Health Story: শীতে ঝোল-ঝাল সবেতেই মটরশুঁটি, কিন্তু ইউরিক অ্যাসিডের মতো আর কোন কোন সমস্যায় মটরশুঁটি খাওয়া চলবে না,জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

Last Updated:
হারভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর মতে মটরশুঁটিতে থাকে লেকটিন ও ফাইটিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট, ফলে বেশি পরিমানে মটরশুঁটি খেলে শরীরে পুষ্টি শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়!
1/7
শীতকাল মানেই বাজারে উপচে পড়া মটরশুঁটি! শীতের 'সিগনেচার' এই সবজি ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর, ওজন কমায়, এতে থাকা পলিফেনল নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। কিন্তু এত উপকার থাকা সত্ত্বেও মটরশুঁটি সবার জন্য নয়! হারভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর মতে মটরশুঁটিতে থাকে লেকটিন ও ফাইটিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট, ফলে বেশি পরিমানে মটরশুঁটি খেলে শরীরে পুষ্টি শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়! কারা কারা মটরশুঁটি একেবারেই খাবেন না?
শীতকাল মানেই বাজারে উপচে পড়া মটরশুঁটি! শীতের 'সিগনেচার' এই সবজি ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর, ওজন কমায়, এতে থাকা পলিফেনল নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। কিন্তু এত উপকার থাকা সত্ত্বেও মটরশুঁটি সবার জন্য নয়! হারভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর মতে মটরশুঁটিতে থাকে লেকটিন ও ফাইটিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট, ফলে বেশি পরিমানে মটরশুঁটি খেলে শরীরে পুষ্টি শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়! কারা কারা মটরশুঁটি একেবারেই খাবেন না?
advertisement
2/7
গ্যাস-অম্বল-- বেশি পরিমানে মটরশুঁটি খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাঁদের অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না। এতে থাকে বেশি পরিমাণে ফাইবার ও অলিগোস্যাকারাইডের মতো কার্বোহাইড্রেট যা ক্ষুদ্রান্তে পুরোপুরি হজম হয় না। এবং এই কার্বোহাইড্রেটগুলি বৃহদান্ত্রে ফারমেন্ট হয়ে বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে গ্যাসের সৃষ্টি করে। হজম না হওয়া কার্বোহাইড্রেট কোলোনে ফার্মেন্ট করে গ্যাস তৈরি করে যাতে অস্বস্তি হয়।
গ্যাস-অম্বল-- বেশি পরিমানে মটরশুঁটি খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাঁদের অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না। এতে থাকে বেশি পরিমাণে ফাইবার ও অলিগোস্যাকারাইডের মতো কার্বোহাইড্রেট যা ক্ষুদ্রান্তে পুরোপুরি হজম হয় না। এবং এই কার্বোহাইড্রেটগুলি বৃহদান্ত্রে ফারমেন্ট হয়ে বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে গ্যাসের সৃষ্টি করে। হজম না হওয়া কার্বোহাইড্রেট কোলোনে ফার্মেন্ট করে গ্যাস তৈরি করে যাতে অস্বস্তি হয়।
advertisement
3/7
কিডনির অসুখে--মটরশুঁটিতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে এবং কিডনির রোগীদের জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার অনেক সময় ক্ষতিকর। তাই কিডনির অসুখে মটরশুঁটি এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।
কিডনির অসুখে--মটরশুঁটিতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে এবং কিডনির রোগীদের জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার অনেক সময় ক্ষতিকর। তাই কিডনির অসুখে মটরশুঁটি এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।
advertisement
4/7
অ্যানিমিয়া-- মটরশুঁটিতে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড ও লেকটিনের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট যা আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং জিংক-এর মতো খনিজের শোষনে বাধা সৃষ্টি করে। তাই যাঁরা অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না।
অ্যানিমিয়া-- মটরশুঁটিতে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড ও লেকটিনের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট যা আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং জিংক-এর মতো খনিজের শোষনে বাধা সৃষ্টি করে। তাই যাঁরা অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না।
advertisement
5/7
ইউরিক অ্যাসিড--মটরশুঁটিতে থাকে 'পিউরিন' নামক উপাদান যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই যাঁরা ইউরিক অ্যাসিড, বাতের সমস্যা, গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণায় ভুগছেন, তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না।
ইউরিক অ্যাসিড--মটরশুঁটিতে থাকে 'পিউরিন' নামক উপাদান যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই যাঁরা ইউরিক অ্যাসিড, বাতের সমস্যা, গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণায় ভুগছেন, তাঁরা বেশি মটরশুঁটি খাবেন না।
advertisement
6/7
অ্যালার্জি-- অনেকের মটরশুঁটি খেলে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অ্যালার্জি-- অনেকের মটরশুঁটি খেলে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
advertisement
7/7
কাঁচা মটরশুঁটিতে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড ও লেকটিনের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট যা আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং জিংক-এর মতো খনিজের শোষনে বাধা সৃষ্টি করে। রান্না করা মটরশুঁটিতে এই অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্টের মাত্রা কমে যায় ঠিকই, তবুও খনিজ শোষনে বাধা সৃষ্টি করেই। তাই মটরশুঁটি খাওয়ার সময় অবশ্যই গরম জলে ভাপিয়ে নিয়ে কিংবা রান্না করে খাবেন।
কাঁচা মটরশুঁটিতে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড ও লেকটিনের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট যা আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং জিংক-এর মতো খনিজের শোষনে বাধা সৃষ্টি করে। রান্না করা মটরশুঁটিতে এই অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্টের মাত্রা কমে যায় ঠিকই, তবুও খনিজ শোষনে বাধা সৃষ্টি করেই। তাই মটরশুঁটি খাওয়ার সময় অবশ্যই গরম জলে ভাপিয়ে নিয়ে কিংবা রান্না করে খাবেন।
advertisement
advertisement
advertisement