advertisement

Snap melon Benefits: গরমে অমৃতের সমান এই ফল! ওজন কমানো থেকে কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, সমাধান লুকিয়ে গ্রামবাংলার এই অবহেলিত ফলে

Last Updated:
Snap melon Farming: গ্রামবাংলার পুরনো ফল ফুটি আবার চাষ হচ্ছে সুন্দরবনে। কম মিষ্টি ও হজমে উপকারী এই ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ভাল। দোআঁশ মাটিতে সহজ পদ্ধতিতে চাষ করে কৃষকেরা পাচ্ছেন ভালো লাভ।
1/6
এখন সেভাবে দেখা যায় না এই ধরনের ফল। তবে আগেকার দিনের মানুষদের এই ফল ছিল খুব পছন্দের। যার নাম হল ফুটি। এটা সাধারণত জমিতেই চাষ হয় ফুটি সাধানত বেশ বড় আকারের হয় কাঁচা ফল সবুজ পাকলে হলুদ রঙের হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ফল ফেটে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে। (তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
এখন সেভাবে দেখা যায় না এই ধরনের ফল। তবে আগেকার দিনের মানুষদের এই ফল ছিল খুব পছন্দের। যার নাম হল ফুটি। এটা সাধারণত জমিতেই চাষ হয় ফুটি সাধানত বেশ বড় আকারের হয় কাঁচা ফল সবুজ পাকলে হলুদ রঙের হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ফল ফেটে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে। (তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
advertisement
2/6
ফলের বাইরের দিকটা দেখতে অনেকটাই কুমড়োর মত হালকা ডোরাকাটা কাজ যুক্ত। খেতে তেমন মিষ্টি নয় তবে এই ধরনের ফল আগেকার দিনের মানুষরা বিভিন্ন গুড় বা বাতাসা দিয়ে খেত। এবং খুব পছন্দের খাবার ছিল। কিন্তু এখন আর সেভাবে জমিতে চাষ হতে দেখা যায় না।
ফলের বাইরের দিকটা দেখতে অনেকটাই কুমড়োর মত হালকা ডোরাকাটা কাজ যুক্ত। খেতে তেমন মিষ্টি নয় তবে এই ধরনের ফল আগেকার দিনের মানুষরা বিভিন্ন গুড় বা বাতাসা দিয়ে খেত। এবং খুব পছন্দের খাবার ছিল। কিন্তু এখন আর সেভাবে জমিতে চাষ হতে দেখা যায় না।
advertisement
3/6
তবে এবার সুন্দরবনে এই ধরনের ফল চাষ হতে দেখা যাচ্ছে। এবং কৃষকরা ভালো মুনাফাও করছে। কারণ এই ফল প্রচুর পরিমাণে উপকার আছে সাধারণ মানুষের। কারণ এই ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া যায় তার পাশাপাশি এই ফলে হজম শক্তির বৃদ্ধির পাশাপাশি মিষ্টির পরিমাণ কম থাকায় ডাইবেটিস রোগীরাও এই ফল খেলে অনেক উপকারে আসে।
তবে এবার সুন্দরবনে এই ধরনের ফল চাষ হতে দেখা যাচ্ছে। এবং কৃষকরা ভালো মুনাফাও করছে। কারণ এই ফল প্রচুর পরিমাণে উপকার আছে সাধারণ মানুষের। কারণ এই ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া যায় তার পাশাপাশি এই ফলে হজম শক্তির বৃদ্ধির পাশাপাশি মিষ্টির পরিমাণ কম থাকায় ডাইবেটিস রোগীরাও এই ফল খেলে অনেক উপকারে আসে।
advertisement
4/6
এইটা সাধারণত শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী উর্বর দোআঁশ ও পলি মাটির চাষের জন্য খুব উপযোগী। এই ফল আপনার জমিতে চাষ করতে গেলে জমিটি প্রথমে ভালো করে চুষে নিতে হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বীজ রোপণ করতে হবে।
এইটা সাধারণত শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী উর্বর দোআঁশ ও পলি মাটির চাষের জন্য খুব উপযোগী। এই ফল আপনার জমিতে চাষ করতে গেলে জমিটি প্রথমে ভালো করে চুষে নিতে হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বীজ রোপণ করতে হবে।
advertisement
5/6
এর প্রত্যেকটি বীজ পাঁচ থেকে ছয় ফুট ও দু ফুট চওড়ায় বীজ বুনতে হবে। খুব একটা ষাঁড়ের প্রয়োজন নেই। তবে ভালো ফল ও গাছের পোকা রোধ করার জন্য রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। এবং ফল জন্মানোর পর যাতে ফল পচে না যায় যার জন্য জমিতে ফলের নিচে খড় বিছিয়ে দেয়াটা বাধ্যতামূলক।
এর প্রত্যেকটি বীজ পাঁচ থেকে ছয় ফুট ও দু ফুট চওড়ায় বীজ বুনতে হবে। খুব একটা ষাঁড়ের প্রয়োজন নেই। তবে ভালো ফল ও গাছের পোকা রোধ করার জন্য রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। এবং ফল জন্মানোর পর যাতে ফল পচে না যায় যার জন্য জমিতে ফলের নিচে খড় বিছিয়ে দেয়াটা বাধ্যতামূলক।
advertisement
6/6
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ফল এক কেজি থেকে দু কেজি আড়াই কেজি পর্যন্ত হতে পারে। তাই এই ফল অনেক সময় ফেটে যায় সেটা রোধ করতে গেলে পরিমাণ মত জমিতে জল দিতে হবে। তাতে ফাটার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। আর এভাবেই চাষ করেও আপনিও লাভবান হতে পারেন এই ফলে। (তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ফল এক কেজি থেকে দু কেজি আড়াই কেজি পর্যন্ত হতে পারে। তাই এই ফল অনেক সময় ফেটে যায় সেটা রোধ করতে গেলে পরিমাণ মত জমিতে জল দিতে হবে। তাতে ফাটার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। আর এভাবেই চাষ করেও আপনিও লাভবান হতে পারেন এই ফলে।(তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement