Digital Detox কী?  কাদের  করা উচিত?

                   Published by – Salmali Das                  21-01-2026

আমরা এখন পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে বাস করছি। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের একটি টাচেই সম্পন্ন হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ।

খবর পড়া, বিনোদন, অফিসের কাজ কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ—সবকিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইসের নির্ভরতা বেড়েছে।

ক্রমাগত নোটিফিকেশন, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনা ও তথ্যের বন্যা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, স্ট্রেস ও অবসাদ। এই পরিস্থিতিতেই ধীরে ধীরে গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’।

কখন বুঝবেন আপনার ডিজিটাল ডিটক্স দরকার? বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি বারবার ফোন চেক করার তাড়না থাকে, নোটিফিকেশন না দেখলে অস্থির লাগে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের পর মন খারাপ বা স্ট্রেস বেড়ে যায়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয় বা কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নষ্ট হয়—তাহলে তা ডিজিটাল আসক্তির লক্ষণ হতে পারে।

More Stories.

সিলিন্ডারে ঠিক ‘কতটা’ গ্যাস বাকি? ২ মিনিটের ‘নিনজা’ উপায়়ে বুঝে নিন আর কতদিন যাবে রান্নার গ্যাস? ঠকতে হবে না আর

মাত্র ১০টাকা খরচ! মিনিটে ঝকঝকে-তকতকে! নিজের মুখ দেখতে পাবেন! এইভাবে পরিষ্কার করুন বাথরুমের কোমড

ডায়াবেটিসে ‘মোক্ষম’ দাওয়াই! প্রেসারে ‘ম্যাজিক’! ক‍্যানসার ঘেঁষবে না! সকালে ১ গ্লাস জলে শুধু মেশান ‘এই’ ছোট্ট জিনিস

ডিজিটাল ডিটক্স মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং মনকে শান্ত রাখে। মনোযোগ ক্ষমতা বাড়ে, ফলে কাজের মানও উন্নত হয়। ঘুমের সমস্যা কমে এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়ে, যা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

ডিজিটাল ডিটক্স মানে কি প্রযুক্তি ছেড়ে দেওয়া?একেবারেই নয়। ডিজিটাল ডিটক্স মানে প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করা।

দিনে নির্দিষ্ট সময়ে ফোন দেখা, খাবারের সময় ফোন দূরে রাখা, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার কমানো বা অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করার মতো ছোট পদক্ষেপ থেকেই শুরু করা যেতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যেই এর ইতিবাচক প্রভাব টের পাওয়া যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিজিটাল ডিটক্স হল নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডিজিটাল ডিভাইস, স্ক্রিন ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটালাইজেশন জীবন সহজ করেছে ঠিকই, তবে এর নেতিবাচক দিকও স্পষ্ট। অতিরিক্ত তথ্যের চাপ বাড়ায় মানসিক উদ্বেগ, মাল্টিটাস্কিং কমায় মনোযোগের ক্ষমতা, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনামূলক মানসিকতা আত্মবিশ্বাসে আঘাত হানে।

ঠাকুমা-দিদিমাদের ‘ধন্বন্তরি’ টোটকা…! সর্দি-কাশি হলেই বাচ্চাকে খাওয়ান ‘এক’ চামচ এই মশলা! আজীবন ফিট থাকবে সন্তান!

পড়তে ক্লিক করুন