advertisement

Snake: সাপের উপদ্রব বেড়েছে চলতি শ্রাবণে? রাতে ঘুমানোর আগে মেনে চলুন এই ৫ টিপস, সাপ থাকবে বহু দূরে

Last Updated:
Snake: শ্রাবণ মাসে সাপের উপদ্রব ভয়াবহ হতে পারে। বিশেষ করে রাতে ঘুমের সময় চারপাশের অন্ধকার ও ফাঁকা জায়গায় সাপ লুকাতে পারে। তাই সাপের ভয় থেকে বাঁচতে জেনে নিন ৫টি কার্যকর ঘরোয়া সতর্কতা...
1/9
শ্রাবণ মাস একদিকে যেমন সবুজে ভরে ওঠে এবং ভক্তিময় আবহ তৈরি করে, অন্যদিকে এই মৌসুমে বিষাক্ত প্রাণীদের, বিশেষ করে সাপের উপদ্রব অনেক বেড়ে যায়। বর্ষাকালে সাপরা শুকনো ও উষ্ণ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ির দিকে চলে আসে এবং অনেক সময় আমরা বুঝতেও পারি না। বিশেষ করে রাতে খাটে ঘুমন্ত ব্যক্তিদের সাপে কাটার ঘটনা খুব সাধারণ হয়ে উঠেছে।
শ্রাবণ মাস একদিকে যেমন সবুজে ভরে ওঠে এবং ভক্তিময় আবহ তৈরি করে, অন্যদিকে এই মৌসুমে বিষাক্ত প্রাণীদের, বিশেষ করে সাপের উপদ্রব অনেক বেড়ে যায়। বর্ষাকালে সাপরা শুকনো ও উষ্ণ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ির দিকে চলে আসে এবং অনেক সময় আমরা বুঝতেও পারি না। বিশেষ করে রাতে খাটে ঘুমন্ত ব্যক্তিদের সাপে কাটার ঘটনা খুব সাধারণ হয়ে উঠেছে।
advertisement
2/9
বর্ষার মরশুমে বাড়িতে সাপ ঢোকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কিছু সাপ আছে যারা রাতের অন্ধকারে শিকার করতে ভালোবাসে এবং ইঁদুরের সন্ধানে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে।
বর্ষার মরশুমে বাড়িতে সাপ ঢোকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কিছু সাপ আছে যারা রাতের অন্ধকারে শিকার করতে ভালোবাসে এবং ইঁদুরের সন্ধানে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে।
advertisement
3/9
এই সাপরা সাধারণত ঘরের কোণে, দরজার পেছনে, খাটের নিচে বা কোনো গর্তে লুকিয়ে থাকে এবং রাতের শান্ত পরিবেশে ঘুরে বেড়ায়। যদি কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে এবং বিপদের আশঙ্কা করে, তবে আক্রমণ করতেও দ্বিধা করে না।
এই সাপরা সাধারণত ঘরের কোণে, দরজার পেছনে, খাটের নিচে বা কোনো গর্তে লুকিয়ে থাকে এবং রাতের শান্ত পরিবেশে ঘুরে বেড়ায়। যদি কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে এবং বিপদের আশঙ্কা করে, তবে আক্রমণ করতেও দ্বিধা করে না।
advertisement
4/9
বর্ষাকালে বিশেষত রাতের বেলায় খাটে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের সাপে কাটার খবর প্রায়ই সামনে আসে। তাই বৃষ্টির দিনে সাপের হাত থেকে বাঁচতে কিছু বিশেষ সতর্কতা ও ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত জরুরি।
বর্ষাকালে বিশেষত রাতের বেলায় খাটে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের সাপে কাটার খবর প্রায়ই সামনে আসে। তাই বৃষ্টির দিনে সাপের হাত থেকে বাঁচতে কিছু বিশেষ সতর্কতা ও ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত জরুরি।
advertisement
5/9
বৃষ্টির দিনে ঘরে সাপ ঢোকা আটকাতে ফিনাইল ব্যবহার একটি সহজ ও কার্যকর উপায় হতে পারে। রাতে ঘরের কোণ, দরজার চারপাশ এবং খাটের নিচে ফিনাইল ছিটিয়ে দিলে তার তীব্র গন্ধ সাপদের দূরে রাখতে সাহায্য করে।
বৃষ্টির দিনে ঘরে সাপ ঢোকা আটকাতে ফিনাইল ব্যবহার একটি সহজ ও কার্যকর উপায় হতে পারে। রাতে ঘরের কোণ, দরজার চারপাশ এবং খাটের নিচে ফিনাইল ছিটিয়ে দিলে তার তীব্র গন্ধ সাপদের দূরে রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
6/9
এছাড়াও, রাতে ঘুমানোর সময় অন্ধকার কোণ, কাঠের স্তূপ বা সেই জায়গাগুলো থেকে দূরে থাকুন যেখানে অনেক দিন ধরে জিনিসপত্র জমা আছে। এসব জায়গা সাপের লুকানোর আদর্শ জায়গা, তাই সেখানে বিপদের আশঙ্কা বেশি।
এছাড়াও, রাতে ঘুমানোর সময় অন্ধকার কোণ, কাঠের স্তূপ বা সেই জায়গাগুলো থেকে দূরে থাকুন যেখানে অনেক দিন ধরে জিনিসপত্র জমা আছে। এসব জায়গা সাপের লুকানোর আদর্শ জায়গা, তাই সেখানে বিপদের আশঙ্কা বেশি।
advertisement
7/9
রাতে ঘুমানোর আগে দরজা-জানালা ভালো করে বন্ধ করে দিন এবং যতটা সম্ভব মেঝেতে না ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে সাপের প্রবেশ আটকানো ও কামড়ানোর সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
রাতে ঘুমানোর আগে দরজা-জানালা ভালো করে বন্ধ করে দিন এবং যতটা সম্ভব মেঝেতে না ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে সাপের প্রবেশ আটকানো ও কামড়ানোর সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
advertisement
8/9
সাপে কাটার আশঙ্কা কমাতে মশারি অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। মশারি থাকলে বাইরের কোনো প্রাণী বিছানায় উঠতে পারে না। পাশাপাশি, ঘুমানোর আগে বিছানার চাদর, বালিশ ও মশারি ভালোভাবে ঝেড়ে দেখে নিন যাতে কোনো লুকানো পোকা বা সাপ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
সাপে কাটার আশঙ্কা কমাতে মশারি অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। মশারি থাকলে বাইরের কোনো প্রাণী বিছানায় উঠতে পারে না। পাশাপাশি, ঘুমানোর আগে বিছানার চাদর, বালিশ ও মশারি ভালোভাবে ঝেড়ে দেখে নিন যাতে কোনো লুকানো পোকা বা সাপ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
advertisement
9/9
সাপ কাটলে, প্রথমে ভয় না পেয়ে, কামড়ের জায়গার একটু ওপরের অংশ হালকা করে বেঁধে দিন, যাতে বিষ ছড়াতে না পারে। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে যান, ঘরোয়া চিকিৎসার চেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শই সবচেয়ে নিরাপদ।
সাপ কাটলে, প্রথমে ভয় না পেয়ে, কামড়ের জায়গার একটু ওপরের অংশ হালকা করে বেঁধে দিন, যাতে বিষ ছড়াতে না পারে। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে যান, ঘরোয়া চিকিৎসার চেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শই সবচেয়ে নিরাপদ।
advertisement
advertisement
advertisement