Snake Bite: গরম এলেই গ্রামগঞ্জে সাপে কাটার আতঙ্ক! কীভাবে বাঁচাবেন? সাপে কাটলে কী করবেন, কী নয়? জানুন

Last Updated:
Snake Bite: সাপে কাটলে কী করবেন, কী করবেন না! বিষাক্ত সাপের কামড় থেকে বাঁচতে করণীয় কী, সাপের কামড়ের প্রাথমিক চিকিৎসা কী?
1/11
*সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে কী করণীয়? সে বিষয়ে এখনও অবগত নয় বহু মানুষ। এখনও সাপের কামড়ের ফলে মানুষ বাস করে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারে। তাতে নষ্ট হয় বহু সময়। গ্রামাঞ্চলের মানুষ সাপের কামড়ের মতো ঘটনা ঘটলে মারাত্মক যে ভুলগুলি করে ফেলে তাতেই মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই সাপের কামড় থেকে প্রাণ বাঁচাতে হলে কি করা উচিৎ? তা বিস্তারিত জানাচ্ছেন সর্প বিশেষজ্ঞ শুভেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়। প্রতিবেদনঃ রাকেশ মাইতি। সংগৃহীত ছবি। 
*সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে কী করণীয়? সে বিষয়ে এখনও অবগত নয় বহু মানুষ। এখনও সাপের কামড়ের ফলে মানুষ বাস করে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারে। তাতে নষ্ট হয় বহু সময়। গ্রামাঞ্চলের মানুষ সাপের কামড়ের মতো ঘটনা ঘটলে মারাত্মক যে ভুলগুলি করে ফেলে তাতেই মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই সাপের কামড় থেকে প্রাণ বাঁচাতে হলে কি করা উচিৎ? তা বিস্তারিত জানাচ্ছেন সর্প বিশেষজ্ঞ শুভেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়। প্রতিবেদনঃ রাকেশ মাইতি। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
2/11
*প্রতিবছর আমাদের দেশে সাপের কামড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। শহরের চেয়ে গ্রামে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনা বেশি। বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যুর অন্যতম কারণ সচেতনতার অভাব, সঠিক চিকিৎসার অভাব বা চিকিৎসা নিতে বিলম্ব হওয়া। কয়েকটি লক্ষণ দেখলেই বুঝতে পারবেন সাপে কামড়ানো ব্যক্তির বিষক্রিয়া হচ্ছে কিনা। কিছুক্ষেত্রে কোন সাপে কামড়েছে তাও বোঝা যায় লক্ষণ দেখে। সংগৃহীত ছবি। 
*প্রতিবছর আমাদের দেশে সাপের কামড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। শহরের চেয়ে গ্রামে সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনা বেশি। বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যুর অন্যতম কারণ সচেতনতার অভাব, সঠিক চিকিৎসার অভাব বা চিকিৎসা নিতে বিলম্ব হওয়া। কয়েকটি লক্ষণ দেখলেই বুঝতে পারবেন সাপে কামড়ানো ব্যক্তির বিষক্রিয়া হচ্ছে কিনা। কিছুক্ষেত্রে কোন সাপে কামড়েছে তাও বোঝা যায় লক্ষণ দেখে। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
3/11
*রোগীর শরীরে দুটি পিন ফোটানোর মতো রক্তাক্ত দাগ দেখা দেয়। সেই জায়গা জুড়ে ফুলে উঠে লালচে হতে থাকে। সাপে কাটা ব্যক্তির দু-চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসে। কামড়ের স্থানে প্রচণ্ড জ্বালা যন্ত্রণা করে। চোখের সামনে রোগী সবকিছু ঝাপসা দেখেন। সংগৃহীত ছবি। 
*রোগীর শরীরে দুটি পিন ফোটানোর মতো রক্তাক্ত দাগ দেখা দেয়। সেই জায়গা জুড়ে ফুলে উঠে লালচে হতে থাকে। সাপে কাটা ব্যক্তির দু-চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসে। কামড়ের স্থানে প্রচণ্ড জ্বালা যন্ত্রণা করে। চোখের সামনে রোগী সবকিছু ঝাপসা দেখেন। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
4/11
*রোগীর ঢোক গিলতে অসুবিধা হয় এবং গলা বন্ধ হয়ে আসে। শরীর ফুলতে থাকে। শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। বমি হতে শুরু করে এবং মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বের হয়। সংগৃহীত ছবি। 
*রোগীর ঢোক গিলতে অসুবিধা হয় এবং গলা বন্ধ হয়ে আসে। শরীর ফুলতে থাকে। শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। বমি হতে শুরু করে এবং মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বের হয়। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
5/11
*সাপে কাটলে কী করবেন আর কী করবেন না? জানিয়েছেন সর্প বিশেষজ্ঞ শুভেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়। যাকে সাপে কামড়েছে, সেই ব্যক্তির নির্দিষ্ট অঙ্গ অবশ্যই স্থির রাখতে হবে। হাতে কামড়ালে হাত নাড়ানো যাবে না। পায়ে কামড়ালে হাঁটাচলা করা যাবে না, স্থির হয়ে বসতে হবে। সংগৃহীত ছবি। 
*সাপে কাটলে কী করবেন আর কী করবেন না? জানিয়েছেন সর্প বিশেষজ্ঞ শুভেন্দু গঙ্গোপাধ্যায়। যাকে সাপে কামড়েছে, সেই ব্যক্তির নির্দিষ্ট অঙ্গ অবশ্যই স্থির রাখতে হবে। হাতে কামড়ালে হাত নাড়ানো যাবে না। পায়ে কামড়ালে হাঁটাচলা করা যাবে না, স্থির হয়ে বসতে হবে। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
6/11
*আক্রান্ত অঙ্গ ব্যান্ডেজের সাহায্যে একটু চাপ দিয়ে প্যাঁচাতে হবে, একে প্রেসার ইমোবিলাইজেশন বলে। ব্যান্ডেজ না পাওয়া গেলে গামছা, ওড়না বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। সংগৃহীত ছবি। 
*আক্রান্ত অঙ্গ ব্যান্ডেজের সাহায্যে একটু চাপ দিয়ে প্যাঁচাতে হবে, একে প্রেসার ইমোবিলাইজেশন বলে। ব্যান্ডেজ না পাওয়া গেলে গামছা, ওড়না বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
7/11
*আক্রান্ত স্থান সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুতে হবে অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছতে হবে। রোগীকে আধশোয়া অবস্থায় রাখুন। যদি রোগী শ্বাস না নেন তাহলে তাকে মুখে শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। সংগৃহীত ছবি। 
*আক্রান্ত স্থান সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুতে হবে অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছতে হবে। রোগীকে আধশোয়া অবস্থায় রাখুন। যদি রোগী শ্বাস না নেন তাহলে তাকে মুখে শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
8/11
*যদি সাপটিকে মেরে ফেলা হয় ক্রোধের বশে, তাহলে সেই মৃত সাপ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোনওভাবেই হাত দিয়ে ধরা যাবে না। কিছু সাপ মরার ভান করে থাকে। তবে সাপ মারতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সংগৃহীত ছবি। 
*যদি সাপটিকে মেরে ফেলা হয় ক্রোধের বশে, তাহলে সেই মৃত সাপ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোনওভাবেই হাত দিয়ে ধরা যাবে না। কিছু সাপ মরার ভান করে থাকে। তবে সাপ মারতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
9/11
*সাপে কামড়ালে না জেনে আমরা এমন কিছু কাজ করি, যা রোগীর জন্য ক্ষতিকর হয়ে যায়। তাই এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। কোনও ধরনের শক্ত বাঁধন/গিঁট দেওয়া যাবে না। সাধারণত দেখা যায়, হাত বা পায়ে কামড় দিলে, কামড়ানো জায়গা থেকে ওপরের দিকে দড়ি বা এ জাতীয় কিছু দিয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়, যাতে বিষ ছড়িয়ে না পড়ে। কিন্তু তার বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই। বরং এতে হাত/পায়ে রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে রক্ত প্রবাহের অভাবে টিস্যুতে পচন শুরু হতে পারে। সংগৃহীত ছবি। 
*সাপে কামড়ালে না জেনে আমরা এমন কিছু কাজ করি, যা রোগীর জন্য ক্ষতিকর হয়ে যায়। তাই এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। কোনও ধরনের শক্ত বাঁধন/গিঁট দেওয়া যাবে না। সাধারণত দেখা যায়, হাত বা পায়ে কামড় দিলে, কামড়ানো জায়গা থেকে ওপরের দিকে দড়ি বা এ জাতীয় কিছু দিয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়, যাতে বিষ ছড়িয়ে না পড়ে। কিন্তু তার বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই। বরং এতে হাত/পায়ে রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে রক্ত প্রবাহের অভাবে টিস্যুতে পচন শুরু হতে পারে। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
10/11
*কামড়ানোর স্থানে ব্লেড, ছুরি দিয়ে কাটাকুটি করা যাবে না। অনেক মানুষের ধারণা, আক্রান্ত স্থানে মুখ লাগিয়ে চুষে বিষ বের করলে রোগী ভাল হয়ে যাবেন। বিষ রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা এভাবে বের করা সম্ভব নয়। কোনও অবস্থাতেই আক্রান্ত স্থানে মুখ দেবেন না। কোনো ভেষজ ওষুধ, লালা, পাথর, উদ্ভিদের বীজ, গোবর, কাদা ইত্যাদি লাগানো যাবে না। সংগৃহীত ছবি। 
*কামড়ানোর স্থানে ব্লেড, ছুরি দিয়ে কাটাকুটি করা যাবে না। অনেক মানুষের ধারণা, আক্রান্ত স্থানে মুখ লাগিয়ে চুষে বিষ বের করলে রোগী ভাল হয়ে যাবেন। বিষ রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা এভাবে বের করা সম্ভব নয়। কোনও অবস্থাতেই আক্রান্ত স্থানে মুখ দেবেন না। কোনো ভেষজ ওষুধ, লালা, পাথর, উদ্ভিদের বীজ, গোবর, কাদা ইত্যাদি লাগানো যাবে না। সংগৃহীত ছবি। 
advertisement
11/11
*কোনো রাসায়নিক পদার্থ লাগানো বা তা দিয়ে সেঁক দেওয়া যাবে না। যদি আক্রান্ত ব্যক্তির গিলতে বা কথা বলতে সমস্যা হয়, বমি, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, নাসিক কণ্ঠস্বর ইত্যাদি দেখা দেয় তাহলে কিছু খাওয়ানো যাবে না। ব্যাথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। সংগৃহীত ছবি।
*কোনো রাসায়নিক পদার্থ লাগানো বা তা দিয়ে সেঁক দেওয়া যাবে না। যদি আক্রান্ত ব্যক্তির গিলতে বা কথা বলতে সমস্যা হয়, বমি, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, নাসিক কণ্ঠস্বর ইত্যাদি দেখা দেয় তাহলে কিছু খাওয়ানো যাবে না। ব্যাথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
advertisement
advertisement