TRENDING:

Money Making Tips: ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়েও থ্রেসার মেশিন তৈরিতে এক্সপার্ট মালদহের যুবক, বুদ্ধি খাটিয়ে কাজের মাধ্যমে করছেন অঢেল টাকা রোজগার

Last Updated:

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা নয়, ইউটিউব দেখেই হুবহু ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ করছেন মালদহের এই যুবক। স্কুলে না গেলেও বুদ্ধি যেন একেবারে ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। লোহার যন্ত্র তৈরি করতে এক্সপার্ট এই যুবক।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মালদহ, জিএম মোমিন: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা নয়, ইউটিউব দেখেই হুবহু ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ করছেন মালদহের এই যুবক। স্কুলে না গেলেও বুদ্ধি যেন একেবারে ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। লোহার যন্ত্র তৈরি করতে এক্সপার্ট এই যুবক। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে সহজ হয়েছে একাধিক কাজ। বাদ পড়েনি কৃষি কাজ‌ও। জমিতেই মেশিনের মাধ্যমে ঝাড়ানো হচ্ছে ধান। আর এই ধান ঝাড়ানো মেশিন বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন মালদহের পুখুরিয়া থানার ইসলামপুর গ্রামের এক ব্যক্তি সাদ্দাম হোসেন।
advertisement

কারখানা বা কোম্পানি থেকে কিনে এনে নয় নিজেই ধান ঝাড়ানো থ্রেশার মেশিন তৈরি করে বিক্রি করছেন দোকানে। অর্ডার অনুযায়ী চাহিদা মতো কোন‌ও মাসে চারটি তো কোন‌ও মাসে আটটি ধান থ্রেসার এই মেশিন তৈরি করছেন নিজেই। চার ফুট থেকে সাত ফুট সাইজের এই থ্রেশার মেশিন তৈরি করা হয়ে থাকে। ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা দামে বিক্রি হয় এই থ্রেশার মেশিন।

advertisement

আরও পড়ুন: একদিনের বৃষ্টিতে জলের তলায় রসুন, পেঁয়াজ, টমেটো! মুর্শিদাবাদের মাথায় হাত পড়া চাষিদের কথা ভাবছে কৃষি দফতর

মেশিন প্রস্তুতকারক মালদহের সাদ্দাম হোসেন জানান, “প্রায় ১৫ বছর থেকে এই কাজ করি। বিভিন্ন রকম লোহার জিনিস তৈরি করার শখ রয়েছে। কখনও মোবাইল দেখে কখনও কোনও মেশিন দেখে নিজেই মেশিন তৈরি করার চেষ্টা করে থাকি। লোহার বিভিন্ন সামগ্রী এবং ইঞ্জিন লাগিয়ে এই মেশিন তৈরি করে বিক্রি করি। ভাল রোজগার হয়।” গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, “এলাকায় ব্যাপক পরিমাণে কৃষিকাজ হ‌ওয়ায় এই মেশিনের চাহিদা রয়েছে। বিগত কয়েক বছর থেকে ধান ঝাড়ানো থ্রেশার মেশিন তৈরি করে সাদ্দাম। পড়াশোনা না করলেও বিভিন্ন রকম লোহার যন্ত্রপাতি তৈরি করে থাকে সে।”

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
রবিতে ছুটির দিনেই ক্যামেরাবন্দি জঙ্গলের মহারাজ! বাঘ দেখে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা
আরও দেখুন

চার ফুটের ৩৫ হাজার, পাঁচ ফুটের ৪০ হাজার, ছয় ফুটের ৪৫ হাজার ও সাত ফুটের ৫০ হাজার টাকা করে বিক্রি করা হয়। প্রতি মাসেই সাত থেকে আটটি মেশিন তৈরি করে ব্যাপক পরিমাণে টাকা উপার্জন করে লাভবান হচ্ছেন মালদহের এই ব্যক্তি। শুধু তাই নয় বিভিন্ন রকম যান্ত্রিক মেশিন তৈরি করে বিক্রি করছেন দোকানে। তাঁর এমন ইঞ্জিনিয়ারিং কারিগরি নজর কেড়েছে সকলের।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/ব্যবসা-বাণিজ্য/
Money Making Tips: ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়েও থ্রেসার মেশিন তৈরিতে এক্সপার্ট মালদহের যুবক, বুদ্ধি খাটিয়ে কাজের মাধ্যমে করছেন অঢেল টাকা রোজগার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল