advertisement

Success Story: অমিতাভের KBC-তে কোটি টাকা জিতে নেওয়া সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ দোর্দণ্ডপ্রতাপ IPS অফিসার, রবিমোহনের জীবনের গল্প চমকে দেয়

Last Updated:
কঠোর পরিশ্রম আর মনোবল থাকলে মানুষ সব প্রতিবন্ধকতা জয় করতে পারে! এর জ্বলন্ত উদাহরণ আইপিএস অফিসার রবিমোহন সাইনি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে কেবিসিতে জিতেছিলেন কোটি টাকা। সেই কিশোরই আজ সফল আইপিএস অফিসার
1/5
আইএএস, আইপিএস বা আইএফএস অফিসার হওয়ার প্রথম ধাপ ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসি পরিচালিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। বলা বাহুল্য, ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে গেলে অমানুষিক পরিশ্রম আর ধৈর্যের প্রয়োজন। দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া প্রতি বছর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। অনেকে সফল হন, অনেকে ব্যর্থ! যাঁরা সাফল্যের মুখ দেখেন, তাঁরা বাকিদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। তেমনই এক জন আইপিএস রবিমোহন সাইনি।
আইএএস, আইপিএস বা আইএফএস অফিসার হওয়ার প্রথম ধাপ ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসি পরিচালিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। বলা বাহুল্য, ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে গেলে অমানুষিক পরিশ্রম আর ধৈর্যের প্রয়োজন। দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া প্রতি বছর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। অনেকে সফল হন, অনেকে ব্যর্থ! যাঁরা সাফল্যের মুখ দেখেন, তাঁরা বাকিদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। তেমনই এক জন আইপিএস রবিমোহন সাইনি।
advertisement
2/5
তবে আইপিএস হওয়ার অনেক আগেই শিরোনামে জুঠে আসেন রবিমোহন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে অমিতাভ বচ্চন সঞ্চালিত কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি জুনিয়র’ (কেবিসি)-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। জিতে নিয়েছিলেন ১ কোটি টাকা। এর পর পেরিয়েছে অনেকগুলো বছর! বদলেছে অনেককিছুই! শুধু বদলায়নি রবিমোহনের একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম আর দৃঢ় সংকল্প, যা সম্বল করেই সেই ছোট্ট ছেলেটিই আজ আইপিএস অফিসার!
তবে আইপিএস হওয়ার অনেক আগেই শিরোনামে জুঠে আসেন রবিমোহন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে অমিতাভ বচ্চন সঞ্চালিত কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি জুনিয়র’ (কেবিসি)-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। জিতে নিয়েছিলেন ১ কোটি টাকা। এর পর পেরিয়েছে অনেকগুলো বছর! বদলেছে অনেককিছুই! শুধু বদলায়নি রবিমোহনের একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম আর দৃঢ় সংকল্প, যা সম্বল করেই সেই ছোট্ট ছেলেটিই আজ আইপিএস অফিসার!
advertisement
3/5
রাজস্থানের আলওয়ারের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসিন্দা রবিমোহন। বাবা নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। রবির পড়াশোনা নেভাল পাবলিক স্কুলে। রবির ইচ্ছে ছিল চিকিৎসক হবেন। সেই মতো স্কুলের গণ্ডি পেরনোর পর ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। মহাত্মা গান্ধী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন।
রাজস্থানের আলওয়ারের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসিন্দা রবিমোহন। বাবা নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। রবির পড়াশোনা নেভাল পাবলিক স্কুলে। রবির ইচ্ছে ছিল চিকিৎসক হবেন। সেই মতো স্কুলের গণ্ডি পেরনোর পর ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। মহাত্মা গান্ধী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন।
advertisement
4/5
ডাক্তারি ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষানবিশ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করেন রবিমোহন। ওই সময়েই তাঁর মনে হয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসবেন। সেইমতো শুরু হয় প্রস্তুতি। ২০১২ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসেন তিনি। প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সে বছর মেইনস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি রবিমোহন।
ডাক্তারি ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষানবিশ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করেন রবিমোহন। ওই সময়েই তাঁর মনে হয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসবেন। সেইমতো শুরু হয় প্রস্তুতি। ২০১২ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসেন তিনি। প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সে বছর মেইনস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি রবিমোহন।
advertisement
5/5
তবে হাল ছাড়েননি রবিমোহন। ২০১৩ সালে আবার পরীক্ষায় বসেন এবং সফল হন।‘ইন্ডিয়ান পোস্ট অ্যান্ড টেলিকম’-এর অ্যাকাউন্টস এবং ফিনান্স সার্ভিসে যোগ দেন তিনি। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল আইপিএস হওয়া। ২০১৪ সালে তিনি আবার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেন। সর্বভারতীয় স্তরে ৪৬১ র‌্যাঙ্ক করেন। শেষমেশ আইপিএস হন রবিমোহন। ২০২১ সালে গুজরাতের পোরবন্দরে পুলিশ সুপার হিসাবে নিযুক্ত হন।
তবে হাল ছাড়েননি রবিমোহন। ২০১৩ সালে আবার পরীক্ষায় বসেন এবং সফল হন।‘ইন্ডিয়ান পোস্ট অ্যান্ড টেলিকম’-এর অ্যাকাউন্টস এবং ফিনান্স সার্ভিসে যোগ দেন তিনি। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল আইপিএস হওয়া। ২০১৪ সালে তিনি আবার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেন। সর্বভারতীয় স্তরে ৪৬১ র‌্যাঙ্ক করেন। শেষমেশ আইপিএস হন রবিমোহন। ২০২১ সালে গুজরাতের পোরবন্দরে পুলিশ সুপার হিসাবে নিযুক্ত হন।
advertisement
advertisement
advertisement