advertisement

Weekend Trip: দিঘা-মন্দারমণি ভুলে যান! সুন্দরবনের এই ‘ভার্জিন’ সৈকতের রূপ দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে, মিস করবেন না

Last Updated:
Weekend Trip: দোলে কোলাহল এড়িয়ে নির্জনে সময় কাটাতে চান? সুন্দরবনের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত গোবর্ধনপুর সমুদ্র সৈকত হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। ঝাউবন, বিশাল বেলাভূমি ও রোমাঞ্চকর জলপথ ভ্রমণ উপভোগ করুন
1/5
রঙের উৎসব হোলিতে ঘুরে আসুন ভার্জিন সমুদ্র সৈকত গোবর্ধনপুর থেকে। নির্জনতা পছন্দ করলে অথবা, একাকী সময় কাটাতে চাইলে এই সৈকতের জুরি মেলা ভার। তাহলে আপনি চলে আসুন গোবর্ধনপুর সমুদ্র সৈকতে। সুন্দরবনের অপরূপ শোভা থেকে শুরু করে সমুদ্র সৈকত সবই পাবেন এখানে। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
রঙের উৎসব হোলিতে ঘুরে আসুন ভার্জিন সমুদ্র সৈকত গোবর্ধনপুর থেকে। নির্জনতা পছন্দ করলে অথবা, একাকী সময় কাটাতে চাইলে এই সৈকতের জুরি মেলা ভার। তাহলে আপনি চলে আসুন গোবর্ধনপুর সমুদ্র সৈকতে। সুন্দরবনের অপরূপ শোভা থেকে শুরু করে সমুদ্র সৈকত সবই পাবেন এখানে। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
2/5
সুন্দরবনের ঠিক এন্ট্রি পয়েন্টে রয়েছে এই জি-প্লট। একদিকে সমুদ্র আরেকদিকে সুন্দর বন। অদ্ভুত এক সঙ্গমস্থলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই জি প্লট। পাথর প্রতিমা থেকে জিপ্লটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা বেশ রোমাঞ্চকর। এই পাথর প্রতিমা থেকে লঞ্চে যেতে পড়ে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের ঠিক এন্ট্রি পয়েন্টে রয়েছে এই জি-প্লট। একদিকে সমুদ্র আরেকদিকে সুন্দর বন। অদ্ভুত এক সঙ্গমস্থলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই জি প্লট। পাথর প্রতিমা থেকে জিপ্লটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা বেশ রোমাঞ্চকর। এই পাথর প্রতিমা থেকে লঞ্চে যেতে পড়ে সুন্দরবন।
advertisement
3/5
গোবর্ধনপুরের সমুদ্র সৈকত প্রায় ১৫ কিলোমিটার লম্বা ও ১০ কিলোমিটার চওড়া। ২০০০ সালের পর থেকে সমুদ্রের বুক থেকে রাশি রাশি বালি এসে জমা হতে থাকে এই বেলাভূমিতে। চারিদিকে রয়েছে ঝাউবন।
গোবর্ধনপুরের সমুদ্র সৈকত প্রায় ১৫ কিলোমিটার লম্বা ও ১০ কিলোমিটার চওড়া। ২০০০ সালের পর থেকে সমুদ্রের বুক থেকে রাশি রাশি বালি এসে জমা হতে থাকে এই বেলাভূমিতে। চারিদিকে রয়েছে ঝাউবন।
advertisement
4/5
একেবারে কোলাহলহীন পরিবেশবান্ধব সমুদ্রতটে একবার আপনি পৌঁছে গেলে আর ফিরে আসতে চাইবেন না। এর অপরূপ শোভা আপনাকে মুগ্ধ করবেই। এই সৈকতে এসে রঙ খেললে আপনার অভিজ্ঞতা বদলে যাবে।
একেবারে কোলাহলহীন পরিবেশবান্ধব সমুদ্রতটে একবার আপনি পৌঁছে গেলে আর ফিরে আসতে চাইবেন না। এর অপরূপ শোভা আপনাকে মুগ্ধ করবেই। এই সৈকতে এসে রঙ খেললে আপনার অভিজ্ঞতা বদলে যাবে।
advertisement
5/5
সমুদ্র সৈকতের বড়ো বড়ো ঢেউ। আর এই দ্বীপের নির্জনতা বেলাভূমিকে পরিণত করছে নৈস্বর্গিক ক্ষেত্রে। এই দ্বীপে পৌছাতে হল আপনাকে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে কাকদ্বীপ স্টেশনে পৌঁছতে হবে। কাকদ্বীপ থেকে বাসে পাথরপ্রতিমা। এরপর সেখান থেকে জলপথে জি প্লটের চাঁদমারি ঘাট। চাঁদমারি ঘাট থেকে সোজা গোবর্ধনপুর সি বিচ। তাহলে আর দেরী কিসের ঘুরে আসুন গোবর্ধনপুর থেকে।(ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
সমুদ্র সৈকতের বড়ো বড়ো ঢেউ। আর এই দ্বীপের নির্জনতা বেলাভূমিকে পরিণত করছে নৈস্বর্গিক ক্ষেত্রে। এই দ্বীপে পৌছাতে হল আপনাকে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে কাকদ্বীপ স্টেশনে পৌঁছতে হবে। কাকদ্বীপ থেকে বাসে পাথরপ্রতিমা। এরপর সেখান থেকে জলপথে জি প্লটের চাঁদমারি ঘাট। চাঁদমারি ঘাট থেকে সোজা গোবর্ধনপুর সি বিচ। তাহলে আর দেরী কিসের ঘুরে আসুন গোবর্ধনপুর থেকে। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
advertisement
advertisement