প্রকৃতির কোলে বাঁকুড়ার নতুন আকর্ষণ... কম খরচেই মন ভরবে! দু' দিনের ছুটিতে যাবেন নাকি?

Last Updated:
বাঁকুড়া জেলার উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত বড়দি পাহাড় বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে। বাঁকুড়া রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে ছাতনা কিংবা রানিবাঁধের দিকে বাস বা গাড়িতে পৌঁছে, সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহনে সহজেই পাহাড়ে পৌঁছানো যায়। নিজস্ব গাড়িতে আসা পর্যটকদের জন্য পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত ভাল রাস্তার ব্যবস্থাও রয়েছে, ফলে যাতায়াত নিয়ে বিশেষ অসুবিধা হয় না।
1/6
এই শীতে আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠেছে বাঁকুড়ার বড়দি পাহাড়। পাহাড়, জঙ্গল ও নদীর ধার ঘিরে অল্প খরচেই পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করার সুযোগ মিলছে এখানে। খোলা প্রকৃতির মাঝে বসে নিরিবিলি সময় কাটাতে বড় কোনও অর্থব্যয়ের প্রয়োজন নেই। স্বল্প খরচে প্রকৃতিকে উপভোগ করুন বাঁকুড়া জেলার বড়দি পাহাড়ে।
এই শীতে আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠেছে বাঁকুড়ার বড়দি পাহাড়। পাহাড়, জঙ্গল ও নদীর ধার ঘিরে অল্প খরচেই পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করার সুযোগ মিলছে এখানে। খোলা প্রকৃতির মাঝে বসে নিরিবিলি সময় কাটাতে বড় কোনও অর্থব্যয়ের প্রয়োজন নেই। স্বল্প খরচে প্রকৃতিকে উপভোগ করুন বাঁকুড়া জেলার বড়দি পাহাড়ে।
advertisement
2/6
জানুয়ারির কনকনে শীতে বড়দি পাহাড়ে পাতা ঝরার মরশুমে প্রকৃতির রঙ বদলের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে। শাল, পলাশ ও অন্যান্য গাছের শুকনো পাতা ঝরে পাহাড়ি পথ ও ঢাল ঢেকে যাচ্ছে বাদামি, হলুদ ও লালচে রঙের আস্তরণে। হালকা কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা আর নরম রোদের মেলবন্ধনে পাহাড়জুড়ে তৈরি হয়েছে এক মনোরম পরিবেশ, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বড়দি পাহাড়কে শীতকালীন আদর্শ গন্তব্যে পরিণত করেছে।
জানুয়ারির কনকনে শীতে বড়দি পাহাড়ে পাতা ঝরার মরশুমে প্রকৃতির রঙ বদলের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে। শাল, পলাশ ও অন্যান্য গাছের শুকনো পাতা ঝরে পাহাড়ি পথ ও ঢাল ঢেকে যাচ্ছে বাদামি, হলুদ ও লালচে রঙের আস্তরণে। হালকা কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা আর নরম রোদের মেলবন্ধনে পাহাড়জুড়ে তৈরি হয়েছে এক মনোরম পরিবেশ, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বড়দি পাহাড়কে শীতকালীন আদর্শ গন্তব্যে পরিণত করেছে।
advertisement
3/6
বাঁকুড়া জেলার উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত বড়দি পাহাড় বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে। বাঁকুড়া রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে ছাতনা কিংবা রানিবাঁধের দিকে বাস বা গাড়িতে পৌঁছে, সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহনে সহজেই পাহাড়ে পৌঁছানো যায়। নিজস্ব গাড়িতে আসা পর্যটকদের জন্য পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত ভালো রাস্তার ব্যবস্থাও রয়েছে, ফলে যাতায়াত নিয়ে বিশেষ অসুবিধা হয় না।
