advertisement

Love Story: স্বামী কোমায়, হাসপাতালে কেক, ফুল নিয়ে হাজির প্রেয়সী! এমন বিবাহ বার্ষিকী দেখে চোখে জল ধরে রাখা কঠিন! মিরাকেলের অপেক্ষায় আসানসোল

Last Updated:
West Bardhaman Love Story: স্বামী যখন কোমায়, তখন হাসপাতালে বিবাহ বার্ষিকী পালন করলেন প্রেয়সী। সাড়াশব্দ, নড়াচড়া ছাড়া স্বামীর চোখ বেয়ে আসা জল বলে দিন অনেক কথা। কোমায় থাকা স্বামীর হাত থেকে সিঁথিতে সিঁদুর পড়েছেন সোমা দেবী। কপালে দিয়েছেন প্রেমের চুমু।
1/6
ভালবাসার এর থেকে বড় উদাহরণ হয়ত খুবই কমই আছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আবার সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার আশাও করা খুব সহজ কাজ নয়। কিন্তু অবলীলায় এই কাজ করে চলেছেন এই গৃহবধূ। স্বামী যখন কোমায়, তখন হাসপাতালে বিবাহ বার্ষিকী পালন করলেন প্রেয়সী। সাড়াশব্দ, নড়াচড়া ছাড়া স্বামীর চোখ বেয়ে আসা জল বলে দিন অনেক কথা।
ভালবাসার এর থেকে বড় উদাহরণ হয়ত খুবই কমই আছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আবার সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার আশাও করা খুব সহজ কাজ নয়। কিন্তু অবলীলায় এই কাজ করে চলেছেন এই গৃহবধূ। স্বামী যখন কোমায়, তখন হাসপাতালে বিবাহ বার্ষিকী পালন করলেন প্রেয়সী। সাড়াশব্দ, নড়াচড়া ছাড়া স্বামীর চোখ বেয়ে আসা জল বলে দিন অনেক কথা।
advertisement
2/6
স্বামী দুর্ঘটনার শিকার হয়ে কোমায় চলে গিয়েছেন। অথচ স্ত্রী সেজেগুজে হাসপাতালে এসেছেন বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে। বিবাহ বার্ষিকীর কেক, ফুলের স্তবক নিয়ে কোমায় থাকা স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বার্ষিকী পালন করেছেন সোমা শীল চট্টোপাধ্যায়। কোমায় থাকা স্বামীর হাত থেকে সিঁথিতে সিঁদুর পড়েছেন। কপালে দিয়েছেন প্রেমের চুমু। আর এই সব কিছুর আয়োজন শুধুমাত্র স্বামীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য।
স্বামী দুর্ঘটনার শিকার হয়ে কোমায় চলে গিয়েছেন। অথচ স্ত্রী সেজেগুজে হাসপাতালে এসেছেন বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে। বিবাহ বার্ষিকীর কেক, ফুলের স্তবক নিয়ে কোমায় থাকা স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বার্ষিকী পালন করেছেন সোমা শীল চট্টোপাধ্যায়। কোমায় থাকা স্বামীর হাত থেকে সিঁথিতে সিঁদুর পড়েছেন। কপালে দিয়েছেন প্রেমের চুমু। আর এই সব কিছুর আয়োজন শুধুমাত্র স্বামীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য।
advertisement
3/6
জীবন কখন কোন দিকে মোড় নেবে, তা আমরা এক মুহূর্ত আগে পর্যন্ত বুঝতে পারি না। কিন্তু হাসি খুশিতে ভরা জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে এক মুহূর্তও সময় লাগে না। তেমনটাই হয়েছে আসানসোলের হটন রোডের বাসিন্দা সার্বত্রিক চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পাঁচ মাস আগে একটি পথ দুর্ঘটনায় তাদের জীবন ওলটপালট হয়ে গিয়েছে।
জীবন কখন কোন দিকে মোড় নেবে, তা আমরা এক মুহূর্ত আগে পর্যন্ত বুঝতে পারি না। কিন্তু হাসি খুশিতে ভরা জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে এক মুহূর্তও সময় লাগে না। তেমনটাই হয়েছে আসানসোলের হটন রোডের বাসিন্দা সার্বত্রিক চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পাঁচ মাস আগে একটি পথ দুর্ঘটনায় তাঁদের জীবন ওলটপালট হয়ে গিয়েছে।
advertisement
4/6
