GK: আজ ভূত চতুর্দশী, কলকাতার সবচেয়ে ভূতুড়ে জায়গা কোনটি জানেন? একবার গেলে সারা জীবন ভয় পাবেন
- Published by:Suman Biswas
- news18 bangla
Last Updated:
GK: এত পুরেনো শহরের পরতে পরতে যে রহস্য লুকিয়ে থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। আর রহস্যভেদ করতে না পারলেই তা থেকে তৈরি হয় ভয়।
নামে সিটি অফ জয় হলে কী হবে, আমাদের প্রিয় শহর কলকাতার আনাচ কানাচে শুধু যে আনন্দই লুকিয়ে রয়েছে তা নয়, লুকিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য, অনেক ভয়। তা ভয়, রহস্য থাকবে না? নেই নেই করে শহরের বয়স তিনশো পেরিয়ে গেছে অনেক দিন হল। তা এত পুরেনো শহরের পরতে পরতে যে রহস্য লুকিয়ে থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। আর রহস্যভেদ করতে না পারলেই তা থেকে তৈরি হয় ভয়।
advertisement
লোকে বলে, এই সব ভয় নাকি সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই আমাদের শহরে জাঁকিয়ে বসেছিল। এখনও সেই সব ভুতুড়ে জায়গাগুলি নিয়ে কান ফিসফিসানি কম হয় না। আজও সেসব স্থানে গেলে গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে অতি বড় সাহসীরও। কেউ কেউ এসব গুজব বলে উড়িয়ে দিতে চান। কিন্তু হ্যালুইনের গা ছমছমে আবহাওয়ায় শহর কলকাতার এই ভূতুড়ে জায়গাগুলি থেকে একবার ঘুরে আসবেন নাকি?
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
এরপর প্রায় ৭০ বছর ধরে গুদাম হিসাবে ব্যবহৃত হত। এরপর ১৮৬৯ সালে বৈকুণ্ঠ নট্ট এটি ভাড়া নিয়ে শুরু করেন বিনোদনের জন্য। বয়সের ভারে জীর্ণ এই বাড়ির দোতলা ও ছাদজুড়ে রয়েছে বিচিত্র সব পুতুলের মূর্তি। আধখানা মাথা, হাত-কান ভাঙা মূর্তিগুলির অধিকাংশের অবস্থাই অত্যন্ত শোচনীয়। আগাছায় ঢাকা জরাজীর্ণ বাড়ি, সঙ্গে গল্প-সিনেমায় ভূত আর পুতুলের যোগ দেখা জনতা খুব সহজে সবকিছু দুইয়ে দুইয়ে চার করে ফেলে।
advertisement
advertisement
২০১৩ সালে কলকাতায় ভূতুড়ে বাড়ির লিস্টে পুতুল বাড়ির নাম উল্লেখ করা হয়। বাড়িটি ইতিমধ্যে হেরিটেজ বিল্ডিংস এর তকমা পেয়ে গেছে। যে কোনও সময়। ভূত নয়, মানুষের উৎপাত আটকাতে তাই বাড়ির গেটের পাশে লাগানো হয়েছে ফ্লেক্স। তাতে লেখা, ‘কঠোরভাবে প্রবেশ নিষেধ। ভূত সংক্রান্ত তথ্যগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যে।’ তাতেও প্রভাব পড়েনি।
