আসানসোলের মহিষিলার এক নম্বর কলোনিতে রয়েছে সাধক বনমালী ভট্টাচার্যের মন্দির। বর্তমানে দেবীর পুজোপাঠ এবং মন্দির পরিচালনা করেন তাঁর ছেলে বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। এই মন্দিরে চতুর্দশীর দিন হয় পুজো। আরাধনা করা হয় দেবী তারার। আবার বিগত ৭৩ বছর ধরে ভূত চতুর্দশীর দিন দেবীর পুজো শুরুর আগে দেওয়া হয় শিবা ভোগ। শ্মশান সংলগ্ন একটি বটগাছের নিচে পুজো করার পর শিবা ভোগ এবং ভৈরব ভোগ নিবেদন করা হয়। ভূত চতুর্দশীর দিন গা ছমছমে অন্ধকার পরিবেশে এই পুজো সম্পন্ন হয়।
advertisement
প্রত্যেক বছরই এই একই নিয়ম পালন করা হয়। অতৃপ্তদের উদ্দেশ্যে এই শিবা ভোগ নিবেদন করা হয়। রাত দশটার পর অন্ধকারে করা হয় নিবেদন। এলাকার মানুষসহ আশপাশের অনেকেই এই পুজোর কথা জানেন। কিন্তু এই পুজো দেখতে যাওয়ার সাহস হয় না কারোর। দেবীর বীজ মন্ত্র পুজোর পর বিশ্বনাথ বাবু যান শিবা ভোগ অর্পণ করতে। রাতের অন্ধকারে শ্মশান সংলগ্ন বটগাছের নিচে গিয়ে সাধনা করেন তিনি।
পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা বনমালী ভট্টাচার্য। আদতে নদীয়ার বাসিন্দা। তিনি ৭ বছর বয়সে বামাক্ষ্যাপার সান্নিধ্য পান। সাধক বামাক্ষ্যাপার শিষ্য ছিলেন তিনি। পরে তিনি আসানসোলের মহিষিলায় আসেন। তখন আসানসোলের রায় পরিবার তাকে মন্দির স্থাপনের জন্য এই জায়গাটি দান করেন। সেখানেই নির্মাণ হয় দেবি কালীর মন্দির। আর তখন থেকে এখানে চতুর্দশীর দিন হয় পুজো। পুজো করা হয় দেবী তারার।
নয়ন ঘোষ