কিন্তু হাল ছাড়েননি স্ত্রী তিনি। এখনও সমান তালে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন স্বামীকে সুস্থ করে ফিরিয়ে আনার জন্য। প্রতিদিন নিয়ম করে হাসপাতালে স্বামীর কাছে পৌঁছে যান তিনি। গায়ে থাকে স্বামীর পছন্দের পারফিউমের সুগন্ধ। প্রতিদিন হাজার কষ্ট বুকে চেপে রেখেও স্বামীর সামনে এসে হাসিমুখে দাঁড়ান। হাসপাতালের কেবিনে বসে ভিডিও কলে দেখান এক বছরের ছেলেকেও।
কিন্তু হাল ছাড়েননি স্ত্রী তিনি। এখনও সমান তালে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন স্বামীকে সুস্থ করে ফিরিয়ে আনার জন্য। প্রতিদিন নিয়ম করে হাসপাতালে স্বামীর কাছে পৌঁছে যান তিনি। গায়ে থাকে স্বামীর পছন্দের পারফিউমের সুগন্ধ। প্রতিদিন হাজার কষ্ট বুকে চেপে রেখেও স্বামীর সামনে এসে হাসিমুখে দাঁড়ান। হাসপাতালের কেবিনে বসে ভিডিও কলে দেখান এক বছরের ছেলেকেও।
advertisement
5/6
সার্বত্রিক চট্টোপাধ্যায় বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। কাজ করতেন একটি ব্যাংকের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে। প্রেম করে বিয়ে করেন সোমা শীল চট্টোপাধ্যায়কে। গত বছর ১২ অক্টোবর কলকাতার ভিআইপি রোডে হলদিরামের কাছে একটি পথ দুর্ঘটনায় শিকার হন তিনি। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তার রক্ত জমে যাওয়ায় ব্রেনের কিছু অংশ বাদ দিতে হয়। চোখে গুরুতরও আঘাত রয়েছে। তখন থেকেই কোমায় চলে গিয়েছেন সার্বত্রিক। সেই থেকেই লড়াই শুরু হয়েছে স্ত্রী সোমার।
সার্বত্রিক চট্টোপাধ্যায় বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। কাজ করতেন একটি ব্যাংকের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে। প্রেম করে বিয়ে করেন সোমা শীল চট্টোপাধ্যায়কে। গত বছর ১২ অক্টোবর কলকাতার ভিআইপি রোডে হলদিরামের কাছে একটি পথ দুর্ঘটনায় শিকার হন তিনি। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তার রক্ত জমে যাওয়ায় ব্রেনের কিছু অংশ বাদ দিতে হয়। চোখে গুরুতরও আঘাত রয়েছে। তখন থেকেই কোমায় চলে গিয়েছেন সার্বত্রিক। সেই থেকেই লড়াই শুরু হয়েছে স্ত্রী সোমার।
advertisement
6/6
স্বামীর বেঁচে থাকার ইচ্ছে জাগে তুলতে প্রতিদিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন স্ত্রী। বর্তমানে কলকাতার একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সার্বত্রিক। ফলে খরচ প্রতিদিন বাড়ছে। সংসারে বাড়ছে আর্থিক চাপ। আর এসবের মধ্যে স্বামীর সুস্থতা প্রার্থনা করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শুরু করেন তিনি। আর সেখানেই কোমায় থাকা স্বামীর জন্য স্ত্রীর এমন পদক্ষেপ দেখে নেটিজেনদের চোখে জল। প্রিয় মানুষকে ফিরিয়ে আনতে নারীর এমন যুদ্ধ দেখে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সকলেই।
স্বামীর বেঁচে থাকার ইচ্ছে জাগে তুলতে প্রতিদিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন স্ত্রী। বর্তমানে কলকাতার একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সার্বত্রিক। ফলে খরচ প্রতিদিন বাড়ছে। সংসারে বাড়ছে আর্থিক চাপ। আর এসবের মধ্যে স্বামীর সুস্থতা প্রার্থনা করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শুরু করেন তিনি। আর সেখানেই কোমায় থাকা স্বামীর জন্য স্ত্রীর এমন পদক্ষেপ দেখে নেটিজেনদের চোখে জল। প্রিয় মানুষকে ফিরিয়ে আনতে নারীর এমন যুদ্ধ দেখে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সকলেই।
advertisement
advertisement
advertisement