Harish Rana Case: ছেলের 'মৃত্যুভিক্ষা' চেয়ে আদালতে লড়াই, অবশেষে 'জয়' পেলেন হরিশের বাবা-মা, কিন্তু এই জেতা কষ্টের...এক নজরে হরিশ রানা মামলা
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন হরিশ রানা। ২০১৩ সালের ২০ অগস্ট, রাখিবন্ধনের দিন। যে বাড়িতে থাকতেন তিনি, তার পাঁচতলা থেকে পড়ে যান নীচে। সেই থেকে ১৩ বছর শয্যাশায়ী ছিলেন হরিশ
advertisement
২০১৩ সালে হস্টেলের পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে চোট পান। সেই থেকে সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী হরিশ রানা। কোয়াড্রিপ্লেজিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী। শরীরের কোথাও কোনও সার নেই! শুধু প্রাণটুকু আছে! চোখের সামনে ছেলের যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছিলেন না অসহায় বাবা-মা। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে করতে নিঃস্ব হয়ে পড়ছিলেন
advertisement
advertisement
advertisement
জুলাই ২০২৪: প্রায় এক দশক বাড়িতে ছেলের চিকিৎসা-সেবা শুশ্রূষার পর হরিশের বাবা-মা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্যাসিভ ইউথানেসিয়ার অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, হরীশকে যান্ত্রিকভাবে জীবিত রাখা হয়নি (তিনি ভেন্টিলেটরে ছিলেন না) এবং অতিরিক্ত বাহ্যিক সহায়তা ছাড়াই তিনি নিজে থেকে বেঁচে থাকতে সক্ষম।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement









