advertisement

East Bardhaman News: এক দশক পর গুসকরায় ফিরল রঙিন তাঁবু, মাত্র ১০০ টাকায় মিলবে ভরপুর বিনোদন! পরিবার নিয়ে ঘুরে আসুন

Last Updated:
East Bardhaman News: দীর্ঘদিন পর গুসকরায় সার্কাসের প্রত্যাবর্তন যেন নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করেছে শহরের বিনোদন জগতে। প্রতিদিন থাকবে তিনটি করে শো। টিকিট শুরু হয়ে যাচ্ছে মাত্র ১০০ টাকা থেকে। মানুষের উন্মাদনা তুঙ্গে।
1/5
একসময় সার্কাস ছিল সাধারণ মানুষের অন্যতম প্রধান বিনোদনের মাধ্যম। শীতের আমেজ নামলেই বিভিন্ন এলাকায় দেখা মিলত রঙিন তাবুর, আর সেই তাবুকে ঘিরে তৈরি হত উৎসবের আবহ। আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ ভিড় জমাত রোমাঞ্চকর কসরত, দুঃসাহসিক খেলা আর আলোর ঝলকানিতে মোড়া সেই মায়াবী দুনিয়া দেখতে। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিনোদনের যুগে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ঐতিহ্য। আগের মতো আর সর্বত্র চোখে পড়ে না সার্কাসের তাঁবু। তবুও প্রতিকূলতার মাঝেও হার মানতে নারাজ এই শিল্প ও শিল্পীরা, অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
একসময় সার্কাস ছিল সাধারণ মানুষের অন্যতম প্রধান বিনোদনের মাধ্যম। শীতের আমেজ নামলেই বিভিন্ন এলাকায় দেখা মিলত রঙিন তাবুর, আর সেই তাবুকে ঘিরে তৈরি হত উৎসবের আবহ। আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ ভিড় জমাত রোমাঞ্চকর কসরত, দুঃসাহসিক খেলা আর আলোর ঝলকানিতে মোড়া সেই মায়াবী দুনিয়া দেখতে। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিনোদনের যুগে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ঐতিহ্য। আগের মতো আর সর্বত্র চোখে পড়ে না সার্কাসের তাঁবু। তবুও প্রতিকূলতার মাঝেও হার মানতে নারাজ এই শিল্প ও শিল্পীরা, অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
সেই লড়াইয়েরই এক উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর ফের গুসকরায় ফিরছে সার্কাস। পূর্ব বর্ধমান জেলার গুসকরা শহরের রটন্তী কালিতলা প্রাঙ্গণে ইতিমধ্যেই পড়েছে তাঁবু। শহরে সার্কাসের প্রত্যাবর্তনে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে বিনোদনপ্রেমী মানুষের মধ্যে। বহুদিন পর আবারও আলো, মাইকের আওয়াজে মুখরিত হতে চলেছে শহরের সন্ধ্যা।
সেই লড়াইয়েরই এক উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর ফের গুসকরায় ফিরছে সার্কাস। পূর্ব বর্ধমান জেলার গুসকরা শহরের রটন্তী কালিতলা প্রাঙ্গণে ইতিমধ্যেই পড়েছে তাঁবু। শহরে সার্কাসের প্রত্যাবর্তনে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে বিনোদনপ্রেমী মানুষের মধ্যে। বহুদিন পর আবারও আলো, মাইকের আওয়াজে মুখরিত হতে চলেছে শহরের সন্ধ্যা।
advertisement
3/5
