North 24 Parganas: দোকানে দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি! স্বরূপনগরে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা, টান মেরে ফেলা হল সব

Last Updated:
North 24 Parganas News: খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক ড. অপরাজিতা মজুমদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল।
1/6
বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় খাদ্য সুরক্ষা দফতর কড়া অভিযান চালাল। বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকার খাবারের দোকানগুলিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি ও শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বছরের শুরুতে প্রশাসনের তরফে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় খাদ্য সুরক্ষা দফতর কড়া অভিযান চালাল। বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকার খাবারের দোকানগুলিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি ও শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বছরের শুরুতে প্রশাসনের তরফে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
2/6
এদিন বসিরহাট জেলা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের একটি দল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও স্বরূপনগর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মালঙ্গপাড়া, মাঝেরপাড়া ও হঠাৎগঞ্জ এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। প্রায় কুড়ি থেকে পঁচিশটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় উদ্ধার করা হয়।
এদিন বসিরহাট জেলা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের একটি দল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও স্বরূপনগর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মালঙ্গপাড়া, মাঝেরপাড়া ও হঠাৎগঞ্জ এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। প্রায় কুড়ি থেকে পঁচিশটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় উদ্ধার করা হয়।
advertisement
3/6
দোকানদারদের একাংশ দাবি করেন, তাঁরা বিষয়টি জানতেন না বা বিক্রির উদ্দেশে ওই পানীয়গুলি রাখেননি। তবে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা সেই যুক্তি মানতে নারাজ হন। ক্রেতাদের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া সমস্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় দোকানদারদের দিয়েই আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করানো হয়।
দোকানদারদের একাংশ দাবি করেন, তাঁরা বিষয়টি জানতেন না বা বিক্রির উদ্দেশে ওই পানীয়গুলি রাখেননি। তবে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা সেই যুক্তি মানতে নারাজ হন। ক্রেতাদের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া সমস্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ পানীয় দোকানদারদের দিয়েই আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করানো হয়।
advertisement
4/6
অভিযানের সময় স্কুল সংলগ্ন বেশ কয়েকটি দোকানে অতিরিক্ত রঙিন ও আকর্ষক জেলি জাতীয় খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায়। এই সব খাবারের গায়ে ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল না। শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে বিবেচিত এই সমস্ত খাবারও ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় স্কুল সংলগ্ন বেশ কয়েকটি দোকানে অতিরিক্ত রঙিন ও আকর্ষক জেলি জাতীয় খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায়। এই সব খাবারের গায়ে ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল না। শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে বিবেচিত এই সমস্ত খাবারও ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়।
advertisement
5/6
খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক ড. অপরাজিতা মজুমদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এদিন বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারায় একাধিক দোকানকে সরকারি নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক ড. অপরাজিতা মজুমদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এদিন বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারায় একাধিক দোকানকে সরকারি নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
advertisement
6/6
অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের মোবাইল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি এলাকায় আনা হয়। আধিকারিক সৌমেন ঘোষ ও খাদ্য পরীক্ষকদের উপস্থিতিতে সেখানেই প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, এই ধরনের নিয়মিত অভিযান হলে ভেজাল ও ক্ষতিকারক খাবার বিক্রির প্রবণতা কমবে এবং বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য আরও সুরক্ষিত থাকবে। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের মোবাইল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি এলাকায় আনা হয়। আধিকারিক সৌমেন ঘোষ ও খাদ্য পরীক্ষকদের উপস্থিতিতে সেখানেই প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, এই ধরনের নিয়মিত অভিযান হলে ভেজাল ও ক্ষতিকারক খাবার বিক্রির প্রবণতা কমবে এবং বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য আরও সুরক্ষিত থাকবে। (ছবি ও তথ্যঃ জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
advertisement
advertisement