Aman Cultivation: ভয়ানক শোষক পোকা শুষে নিচ্ছে ধান গাছের সব রস, কালনায় আমন চাষে চরম ক্ষতি, সরকারি সহায়তার আশায় কৃষকেরা
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
Aman Cultivation: পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা দু’নম্বর ব্লকের একাধিক এলাকায় ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে কৃষিক্ষেত্রে। আমন মৌসুমে ধান জমিতে বাদামি শোষক পোকার আক্রমণ। কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনও লাভ হচ্ছে না। যেন আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসছে শোষক।
পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা দু’নম্বর ব্লকের একাধিক এলাকায় ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে কৃষিক্ষেত্রে। বৈদ্যপুর, বড়ধামাস, অকালপৌষ, আনুখাল-সহ বহু গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাদামি শোষক পোকার আক্রমণে। ধানের শিষে দানা না হয়ে একেবারে শুকনো খড়ে পরিণত হচ্ছে ফসল। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ধান গাছের দানা স্পর্শ করলেই গুঁড়িয়ে ধুলো হয়ে যাচ্ছে। ফলে চাষিদের মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
ধানের এমন সর্বনাশ দেখে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রবল উদ্বেগ ও আতঙ্ক। অনেকেই বলছেন, এবার ধান ঘরে তুলতে পারবেন কি না, সেই আশঙ্কাই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমন মৌসুমের এই ফসলই সারা বছরের সংসার চালানোর মূল ভরসা। কিন্তু ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কীভাবে সংসার চলবে, তা ভেবে দিশেহারা চাষিরা। কেউ কেউ এমনও বলছেন, 'ধান না হলে সারা বছর সংসারই চালানো যাবে না, এখন চোখে ঘুম নেই'।
advertisement
চাষিরা অভিযোগ করছেন, একের পর এক কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনও লাভ হচ্ছে না। বাদামি শোষক পোকা যেন আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসছে। অনেকেই বলছেন, এই পোকা ধানের গাছের রস শুষে নেয়, ফলে ধান শুকিয়ে খড়ে পরিণত হয়। মাঠে দাঁড়িয়েই ফসল শেষ হয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে। সব রকম চেষ্টাই করে ব্যর্থ কৃষকরা এখন সরকারি সহায়তার আশায় দিন গুনছেন।
advertisement
advertisement
স্থানীয় কৃষকদের দাবী জেলা প্রশাসন ও কৃষি দফতর দ্রুত তদন্তে নামুক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করুক। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাদামি শোষক পোকার আক্রমণ ঠেকাতে সময়মতো সঠিক ওষুধ প্রয়োগ এবং ধানক্ষেতে জলের স্তর নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তবে এখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। তাঁদের একটাই আশা সরকারি সাহায্য ও সঠিক পরামর্শ পেলে অন্তত পরের মরশুমে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হবে। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)






