RSS 100 Years: মুম্বইতে পালিত হল RSS-এর শতবর্ষ অনুষ্ঠান! সলমন খান থেকে হেমা মালিনী, আর কোন কোন তারকা ছিলেন?
- Published by:Ankita Tripathi
- news18 bangla
Last Updated:
RSS 100 Years: শনিবার মুম্বইতে অনুষ্ঠিত হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস)-এর শতবর্ষ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান, ‘সংঘ যাত্রাকে ১০০বর্ষ—নিউ হরাইজনস (সংঘ যাত্রার ১০০ বছর-নতুন দিগন্ত)৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড তারকা সলমন খান, হেমা মালিনী প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
শনিবার মুম্বইতে অনুষ্ঠিত হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস)-এর শতবর্ষ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান, ‘সংঘ যাত্রাকে ১০০বর্ষ—নিউ হরাইজনস (সংঘ যাত্রার ১০০ বছর-নতুন দিগন্ত)৷ এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত। দেশ-বিদেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে বলিউডের সলমন খান, হেমা মালিনীর মতো তারকারাও যোগ দেন আরএসএস-এর শতবর্ষ অনুষ্ঠানে৷
advertisement
advertisement
advertisement
পাশাপাশি মোহন ভাগবত জানান, ‘‘সংঘকে কাছ থেকে দেখার পর বিদেশ থেকে আসা বহু মানুষ নানা প্রশ্ন করেন। শেষ পর্যন্ত সবার প্রশ্ন একটাই—আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য—যেখান থেকেই হোন না কেন, তাঁরা জানতে চান, তাঁদের দেশের যুবসমাজও যদি এ ধরনের কাজ করতে চায়, তবে এই পদ্ধতি কি শেখানো যাবে? তাঁর মতে, এর অর্থ একটাই—সংঘ যে পথে কাজ করছে, তার বিকল্প কোনও পদ্ধতি নেই। এই পথটাই সঠিক।’’
advertisement
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেতা সলমন খান৷ তিনি বলেন, ‘‘সাধারণত কোনও বিষয় বুঝতে মানুষ তুলনা করে। কিন্তু সংঘের ক্ষেত্রে তুলনার মতো আর কোনও সংগঠন নেই। যেমন আকাশকে দেখে বলা হয় আকাশের মতোই আকাশ, সাগরকে দেখে বলা হয় সাগরের মতোই সাগর—ঠিক তেমনই সংঘের মতো আর কোনও সংগঠন নেই। তাই অন্য সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তুলনা করলে ভুল বোঝাবুঝি হয়।’’
advertisement
advertisement
মোহন ভাগবত স্পষ্ট করেন, সংঘ কোনও প্যারামিলিটারি সংগঠন নয়, কোনও রাজনৈতিক দল নয়, কোনও আখড়া বা সঙ্গীত বিদ্যালয়ও নয়। বাইরে থেকে দেখলে ভুল ধারণা তৈরি হয়। সংঘ কারও বিরোধিতার জন্য বা ক্ষমতার জন্য কাজ করে না। ‘সর্বেষাম অবিরোধেন’—কারও বিরোধিতা না করে সমাজের কল্যাণে কাজ করাই সংঘের লক্ষ্য। সংঘ জনপ্রিয়তা বা ক্ষমতা চায় না; দেশের সব ভাল কাজ যাতে সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, সেটাই তাদের উদ্দেশ্য।
advertisement
তিনি বলেন, ১৮৫৭-র স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের রাজা ছিল, সেনা ছিল, বীরত্ব ছিল—তবু আমরা পরাজিত হয়েছিলাম। এই পরাজয়ের কারণ খুঁজতে গিয়েই নানা চিন্তাধারার জন্ম হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই ড. হেডগেওয়ারের আবির্ভাব। ভাগবত জানান, ড. হেডগেওয়ার ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেমিক ছিলেন। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের শতবর্ষে স্কুলে মিষ্টি বিতরণ হলে তিনি তা ডাস্টবিনে ফেলে দেন এবং বলেন—যারা আমাদের দাস বানিয়েছে, তাদের উৎসব আমাদের কাছে শোকের দিন।
advertisement








