ভেজাল নয়, খাঁটি মধুর খোঁজে মৌমাছির বাক্স নিয়ে তাঁরা ঘুরে বেড়ান এক বাগান থেকে অন্য বাগানে। মধু চাষি আব্দুল জব্বার জানান, “সারা বছরই এই কাজ করি। মধু সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। তবে লিচু, আম ও সর্ষের মরশুমে জেলাতেই কাজের সুযোগ বেশি থাকে। এই কয়েক মাস এখানেই মধু সংগ্রহ করে রোজগার হয়ে যায়।”
advertisement
আরও পড়ুন: আর কলকাতা নয়, ঘরের কাছেই মিলবে উন্নত চিকিৎসা! ৪০ লক্ষের চিকিৎসা বিপ্লব করিমপুর হাসপাতালে
এই প্রসঙ্গে মালদহ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব জানান, “জেলাজুড়ে প্রতিবছর প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ মেট্রিক টন মধু উৎপাদন হয়। প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ সরাসরি এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। মূলত লিচু, সর্ষে ও আম বাগান থেকেই মধু সংগ্রহ করা হয়। তাঁর কথায়, “লিচুর মধু অন্যান্য মধুর তুলনায় অনেক বেশি সুস্বাদু এবং বাজারে এর চাহিদাও বেশি। ফলে মধু চাষের ক্ষেত্রে এই জেলায় যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সাধারণত ডিসেম্বর মাস থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জেলার মধ্যেই মধু সংগ্রহ করেন চাষিরা। মরশুম শেষ হলে মধুর সন্ধানে পাড়ি দেন ভিন জেলা কিংবা অন্য রাজ্যে। তবে খাঁটি মধু সংগ্রহের জন্য অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি মরশুম শেষে মৌমাছিদের বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি খাওয়ানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলচাষের পাশাপাশি মধু উৎপাদনেও নতুন দিগন্ত খুলছে মালদহ। আম-লিচুর সুবাসের সঙ্গে এবার জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে খাঁটি মধুর উৎপাদন।





