advertisement

Wildlife Protection Act: বন্যপ্রাণ বাঁচাতে কঠোর আইন, আপনি অজান্তেই কোনও অপরাধ করছেন না তো? জেনে নিন কী বলছে ১৯৭২-এর Wildlife Protection Act

Last Updated:
ভারতে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য রয়েছে Wildlife Protection Act, 1972। কার্শিয়াং ফরেস্ট ডিভিশনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে এই আইন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে! জেনে নিন কী বলছে আইনের বিভিন্ন ধারা
1/5
শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য : ভারতে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য কার্যকর রয়েছে Wildlife Protection Act, 1972। এই আইনের বিভিন্ন ধারায় বন্যপ্রাণী শিকার, অবৈধ ব্যবসা, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে নিয়ম ভাঙা-সহ একাধিক কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কার্শিয়াং ফরেস্ট ডিভিশনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে এই আইন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে অজান্তে কেউ আইনের লঙ্ঘন না করেন।
শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য : ভারতে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য কার্যকর রয়েছে Wildlife Protection Act, 1972। এই আইনের বিভিন্ন ধারায় বন্যপ্রাণী শিকার, অবৈধ ব্যবসা, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে নিয়ম ভাঙা-সহ একাধিক কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কার্শিয়াং ফরেস্ট ডিভিশনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে এই আইন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে অজান্তে কেউ আইনের লঙ্ঘন না করেন।
advertisement
2/5
আইনের ধারা ৯ (Section 9) অনুযায়ী কোনও বন্যপ্রাণী শিকার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এখানে শিকার বলতে শুধু হত্যা নয়, ধরা, আঘাত করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে বিরক্ত করাকেও বোঝানো হয়েছে। এছাড়াও ধারা ২(১৬)-এ শিকারের সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে উল্লেখিত রয়েছে। এই ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি হবে।
আইনের ধারা ৯ (Section 9) অনুযায়ী কোনও বন্যপ্রাণী শিকার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এখানে শিকার বলতে শুধু হত্যা নয়, ধরা, আঘাত করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে বিরক্ত করাকেও বোঝানো হয়েছে। এছাড়াও ধারা ২(১৬)-এ শিকারের সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে উল্লেখিত রয়েছে। এই ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি হবে।
advertisement
3/5
বন্যপ্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, চামড়া, দাঁত বা ট্রফি নিয়ে অবৈধ ব্যবসা বা কেনাবেচা করাও দণ্ডনীয় অপরাধ। ধারা ৪৪ অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া বন্যপ্রাণ সম্পর্কিত সামগ্রী নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। একইসঙ্গে ধারা ৪৮ ও ৪৯-এ বলা হয়েছে, শুধুমাত্র অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকেই এ'সব জিনিস কেনা সম্ভব। ধারা ৪৯বি অনুযায়ী নির্ধারিত বন্যপ্রাণ থেকে তৈরি ট্রফি বা সামগ্রী নিয়ে কোনও ধরনের লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বন্যপ্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, চামড়া, দাঁত বা ট্রফি নিয়ে অবৈধ ব্যবসা বা কেনাবেচা করাও দণ্ডনীয় অপরাধ। ধারা ৪৪ অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া বন্যপ্রাণ সম্পর্কিত সামগ্রী নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। একইসঙ্গে ধারা ৪৮ ও ৪৯-এ বলা হয়েছে, শুধুমাত্র অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকেই এ'সব জিনিস কেনা সম্ভব। ধারা ৪৯বি অনুযায়ী নির্ধারিত বন্যপ্রাণ থেকে তৈরি ট্রফি বা সামগ্রী নিয়ে কোনও ধরনের লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
advertisement
4/5
 ধারা ৩৯(৩) ও ৫৭ অনুযায়ী বন্যপ্রাণ বা তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। পাশাপাশি ধারা ৪০, ৪২ ও ৪৮-এ এসব সামগ্রী সংরক্ষণ ও ঘোষণা করার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যানে প্রকৃতি ধ্বংস করা ধারা ২৯ ও ধারা ৩৫(৬) অনুযায়ী বেআইনি।
ধারা ৩৯(৩) ও ৫৭ অনুযায়ী বন্যপ্রাণ বা তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। পাশাপাশি ধারা ৪০, ৪২ ও ৪৮-এ এসব সামগ্রী সংরক্ষণ ও ঘোষণা করার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যানে প্রকৃতি ধ্বংস করা ধারা ২৯ ও ধারা ৩৫(৬) অনুযায়ী বেআইনি।
advertisement
5/5
সংরক্ষিত এলাকায় আগুন লাগানো (ধারা ৩০ ও ৩৫(৮)), অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা (ধারা ২৭), অস্ত্র নিয়ে ঢোকা (ধারা ৩১) কিংবা বন্যপ্রাণী অবৈধভাবে পরিবহণ করা (ধারা ৪৮এ)—এসব ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এছাড়া ধারা ৫২ অনুযায়ী অপরাধে সহায়তা করা বা চেষ্টা করাও দণ্ডনীয়। বন দফতরের পক্ষ থেকে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাই সক্রিয় ভূমিকা নেন।
সংরক্ষিত এলাকায় আগুন লাগানো (ধারা ৩০ ও ৩৫(৮)), অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা (ধারা ২৭), অস্ত্র নিয়ে ঢোকা (ধারা ৩১) কিংবা বন্যপ্রাণী অবৈধভাবে পরিবহণ করা (ধারা ৪৮এ)—এসব ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এছাড়া ধারা ৫২ অনুযায়ী অপরাধে সহায়তা করা বা চেষ্টা করাও দণ্ডনীয়। বন দফতরের পক্ষ থেকে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাই সক্রিয় ভূমিকা নেন।
advertisement
advertisement
advertisement