Jalpaiguri News: পৌষ সংক্রান্তিতে আকাশ ছোঁয়ার লড়াই, মাত্র ৫ টাকায় হবে বাজিমাত! দোকানে দোকানে লম্বা লাইন

Last Updated:
Jalpaiguri News: এবছর চাহিদা বেশ ভাল। ঘুড়ির দাম ৫ থেকে ১৫ টাকা, সুতোর রিল ১০০ টাকা আর লাটাই বিকোচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।
1/5
ভোকাট্টা! এই শব্দটা এখন খুও একটা শোনা যায় না। আজ এই প্রতিবেদনে রইল পৌষ সংক্রান্তির আকাশে ঘুড়ির গল্প! জলপাইগুড়িতে টিকে থাকা এ এক লোকসংস্কৃতি! বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে ঘুড়ি ওড়ানোর রীতি বাংলার নানা প্রান্তে থাকলেও, জলপাইগুড়িতে পৌষ সংক্রান্তি মানেই ঘুড়ির উৎসব। সংক্রান্তি এখন দোরগোড়ায়। আর সেই উৎসবকে ঘিরে শহরের দিনবাজার সহ বিভিন্ন বাজার ও দশকর্মা ভাণ্ডার সাজছে রঙিন পেটকাটি, ক্যালকাট্টাইয়া, তেরঙ্গা সহ নানান ধরনের ঘুড়িতে। (ছবি ও তথ্য - সুরজিৎ দে)
ভোকাট্টা! এই শব্দটা এখন খুও একটা শোনা যায় না। আজ এই প্রতিবেদনে রইল পৌষ সংক্রান্তির আকাশে ঘুড়ির গল্প! জলপাইগুড়িতে টিকে থাকা এ এক লোকসংস্কৃতি! বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে ঘুড়ি ওড়ানোর রীতি বাংলার নানা প্রান্তে থাকলেও, জলপাইগুড়িতে পৌষ সংক্রান্তি মানেই ঘুড়ির উৎসব। সংক্রান্তি এখন দোরগোড়ায়। আর সেই উৎসবকে ঘিরে শহরের দিনবাজার সহ বিভিন্ন বাজার ও দশকর্মা ভাণ্ডার সাজছে রঙিন পেটকাটি, ক্যালকাট্টাইয়া, তেরঙ্গা সহ নানান ধরনের ঘুড়িতে। (ছবি ও তথ্য - সুরজিৎ দে)
advertisement
2/5
ব্যবসায়ীদের কথায়, এবছর চাহিদা বেশ ভাল। ঘুড়ির দাম ৫ থেকে ১৫ টাকা, মাঞ্জা দেওয়া সুতোর রিল ১০০ টাকা আর লাটাই বিকোচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। বিক্রেতা পবন কুমার আগরওয়াল জানালেন, সাধারণ সুতোর তুলনায় মাঞ্জা দেওয়া সুতোর বিক্রি বেশি। পাশাপাশি মজবুতি ও উড়ানের জন্য ক্যালকাট্টাইয়া ঘুড়ির চাহিদাও চোখে পড়ার মতো।
ব্যবসায়ীদের কথায়, এবছর চাহিদা বেশ ভাল। ঘুড়ির দাম ৫ থেকে ১৫ টাকা, সুতোর রিল ১০০ টাকা আর লাটাই বিকোচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। বিক্রেতা পবন কুমার আগরওয়াল জানালেন, সাধারণ সুতোর তুলনায় মাঞ্জা দেওয়া সুতোর বিক্রি বেশি। পাশাপাশি মজবুতি ও উড়ানের জন্য ক্যালকাট্টাইয়া ঘুড়ির চাহিদাও চোখে পড়ার মতো।
advertisement
3/5
পৌষ সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানোর পেছনে রয়েছে লোকবিশ্বাস। এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হয়। ঘুড়িকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে সূর্যদেবতার কাছে কৃষিকাজে সমৃদ্ধি ও শীতের কষ্ট থেকে মুক্তির প্রার্থনা জানানো হত। সময়ের সঙ্গে সেই প্রার্থনাই পরিণত হয় উৎসবে।একসময় সংক্রান্তির বহু আগে থেকেই প্রস্তুতি চলত।
পৌষ সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানোর পেছনে রয়েছে লোকবিশ্বাস। এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হয়। ঘুড়িকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে সূর্যদেবতার কাছে কৃষিকাজে সমৃদ্ধি ও শীতের কষ্ট থেকে মুক্তির প্রার্থনা জানানো হত। সময়ের সঙ্গে সেই প্রার্থনাই পরিণত হয় উৎসবে।একসময় সংক্রান্তির বহু আগে থেকেই প্রস্তুতি চলত।
advertisement
4/5
টিউবলাইট বা বাল্ব গুঁড়ো করে আঠার সঙ্গে মিশিয়ে মাঞ্জা বানানো, তারপর ভোকাট্টার লড়াই - সবই ছিল আলাদা আনন্দ। আজ সেই ছবিটা অনেকটাই ফিকে। তবু নতুন প্রজন্মের উৎসাহ এখনও আছে।
টিউবলাইট বা বাল্ব গুঁড়ো করে আঠার সঙ্গে মিশিয়ে মাঞ্জা বানানো, তারপর ভোকাট্টার লড়াই - সবই ছিল আলাদা আনন্দ। আজ সেই ছবিটা অনেকটাই ফিকে। তবু নতুন প্রজন্মের উৎসাহ এখনও আছে।
advertisement
5/5
দুই স্কুল পড়ুয়া জানালো, সংক্রান্তির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুড়ি কম্পিটিশন করবে তারা। কে জিতবে, তা ঠিক হবে সেদিনই। বয়স্কদের আক্ষেপ—আগের মতো আকাশভরা ঘুড়ি, ঘুড়ি মেলা আর ভোকাট্টার শব্দ নেই। যদি আবার ফিরে আসে সেই রঙিন আকাশ, তবে হয়তো শৈশবও কিছুটা ফিরে পাওয়া যাবে।
দুই স্কুল পড়ুয়া জানিয়েছে, সংক্রান্তির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুড়ি কম্পিটিশন করবে তারা। কে জিতবে, তা ঠিক হবে সেদিনই। বয়স্কদের আক্ষেপ, আগের মতো আকাশভরা ঘুড়ি, ঘুড়ি মেলা আর ভোকাট্টার শব্দ নেই। যদি আবার ফিরে আসে সেই রঙিন আকাশ, তবে হয়তো শৈশবও কিছুটা ফিরে পাওয়া যাবে। (ছবি ও তথ্য - সুরজিৎ দে)
advertisement
advertisement
advertisement