মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিকে খাবার গরম কতটা নিরাপদ?

                   Published by – Salmali Das                    09-02-2026

ফ্রিজের খাবার সরাসরি প্লাস্টিকের পাত্রেই মাইক্রোওয়েভে গরম করা—অনেক বাড়িতেই এটাই রোজকার অভ্যাস।

দ্রুত, সহজ এবং ঝামেলাহীন বলে মনে হলেও, চিকিৎসকদের মতে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের উপর নীরব প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা একবারে প্রাণঘাতী না হলেও, বছরের পর বছর এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

More Stories.

সিলিন্ডারে ঠিক ‘কতটা’ গ্যাস বাকি? ২ মিনিটের ‘নিনজা’ উপায়়ে বুঝে নিন আর কতদিন যাবে রান্নার গ্যাস? ঠকতে হবে না আর

মাত্র ১০টাকা খরচ! মিনিটে ঝকঝকে-তকতকে! নিজের মুখ দেখতে পাবেন! এইভাবে পরিষ্কার করুন বাথরুমের কোমড

ডায়াবেটিসে ‘মোক্ষম’ দাওয়াই! প্রেসারে ‘ম্যাজিক’! ক‍্যানসার ঘেঁষবে না! সকালে ১ গ্লাস জলে শুধু মেশান ‘এই’ ছোট্ট জিনিস

দিল্লির ধারমশিলা নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির ক্লিনিক্যাল লিড ও ডিরেক্টর ডা. কণিকা সুদ শর্মা জানান, মাইক্রোওয়েভের তাপে প্লাস্টিক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কিছু রাসায়নিক খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে।

তাঁর কথায়, “মাঝে মধ্যে করলে সাধারণত বড় সমস্যা হয় না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত করলে শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।”

গুরগাঁওয়ের আর্টেমিস হাসপাতালের চিফ ব্রেস্ট সার্জন ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ডা. দীপক ঝা বলেন,  “একবার প্লাস্টিকে খাবার গরম করলেই তা মারাত্মক ক্ষতিকর—এ কথা বলা ঠিক নয়। তবে এটাও বলা যায় না যে এটি পুরোপুরি নিরাপদ। দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি বাড়তে পারে।”

প্লাস্টিক গরম হলে কী হয়?মাইক্রোওয়েভের উচ্চ তাপে প্লাস্টিকের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে অদৃশ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারের সঙ্গে মিশতে পারে।

বিশেষ করে তেলযুক্ত, ঝাল বা অ্যাসিডিক খাবার গরম করলে BPA ও ফথ্যালেটের মতো রাসায়নিক বেরোনোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ডা. শর্মার মতে, তাৎক্ষণিক ক্ষতির প্রমাণ না মিললেও, দীর্ঘদিন ধরে এই রাসায়নিক শরীরে ঢুকলে প্রদাহ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও মেটাবলিক স্ট্রেসের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

ঠাকুমা-দিদিমাদের ‘ধন্বন্তরি’ টোটকা…! সর্দি-কাশি হলেই বাচ্চাকে খাওয়ান ‘এক’ চামচ এই মশলা! আজীবন ফিট থাকবে সন্তান!

পড়তে ক্লিক করুন