East Bardhaman News: বিনা পারিশ্রমিকে রাস্তায় রাস্তায় ঝাঁট দিয়ে বেড়ান বর্ধমানের ব্যবসায়ী! উদ্দেশ্য দুই, কুর্নিশ জানাচ্ছেন বাসিন্দারা

Last Updated:
East Bardhaman News: পূর্ব বর্ধমান জেলার এক ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন সনৎ কুমার মণ্ডল, যাঁর অনন্য উদ্যোগ আজ বহু মানুষের অনুপ্রেরণা। গত ১০ বছর ধরে তিনি একাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছেন কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। সমাজের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা অর্থ কোনওটাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
1/5
পূর্ব বর্ধমান জেলার এক ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন সনৎ কুমার মণ্ডল, যাঁর অনন্য উদ্যোগ আজ বহু মানুষের অনুপ্রেরণা। গত ১০ বছর ধরে তিনি একাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছেন কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। সমাজের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা অর্থ কোনওটাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
পূর্ব বর্ধমান জেলার এক ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন সনৎ কুমার মণ্ডল, যাঁর অনন্য উদ্যোগ আজ বহু মানুষের অনুপ্রেরণা। গত ১০ বছর ধরে তিনি একাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছেন কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। সমাজের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা অর্থ কোনওটাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
ভোরের আলো ফোটার আগেই যখন সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই সনৎ বাবু হাতে ঝাঁটা ও পরিষ্কার-সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তাঁর দৈনিক কর্মযজ্ঞে। প্রতিদিন ঠিক ভোর ৩টে থেকে শুরু হয় তাঁর পরিষ্কার করার কাজ। চুপি পাখিরালয় থেকে পারুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ধাপে ধাপে পরিষ্কার করেন তিনি। মন্দির, মসজিদ থেকে পার্টি অফিস, এলাকার কোনও গুরুত্বপূর্ণ স্থানই তাঁর নজর এড়ায় না।
ভোরের আলো ফোটার আগেই যখন সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই সনৎ বাবু হাতে ঝাঁটা ও পরিষ্কার-সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তাঁর দৈনিক কর্মযজ্ঞে। প্রতিদিন ঠিক ভোর ৩টে থেকে শুরু হয় তাঁর পরিষ্কার করার কাজ। চুপি পাখিরালয় থেকে পারুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ধাপে ধাপে পরিষ্কার করেন তিনি। মন্দির, মসজিদ থেকে পার্টি অফিস, এলাকার কোনও গুরুত্বপূর্ণ স্থানই তাঁর নজর এড়ায় না।
advertisement
3/5
কেন এই বিশাল দায়িত্ব একাই নিজের কাঁধে নিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে সনৎ কুমার মণ্ডল জানান, তিনি ব্যবসা করেন আর সেই কারণে দিনভর বসে থাকতে হয়। বসে থাকলে শরীর খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এমন কোনও কাজ করতে চেয়েছিলেন যা শরীরচর্চার পাশাপাশি সমাজেরও উপকার করবে। পরিবেশকে পরিষ্কার রেখে মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য।
কেন এই বিশাল দায়িত্ব একাই নিজের কাঁধে নিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে সনৎ কুমার মণ্ডল জানান, তিনি ব্যবসা করেন আর সেই কারণে দিনভর বসে থাকতে হয়। বসে থাকলে শরীর খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এমন কোনও কাজ করতে চেয়েছিলেন যা শরীরচর্চার পাশাপাশি সমাজেরও উপকার করবে। পরিবেশকে পরিষ্কার রেখে মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য।
advertisement
4/5
২০১৪ সাল থেকে এই কাজ শুরু করেন সনৎ বাবু। শুরুর দিকে পরিবারের আপত্তি, পাড়া-প্রতিবেশীর কটূক্তি, হাসাহাসি সবই সহ্য করতে হয়েছে তাঁকে। অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন, “ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে বেরিয়েছ!” কিন্তু এসব কথায় ভেঙে পড়েননি তিনি। নিজের লক্ষ্যেই অটল থেকেছেন।
২০১৪ সাল থেকে এই কাজ শুরু করেন সনৎ বাবু। শুরুর দিকে পরিবারের আপত্তি, পাড়া-প্রতিবেশীর কটূক্তি, হাসাহাসি সবই সহ্য করতে হয়েছে তাঁকে। অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন, “ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে বেরিয়েছ!” কিন্তু এসব কথায় ভেঙে পড়েননি তিনি। নিজের লক্ষ্যেই অটল থেকেছেন।
advertisement
5/5
আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে পরিবার একসময় বাধা দিত, তারা এখন গর্ব করেন সনৎকে নিয়ে। এলাকাবাসীর হাজারও মানুষ তাঁর এই নিঃস্বার্থ কাজের প্রশংসা করেন। সনৎ কুমার মণ্ডল শুধু রাস্তাই পরিষ্কার করেন না, বরং মানুষের মন থেকেও তুলে দেন উদাসীনতার আবর্জনা, উদ্দেশ্যহীনতার কালিমা। তাঁর উদ্যোগ আজ সমাজের সামনে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে পরিবার একসময় বাধা দিত, তারা এখন গর্ব করেন সনৎকে নিয়ে। এলাকাবাসীর হাজারও মানুষ তাঁর এই নিঃস্বার্থ কাজের প্রশংসা করেন। সনৎ কুমার মণ্ডল শুধু রাস্তাই পরিষ্কার করেন না, বরং মানুষের মন থেকেও তুলে দেন উদাসীনতার আবর্জনা, উদ্দেশ্যহীনতার কালিমা। তাঁর উদ্যোগ আজ সমাজের সামনে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement