advertisement

Fast Food: সিঙাড়া খাওয়ার জন্য দিতে হয় লম্বা লাইন? কারণ জানলে হাসি থামবেনা! 

Last Updated:
বর্ধমানে আছে এমনই এক জনপ্রিয় সিঙ্গাড়ার দোকান। এখানে বিকেল হলেই রীতিমতো লাইন পড়ে যায় ক্রেতাদের।
1/5
দিন পাল্টাচ্ছে। বাঙালিও এখন পিজ্জা, বার্গারে মজেছে। তবে বিকেল হলেই শিঙাড়া খাওয়ার অভ্যাসটা এখনও তার যায়নি। বর্ধমানে আছে এমনই এক জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকান। এখানে বিকেল হলেই রীতিমত লাইন পড়ে যায় ক্রেতাদের।
দিন পাল্টাচ্ছে। বাঙালিও এখন পিজ্জা, বার্গারে মজেছে। তবে বিকেল হলেই শিঙাড়া খাওয়ার অভ্যাসটা এখনও তার যায়নি। বর্ধমানে আছে এমনই এক জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকান। এখানে বিকেল হলেই রীতিমত লাইন পড়ে যায় ক্রেতাদের।
advertisement
2/5
পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-১ ব্লকের রায়না শ্যামসুন্দর রোডে, শ্যামসুন্দর গ্রামের কাছেই অবস্থিত এই জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকানটি। প্রতিদিন বিকেল ৪ টেতে খোলা হয় এই দোকান।
পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-১ ব্লকের রায়না শ্যামসুন্দর রোডে, শ্যামসুন্দর গ্রামের কাছেই অবস্থিত এই জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকানটি। প্রতিদিন বিকেল ৪ টেতে খোলা হয় এই দোকান।
advertisement
3/5
এখানে এক পিস শিঙাড়ার দাম ৭ টাকা। তবে দাম যেমন ৭ টাকা তেমনই আকার ও স্বাদেও কিন্তু অতুলনীয় এই শিঙাড়া। শুধুমাত্র এই শিঙাড়া খাওয়ার জন্য দূর দূরান্ত ছুটে আসে মানুষ।
এখানে এক পিস শিঙাড়ার দাম ৭ টাকা। তবে দাম যেমন ৭ টাকা তেমনই আকার ও স্বাদেও কিন্তু অতুলনীয় এই শিঙাড়া। শুধুমাত্র এই শিঙাড়া খাওয়ার জন্য দূর দূরান্ত ছুটে আসে মানুষ।
advertisement
4/5
এই বিখ্যাত দোকানটি চাতরের শিঙাড়া নামে পরিচিত। এখানে দৈনিক প্রায় ১২০০-এর বেশি শিঙাড়া বিক্রি হয় বলে জানান দোকানের মালকিন আঙুরবালা হাটি। তিনি বলেন, আগে ৪০/৫০ পিস বিক্রি হত। তবে এখন দৈনিক প্রায় ১২০০ পিসের বেশি বিক্রি হয়।
এই বিখ্যাত দোকানটি চাতরের শিঙাড়া নামে পরিচিত। এখানে দৈনিক প্রায় ১২০০-এর বেশি শিঙাড়া বিক্রি হয় বলে জানান দোকানের মালকিন আঙুরবালা হাটি। তিনি বলেন, আগে ৪০/৫০ পিস বিক্রি হত। তবে এখন দৈনিক প্রায় ১২০০ পিসের বেশি বিক্রি হয়।
advertisement
5/5
আগে খড়ের চালের বাড়ি ছিল। এই ব্যবসার হাত ধরেই তৈরি হয়েছে পাকা বাড়ি, দিয়েছেন তিন মেয়ের বিয়ে। ৩৩ বছর ধরে এখনও এই জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকানটি চলছে।
আগে খড়ের চালের বাড়ি ছিল। এই ব্যবসার হাত ধরেই তৈরি হয়েছে পাকা বাড়ি, দিয়েছেন তিন মেয়ের বিয়ে। ৩৩ বছর ধরে এখনও এই জনপ্রিয় শিঙাড়ার দোকানটি চলছে।
advertisement
advertisement
advertisement