advertisement

Indian Railways: সুখবর! জয়রামবাটি-ময়নাপুরের মধ্যে চালু হল নতুন প্যাসেঞ্জার ট্রেন, খুশিতে ডগমগ সবাই, জানুন বিস্তারিত

Last Updated:
Indian Railways: রবিবার হুগলির সিঙ্গুর থেকে একাধিক ট্রেনের উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আর সেই তালিকায় রয়েছে এই বিশেষ প্যাসেঞ্জার ট্রেনটিও।
1/7
রেল মানচিত্রে জুড়ল মা সারদার জন্মভূমি জয়রামবাটি। রবিবারই, হুগলির সিঙ্গুর থেকে জয়রামবাটি ও ময়নাপুরের মধ্যে নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রেল মানচিত্রে জুড়ল মা সারদার জন্মভূমি জয়রামবাটি। রবিবারই, হুগলির সিঙ্গুর থেকে জয়রামবাটি ও ময়নাপুরের মধ্যে নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
advertisement
2/7
আর, তারপরেই জয়রামবাটি রেলস্টেশনে ট্রেন আসতেই খুশিতে মাতলেন এলাকার বাসিন্দারা। এর ফলে, এ বার থেকে সরাসরি ট্রেনেই মা সারদার জন্মস্থানে আসতে পারবেন ভক্ত এবং পর্যটকরা।
আর, তারপরেই জয়রামবাটি রেলস্টেশনে ট্রেন আসতেই খুশিতে মাতলেন এলাকার বাসিন্দারা। এর ফলে, এ বার থেকে সরাসরি ট্রেনেই মা সারদার জন্মস্থানে আসতে পারবেন ভক্ত এবং পর্যটকরা।
advertisement
3/7
২০০০-০১ সালে তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তারকেশ্বর থেকে জয়রামবাটি হয়ে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেলপথ প্রকল্পের সূচনা করেন। ২০১০ সালে বিষ্ণুপুর এবং গোকুলনগর ও ২০১২ সালে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
২০০০-০১ সালে তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তারকেশ্বর থেকে জয়রামবাটি হয়ে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেলপথ প্রকল্পের সূচনা করেন। ২০১০ সালে বিষ্ণুপুর এবং গোকুলনগর ও ২০১২ সালে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
advertisement
4/7
গত বছরের মার্চ মাসে সম্পূর্ণ হয় জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ। পরীক্ষামূলক ট্রেন চালিয়ে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি ওই রুটে ট্রেন চালানোর ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেন। এর পর পরিকাঠামো তৈরির কাজ শেষ করে রবিবার প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
গত বছরের মার্চ মাসে সম্পূর্ণ হয় জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ। পরীক্ষামূলক ট্রেন চালিয়ে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি ওই রুটে ট্রেন চালানোর ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেন। এর পর পরিকাঠামো তৈরির কাজ শেষ করে রবিবার প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
advertisement
5/7
সূচনার পর জয়রামবাটি স্টেশন থেকে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন বাঁকুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মতো জয়রামবাটি স্টেশনে হাজির ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন এবং মাতৃ মন্দিরের সন্ন্যাসীরাও।
সূচনার পর জয়রামবাটি স্টেশন থেকে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন বাঁকুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মতো জয়রামবাটি স্টেশনে হাজির ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন এবং মাতৃ মন্দিরের সন্ন্যাসীরাও।
advertisement
6/7
হাওড়ার ডিআরএম বিশাল কাপুর জানিয়েছেন, আপাতত প্রতি দিন একটি ট্রেন বাঁকুড়া এবং জয়রামবাটির মধ্যে যাতায়াত করবে। তিনি বলেন, ‘এই লাইনে কাজে যে সমস্যায় ছিল তা কেটে গিয়েছে। ভবিষ্যতে এই লাইন তারকেশ্বরের সঙ্গে যুক্ত হলে হাওড়া পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
হাওড়ার ডিআরএম বিশাল কাপুর জানিয়েছেন, আপাতত প্রতি দিন একটি ট্রেন বাঁকুড়া এবং জয়রামবাটির মধ্যে যাতায়াত করবে। তিনি বলেন, ‘এই লাইনে কাজে যে সমস্যায় ছিল তা কেটে গিয়েছে। ভবিষ্যতে এই লাইন তারকেশ্বরের সঙ্গে যুক্ত হলে হাওড়া পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
advertisement
7/7
জয়রামবাটির মাতৃ মন্দিরের সন্ন্যাসী স্বামী প্রবুদ্ধানন্দ বলেন, ‘এই রেললাইন চালু হওয়ার ফলে কম খরচে এবং অনেক সহজে ভক্তেরা এখানে আসতে পারবেন।’ এই স্টেশন তৈরি করা হয়েছে মাতৃ মন্দিরের আদলে।
জয়রামবাটির মাতৃ মন্দিরের সন্ন্যাসী স্বামী প্রবুদ্ধানন্দ বলেন, ‘এই রেললাইন চালু হওয়ার ফলে কম খরচে এবং অনেক সহজে ভক্তেরা এখানে আসতে পারবেন।’ এই স্টেশন তৈরি করা হয়েছে মাতৃ মন্দিরের আদলে।
advertisement
advertisement
advertisement