বাঁকুড়া জেলার উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত বড়দি পাহাড় বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে। বাঁকুড়া রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে ছাতনা কিংবা রানিবাঁধের দিকে বাস বা গাড়িতে পৌঁছে, সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহনে সহজেই পাহাড়ে পৌঁছানো যায়। নিজস্ব গাড়িতে আসা পর্যটকদের জন্য পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত ভাল রাস্তার ব্যবস্থাও রয়েছে, ফলে যাতায়াত নিয়ে বিশেষ অসুবিধা হয় না।
advertisement
4/6
এই পাহাড়ে ঘোরার মত জায়গার কোনও অভাব নেই। পাহাড়ের চূড়া থেকে জঙ্গলমহল এলাকা ও গ্রামবাংলার বিস্তৃত দৃশ্য চোখে পড়ে। বিকেলের দিকে সূর্যাস্তের সময় পাহাড়ের উপর থেকে সোনালি আলোয় মোড়া প্রকৃতি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। আশপাশের জঙ্গল, ছোট ঝরনা ও পাথুরে পথ ট্রেকিংপ্রেমীদের কাছেও বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
এই পাহাড়ে ঘোরার মতো জায়গার কোনও অভাব নেই। পাহাড়ের চূড়া থেকে জঙ্গলমহল এলাকা ও গ্রামবাংলার বিস্তৃত দৃশ্য চোখে পড়ে। বিকেলের দিকে সূর্যাস্তের সময় পাহাড়ের উপর থেকে সোনালি আলোয় মোড়া প্রকৃতি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। আশপাশের জঙ্গল, ছোট ঝরনা ও পাথুরে পথ ট্রেকিংপ্রেমীদের কাছেও বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
advertisement
5/6
নতুন বছরের শুরুতেই বড়দি পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় লক্ষণীয়। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের দল পিকনিক করতে আসছেন পাহাড়ের পাদদেশ ও আশপাশের খোলা জায়গায়। নদীর ধার পর্যন্ত পিকনিকের সুযোগ থাকলেও এখানে বড় কোনও খরচ নেই বললেই চলে। কম বাজেটে ঘোরাঘুরি করতে চাওয়া পর্যটকদের কাছে বড়দি পাহাড় তাই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
নতুন বছরের শুরুতেই বড়দি পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় লক্ষণীয়। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের দল পিকনিক করতে আসছেন পাহাড়ের পাদদেশ ও আশপাশের খোলা জায়গায়। নদীর ধার পর্যন্ত পিকনিকের সুযোগ থাকলেও এখানে বড় কোনও খরচ নেই বললেই চলে। কম বাজেটে ঘোরাঘুরি করতে চাওয়া পর্যটকদের কাছে বড়দি পাহাড় তাই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
advertisement
6/6
পর্যটক অসিত মাহালী বলেন, “এই জায়গাটা আমার খুব ভালো লেগেছে। পিকনিক করতে এসে একেবারেই মনে হয়নি যে আমি বাঁকুড়ার কোনও জায়গায় এসেছি। চারদিকে যে প্রকৃতি আর নিরিবিলি পরিবেশ, সেটা সত্যিই অসাধারণ।” পাশাপাশি বড়দি পাহাড় ইকো রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে তুলনামূলক কম খরচে। এখানে রুম ভাড়া শুরু হচ্ছে মাত্র ১২০০ টাকা থেকে। পর্যটকদের আনাগোনায় স্থানীয় দোকানদার ও ছোট ব্যবসায়ীদের রোজগারও বেড়েছে। সব মিলিয়ে, স্বল্প খরচে জল-জঙ্গল-পাহাড়ের স্বাদ নিতে চাইলে এই শীতে বড়দি পাহাড় হয়ে উঠছে বাঁকুড়ার অন্যতম সেরা পর্যটন গন্তব্য।
পর্যটক অসিত মাহালী বলেন, “এই জায়গাটা আমার খুব ভাল লেগেছে। পিকনিক করতে এসে একেবারেই মনে হয়নি যে আমি বাঁকুড়ার কোনও জায়গায় এসেছি। চারদিকে যে প্রকৃতি আর নিরিবিলি পরিবেশ, সেটা সত্যিই অসাধারণ।” পাশাপাশি বড়দি পাহাড় ইকো রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে তুলনামূলক কম খরচে। এখানে রুম ভাড়া শুরু হচ্ছে মাত্র ১২০০ টাকা থেকে। পর্যটকদের আনাগোনায় স্থানীয় দোকানদার ও ছোট ব্যবসায়ীদের রোজগারও বেড়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement