advertisement

Gardening Tips: বাঁচবে খরচ! দামি দামি সার কিনে পয়সা নষ্ট আর নয়, একটা 'স্প্রে'-তেই ম্যাজিক, টনিকের মতো কাজ, গাছও দ্বিগুণ বাড়বে, বছরভর ফুল-ফল উপচে পড়বে

Last Updated:
Gardening Tips: আপনি কি জানেন যে আপনার বাড়িতেই উদ্ভিদের বৃদ্ধির সিক্রেট লুকিয়ে রয়েছে। হ্যাঁ, ঘরে থাকা কিছু প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে ফল ও ফুলের বাগান ভরিয়ে দিতে পারেন।
1/7
 বাগানকে সবুজ ও সতেজ রাখতে কে না চায়৷ গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য অনেকেই বাজার থেকে দামি সার কিনে থাকেন। কেউ আবার বাড়িতে জৈব সার তৈরি করে গাছপালা সুস্থ  ও সতেজ রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু আপনি কি জানেন যে আপনার বাড়িতেই উদ্ভিদের বৃদ্ধির সিক্রেট লুকিয়ে রয়েছে। হ্যাঁ, ঘরে থাকা কিছু প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে ফল ও ফুলের বাগান ভরিয়ে দিতে পারেন।
বাগানকে সবুজ ও সতেজ রাখতে কে না চায়৷ গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য অনেকেই বাজার থেকে দামি সার কিনে থাকেন। কেউ আবার বাড়িতে জৈব সার তৈরি করে গাছপালা সুস্থ ও সতেজ রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু আপনি কি জানেন যে আপনার বাড়িতেই উদ্ভিদের বৃদ্ধির সিক্রেট লুকিয়ে রয়েছে। হ্যাঁ, ঘরে থাকা কিছু প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে ফল ও ফুলের বাগান ভরিয়ে দিতে পারেন।
advertisement
2/7
বাটারমিল্ক: অনেক সময় গাছে ছাঁচ, স্যাঁতসেঁতে ও সঙ্কুচিত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে বাটারমিল্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল। এজন্য  বাটার মিল্কে জল মিশিয়ে নিলেই মুশকিল আসান৷  এবার একটি স্প্রে বোতলে ভরে গাছে ছিটিয়ে দিলেই গাছ সুস্থ ও সতেজ থাকবে।
বাটারমিল্ক: অনেক সময় গাছে ছাঁচ, স্যাঁতসেঁতে ও সঙ্কুচিত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে বাটারমিল্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল। এজন্য বাটার মিল্কে জল মিশিয়ে নিলেই মুশকিল আসান৷ এবার একটি স্প্রে বোতলে ভরে গাছে ছিটিয়ে দিলেই গাছ সুস্থ ও সতেজ থাকবে।
advertisement
3/7
সাবানের জল: সাবানের জল গাছের জন্যও ভীষণ উপকারী। এটি গাছ থেকে মেলি বাগ, শুঁয়োপোকা এবং এফিডের মতো পোকামাকড় দূর করে। এর জন্য ৫ লিটার জলে ৪-৫ চামচ লিকুইড সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ গুলে নিন। এবার গাছে স্প্রে করে দিন ভালভাবে। এটি গাছগুলিতে পোকামাকড়ের বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করবে।
সাবানের জল: সাবানের জল গাছের জন্যও ভীষণ উপকারী। এটি গাছ থেকে মেলি বাগ, শুঁয়োপোকা এবং এফিডের মতো পোকামাকড় দূর করে। এর জন্য ৫ লিটার জলে ৪-৫ চামচ লিকুইড সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ গুলে নিন। এবার গাছে স্প্রে করে দিন ভালভাবে। এটি গাছগুলিতে পোকামাকড়ের বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করবে।
advertisement
4/7
অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট: বেশিরভাগ লোকেরা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট খান। কিন্তু জানেন কি, এই অ্যাসপিরিনের সাহায্যে আপনি গাছকে রোগমুক্ত রাখতে পারবেন। এজন্য জলের মধ্যে অ্যাসপিরিন গুলে গাছে স্প্রে করুন। মাটিতেও এই দ্রবণ মেশান। প্রতি মাসে এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে গাছ নষ্ট হবে না।
অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট: বেশিরভাগ লোকেরা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট খান। কিন্তু জানেন কি, এই অ্যাসপিরিনের সাহায্যে আপনি গাছকে রোগমুক্ত রাখতে পারবেন। এজন্য জলের মধ্যে অ্যাসপিরিন গুলে গাছে স্প্রে করুন। মাটিতেও এই দ্রবণ মেশান। প্রতি মাসে এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে গাছ নষ্ট হবে না।
advertisement
5/7
মধু: যারা বাগান করতে পছন্দ করেন তারা প্রায়শই গাছপালা কলম করেন এবং শাখা থেকে একটি নতুন গাছ জন্মান। এমন পরিস্থিতিতে মধুর সাহায্য নিতে পারেন। এর জন্য ২ কাপ জলে মধু মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন, তারপর এই জল ঠান্ডা করুন। কাটা ডালটি এই জলে ডুবিয়ে মাটি বা বালিতে পুঁতে দিন। এতে শিকড় দ্রুত বের হবে এবং নতুন গাছ গজাতে শুরু করবে।
মধু: যারা বাগান করতে পছন্দ করেন তারা প্রায়শই গাছপালা কলম করেন এবং শাখা থেকে একটি নতুন গাছ জন্মান। এমন পরিস্থিতিতে মধুর সাহায্য নিতে পারেন। এর জন্য ২ কাপ জলে মধু মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন, তারপর এই জল ঠান্ডা করুন। কাটা ডালটি এই জলে ডুবিয়ে মাটি বা বালিতে পুঁতে দিন। এতে শিকড় দ্রুত বের হবে এবং নতুন গাছ গজাতে শুরু করবে।
advertisement
6/7
সন্ধক নুন: সন্ধক নুন গাছের বৃদ্ধিকে ট্রিগার করে। এটি অনেক বাড়িতে ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। টমেটো, বেগুন, মরিচ এবং গোলাপ গাছের বৃদ্ধি বাড়াতে আপনি সন্ধক নুনের সাহায্য নিতে পারেন। এজন্য ১০ লিটার জলে ২ চা চামচ সন্ধক নুন মিশিয়ে গাছে ছিটিয়ে দিন। এতে গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হবে।
সন্ধক নুন: সন্ধক নুন গাছের বৃদ্ধিকে ট্রিগার করে। এটি অনেক বাড়িতে ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। টমেটো, বেগুন, মরিচ এবং গোলাপ গাছের বৃদ্ধি বাড়াতে আপনি সন্ধক নুনের সাহায্য নিতে পারেন। এজন্য ১০ লিটার জলে ২ চা চামচ সন্ধক নুন মিশিয়ে গাছে ছিটিয়ে দিন। এতে গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হবে।
advertisement
7/7
নারকেলের জল:  গাছপালা সতেজ রাখতে নারকেলের জল ব্যবহার করতে পারেন। পুষ্টিগুণে ভরপুর নারকেলের জল গাছের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে।  ৫ লিটার পানিতে ১০০ মিলি নারকেলের জল মিশিয়ে গাছে ঢেলে দিন। এটি গাছটিকে স্বাস্থ্যকর দেখাবে।
নারকেলের জল: গাছপালা সতেজ রাখতে নারকেলের জল ব্যবহার করতে পারেন। পুষ্টিগুণে ভরপুর নারকেলের জল গাছের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে। ৫ লিটার পানিতে ১০০ মিলি নারকেলের জল মিশিয়ে গাছে ঢেলে দিন। এটি গাছটিকে স্বাস্থ্যকর দেখাবে।
advertisement
advertisement
advertisement