এবার গুসকরায় এসেছে টারজান সার্কাস। বহু বছর আগেই সার্কাসে জীবজন্তুর প্রদর্শনী নিষিদ্ধ হয়েছে, যার প্রভাব যে শিল্পে পড়েছে তা স্বীকার করেছেন সংস্থার ম্যানেজার সঞ্জীব ঘোষ। তাঁর কথায়, “এক সময় বাঘ, সিংহ বা হাতির গর্জনেই মানুষ বুঝে যেত সার্কাসের আসর বসেছে। এখন সেসব শুধুই স্মৃতি। তবে দর্শকদের মনোরঞ্জনে আমরা কোনও খামতি রাখিনি। মানুষের আগ্রহ এখনও রয়েছে, তাই আমরা আশাবাদী আবারও সুদিন ফিরবে।”
এবার গুসকরায় এসেছে টারজান সার্কাস। বহু বছর আগেই সার্কাসে জীবজন্তুর প্রদর্শনী নিষিদ্ধ হয়েছে, যার প্রভাব যে শিল্পে পড়েছে তা স্বীকার করেছেন সংস্থার ম্যানেজার সঞ্জীব ঘোষ। তাঁর কথায়, “এক সময় বাঘ, সিংহ বা হাতির গর্জনেই মানুষ বুঝে যেত সার্কাসের আসর বসেছে। এখন সেসব শুধুই স্মৃতি। তবে দর্শকদের মনোরঞ্জনে আমরা কোনও খামতি রাখিনি। মানুষের আগ্রহ এখনও রয়েছে, তাই আমরা আশাবাদী আবারও সুদিন ফিরবে।”
advertisement
4/5
প্রাণীর খেলা বন্ধ হওয়ায় সার্কাসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আনা হয়েছে নানা বিকল্প আয়োজন। বারের খেলা, রিং ড্যান্স, ফায়ার ড্যান্স, গ্লোবের ভিতরে মোটরসাইকেল রেস, সব মিলিয়ে দুঃসাহসিকতার এক রোমাঞ্চকর প্যাকেজ অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে মণিপুরের একটি বিশেষ টিমের পরিবেশনা। বুধবার থেকে প্রতিদিন তিনটি করে শো দুপুর ১টা, বিকেল ৪টা এবং সন্ধ্যা ৭টায়। টিকিটের মূল্যও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যে ফার্স্ট ক্লাস ১৫০ টাকা এবং সেকেন্ড ক্লাস ১০০ টাকা।
প্রাণীর খেলা বন্ধ হওয়ায় সার্কাসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আনা হয়েছে নানা বিকল্প আয়োজন। বারের খেলা, রিং ড্যান্স, ফায়ার ড্যান্স, গ্লোবের ভিতরে মোটরসাইকেল রেস, সব মিলিয়ে দুঃসাহসিকতার এক রোমাঞ্চকর প্যাকেজ অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে মণিপুরের একটি বিশেষ টিমের পরিবেশনা। বুধবার থেকে প্রতিদিন তিনটি করে শো দুপুর ১টা, বিকেল ৪টা এবং সন্ধ্যা ৭টায়। টিকিটের মূল্যও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যে ফার্স্ট ক্লাস ১৫০ টাকা এবং সেকেন্ড ক্লাস ১০০ টাকা।
advertisement
5/5
দীর্ঘদিন পর গুসকরায় সার্কাসের প্রত্যাবর্তন যেন নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করেছে শহরের বিনোদন জগতে। ছোটদের চোখে কৌতূহল, বড়দের মনে নস্টালজিয়া, সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক বিশেষ আবহ। এখন দেখার, এই প্রত্যাবর্তন কতটা সফল হয়। তবে আপাতত বলা যায়, রঙিন তাবুর নিচে আবারও জেগে উঠছে এক হারাতে বসা ঐতিহ্যের স্বপ্ন। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
দীর্ঘদিন পর গুসকরায় সার্কাসের প্রত্যাবর্তন যেন নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করেছে শহরের বিনোদন জগতে। ছোটদের চোখে কৌতূহল, বড়দের মনে নস্টালজিয়া, সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক বিশেষ আবহ। এখন দেখার, এই প্রত্যাবর্তন কতটা সফল হয়। তবে আপাতত বলা যায়, রঙিন তাবুর নিচে আবারও জেগে উঠছে এক হারাতে বসা ঐতিহ্যের স্বপ্ন। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement