Harish Rana Death: ১১ মার্চ সুপ্রিম রায়, ২৪-এ থামল প্রাণের স্পন্দন, পরিবারকে ছেড়ে কীভাবে ‘মহানির্বানের’ পথে হরিশ রানা
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Harish Rana Death: প্রথমে খুলে দেওয়া হয় রাইস টিউব, তুলে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্ট, মায়ের নিরন্তর হনুমান চালিশা পাঠ, শেষ হল হরিশ রানার প্রাণের স্পন্দন
কলকাতা: মার্চ ১১তে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ১৩ বছরের জীবন্মৃত থাকার লড়াই ছেড়ে মা-বাবার আবেদন করা স্বেচ্ছামৃত্যু পথে যান হরিশ রানা৷ তারপরেই চিকিৎসকদের হাত ধরে AIIMS-এ ভর্তি হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যু দেওয়ার পদ্ধতি শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ আর ২৪ মার্চ থামল প্রাণের স্পন্দন৷ ১৩ বছরের জীবন্মৃত অবস্থা থেকে ১৪ তম দিন অর্থাৎ ২৪ মার্চ থেমে গেল প্রাণের স্পন্দন৷
advertisement
চিকিৎসকদের নজরদারিতে ইউথেনিশিয়ার পদ্ধতি শুরু হয়ে৷ এই ঘটনা শুধু একজন রোগীর নয়, বরং সেই কঠিন প্রশ্নেরও, যখন জীবন শুধুই যন্ত্রণা হয়ে যায়, তখন কি সেটাকে এভাবেই চালিয়ে যাওয়া উচিত, নাকি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার অধিকার পাওয়া উচিত? AIIMS-এ হরিশ রানার এই কয়েকদিনের চিকিৎসার চেয়ে বেশি অপেক্ষা আর মানসিক লড়াইয়ের ছিল।
advertisement
সুপ্রিম কোর্ট থেকে অনুমতি পাওয়ার পর হরিশকে AIIMS-এ আনা হয়, যেখানে এখন ডাক্তারদের টিম নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরিশকে পুষ্টি দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তার ভাইটাল প্যারামিটার নিয়মিত পরীক্ষা করা হচ্ছে না, যা সাধারণত হাসপাতালের প্রোটোকলের অংশ। রক্তের নমুনাও নেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ যার থেকে শরীরের ভিতরের অবস্থা বোঝা যায়।
advertisement
advertisement
হরিশ রানা গত ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী। চণ্ডীগড়ে পড়াশোনার সময় পিজির চতুর্থ তলা থেকে পড়ে যাওয়ার পর তার গুরুতর দুর্ঘটনা হয়। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তার জীবন পুরোপুরি বদলে যায়। পরিবার তাঁকে সুস্থ করার জন্য সবরকম চেষ্টা করেছে, বিভিন্ন হাসপাতাল, চিকিৎসা, ডাক্তার, কিন্তু অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
১২ নম্বর বিছানায় শুয়ে ৩২ বছর বয়সী হরিশ রানা এখন তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন লড়াই লড়ছেন। এই গল্পটি শুধু একজন রোগীকে নিয়ে নয়, বরং বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, একটি পরিবারের অসহায়ত্ব এবং মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকা আশাকে নিয়ে। এদিকে, দিল্লির এইমসের ডাক্তাররা হরিশ রানাকে নিয়ে ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। এখন তাঁর চারপাশে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।
advertisement








