শ্যুট হত জুহু বিচ, গোরাই বিচ, আকসা বিচ বা বিএমসি গার্ডেনস সহ আরও অনেক জায়গায়৷

advertisement

শেষ পর্যন্ত কয়েকজন মহিলা প্রতিবাদ জানান এবং পুলিশেও অভিযোগ করেন৷ এদের মধ্যে একজন নবালিকাও ছিল৷ এই অভিযোগের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত ৩ যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ এদের নাম মুকেশ ফুলচন্দ গুপ্ত, প্রিন্স কুমার রাজু সাও, জিতেন্দ্র বাইচেত রাম গুপ্ত৷ এদের মধ্যে মুকেশ পড়াশুনায় বেশ ভাল বলে জানা গিয়েছে৷ ২০০৮-এ এসএসসি পরীক্ষায় ৯৮.৫ শতাংশ পায় সে৷ পুরো বিষয়টি তার বুদ্ধিতে চলছিল৷ প্রায় ১৭টি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে এদের এবং এর থেকে ২ কোটি টাকা আয় হয়! ৩০০ বেশি ইউটিউব ভিডিও আপলোড হয়েছে এই সব চ্যানেলে৷

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বিরাট নজির গড়লেন এগরার এই শিক্ষক, কুর্নিশ জানালেন সকলে, জানলে গর্বে বুক ফুলবে আপনারও
আরও দেখুন

তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৪, ৫০৯, ৩৪ ধারা আনা হয়েছে, তথ্য প্রযুক্তি অ্যাক্টের ৬৭, ৬৭ বি ধারা আনা হয়েছে এবং পোকসো মামলাও রয়েছে৷ তবে শুধু এরা নয়, দিল্লি এবং ঝাড়খণ্ডেও এমন কয়েকটি দল কাজ করছে বলেও জানা গিয়েছে৷ যাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে৷

বাংলা খবর/ খবর/ক্রাইম/
মেয়েদের 'নোংরা' ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে ২ কোটি টাকা আয় তিন যুবকের!...দেখুন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল