advertisement

Kidney Stone: কিডনিতে কত বড় পাথর হলে তা মূত্রের মাধ্যমে বের করা যায়...কখন করতে হয় অপারেশন? জানুন চিকিৎসকের মত, এই ভুল খবরদার করবেন না

Last Updated:
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের বেশি করে জল খাওয়া উচিত ও নুন কম খাওয়া উচিত। প্রচুর ফল ও সবজি খান এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন। ঘামের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে লবণ বের হয়ে যায় এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে।
1/8
কিডনি অর্থাৎ, বৃক্ক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ৷ হৃৎপিণ্ড, লিভার বা যকৃৎ কিংবা ফুসফুসের মতোই৷ এই কিডনি আমাদের শরীর থেকে যাবতীয় তরল বর্জ্য আমাদের শরীরের বাইরে বের করে৷ কিন্তু, অনেক সময়েই দেখা যায় অতিরিক্ত লবণ বের হতে না পেরে তা কিডনির মধ্যেই জমাট বাঁধতে শুরু করে৷ যেগুলোকে আমরা কিডনিতে পাথর হওয়া বা কিডনি স্টোন বলে থাকি৷
কিডনি অর্থাৎ, বৃক্ক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ৷ হৃৎপিণ্ড, লিভার বা যকৃৎ কিংবা ফুসফুসের মতোই৷ এই কিডনি আমাদের শরীর থেকে যাবতীয় তরল বর্জ্য আমাদের শরীরের বাইরে বের করে৷ কিন্তু, অনেক সময়েই দেখা যায় অতিরিক্ত লবণ বের হতে না পেরে তা কিডনির মধ্যেই জমাট বাঁধতে শুরু করে৷ যেগুলোকে আমরা কিডনিতে পাথর হওয়া বা কিডনি স্টোন বলে থাকি৷
advertisement
2/8
কিডনিতে স্টোন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শিরদাঁড়ার দু’পাশে, বা একপাশে পিছনের দিকে অসহ্য ব্যথা হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে, মূত্রের মাধ্যমেই কিডনিতে জমে থাকা স্টোন বের করে দেন চিকিৎসকেরা৷ কখনও কখনও আবার অস্ত্রোপচারের দরকার হয়৷ এই প্রতিবেদনে চিকিৎসক আমাদের জানাচ্ছেন, কত বড় কিডনি স্টোন হলে তা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়া যায়৷
কিডনিতে স্টোন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শিরদাঁড়ার দু’পাশে, বা একপাশে পিছনের দিকে অসহ্য ব্যথা হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে, মূত্রের মাধ্যমেই কিডনিতে জমে থাকা স্টোন বের করে দেন চিকিৎসকেরা৷ কখনও কখনও আবার অস্ত্রোপচারের দরকার হয়৷ এই প্রতিবেদনে চিকিৎসক আমাদের জানাচ্ছেন, কত বড় কিডনি স্টোন হলে তা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়া যায়৷
advertisement
3/8
ফোর্টিস হাসপাতাল (গ্রেটার নয়ডা) ইউরোলজি বিভাগের পরামর্শদাতা ডঃ প্রশান্ত কুমারের মতে, ৫ মিমি আকার পর্যন্ত কিডনি স্টোন মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু, স্টোন যদি ৫ মিলিমিটারের চেয়ে বড় হয় তাহলে প্রস্রাবের মাধ্যমে তা শরীর থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাহলে কোন ক্ষেত্রে আমাদের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়?
ফোর্টিস হাসপাতাল (গ্রেটার নয়ডা) ইউরোলজি বিভাগের পরামর্শদাতা ডঃ প্রশান্ত কুমারের মতে, ৫ মিমি আকার পর্যন্ত কিডনি স্টোন মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু, স্টোন যদি ৫ মিলিমিটারের চেয়ে বড় হয় তাহলে প্রস্রাবের মাধ্যমে তা শরীর থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাহলে কোন ক্ষেত্রে আমাদের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়?
advertisement
4/8
পাথর বড় হয়ে গেলে বা কিডনি ফুলে গেলে বা সংক্রমণের কারণে প্রস্রাব দিয়ে রক্ত ​​পড়লে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু, কখনও কখনও ৪ মিমি -র পাথরও মূত্রনালী বা মূত্রাশয়ে আটকে যায়, তখনও সমস্যা দেখা দেয়৷ আবার, কিছু ক্ষেত্রে ১০ মিমি পাথরও প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে গিয়েছে এমনটাও ঘটে। যদিও তেমন নিদর্শন খুবই কম।
পাথর বড় হয়ে গেলে বা কিডনি ফুলে গেলে বা সংক্রমণের কারণে প্রস্রাব দিয়ে রক্ত ​​পড়লে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু, কখনও কখনও ৪ মিমি -র পাথরও মূত্রনালী বা মূত্রাশয়ে আটকে যায়, তখনও সমস্যা দেখা দেয়৷ আবার, কিছু ক্ষেত্রে ১০ মিমি পাথরও প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে গিয়েছে এমনটাও ঘটে। যদিও তেমন নিদর্শন খুবই কম।
advertisement
5/8
ডাঃ প্রশান্ত কুমারের মতে, যদি কিডনি স্টোন মূত্রনালী বা মূত্রাশয়ে আটকে যায়, তবে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। সেক্ষেত্রে, লেজার ব্যবহার করে পাথরটি ভাঙা হয় এবং বের করা যায়। এতে কোনও ধরনের কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না এবং সহজেই অপসারণ করা যায়।
ডাঃ প্রশান্ত কুমারের মতে, যদি কিডনি স্টোন মূত্রনালী বা মূত্রাশয়ে আটকে যায়, তবে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। সেক্ষেত্রে, লেজার ব্যবহার করে পাথরটি ভাঙা হয় এবং বের করা যায়। এতে কোনও ধরনের কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না এবং সহজেই অপসারণ করা যায়।
advertisement
6/8
কিডনিতে স্টোন হলে তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা উচিত। বিশেষ করে যদি পাথরের আকার ২০ মিমি বা তার বেশি হয়৷ কিডনিতে বেশিদিন স্টোন রাখা উচিত নয়, অন্যথায় কিডনি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কিডনিতে স্টোন হলে তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা উচিত। বিশেষ করে যদি পাথরের আকার ২০ মিমি বা তার বেশি হয়৷ কিডনিতে বেশিদিন স্টোন রাখা উচিত নয়, অন্যথায় কিডনি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
advertisement
7/8
 বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের বেশি করে জল খাওয়া উচিত ও নুন কম খাওয়া উচিত। প্রচুর ফল ও সবজি খান এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন। ঘামের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে লবণ বের হয়ে যায় এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের বেশি করে জল খাওয়া উচিত ও নুন কম খাওয়া উচিত। প্রচুর ফল ও সবজি খান এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন। ঘামের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে লবণ বের হয়ে যায় এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে।
advertisement
8/8
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনে থাকা তথ্যের সত্যতা নিউজ ১৮ নিশ্চিত করে না৷ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন৷)
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনে থাকা তথ্যের সত্যতা নিউজ ১৮ নিশ্চিত করে না৷ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন৷)
advertisement
advertisement
advertisement