ভাল করে ঘুমিয়ে উঠেও সারাদিন 'ঘুম ঘুম'? হাই তুলেই যাচ্ছেন? আসল কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিশেষজ্ঞরা

Last Updated:
পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও ঘন ঘন হাই ওঠা জলশূন্যতা, অ্যানিমিয়া, থাইরয়েড, মানসিক চাপ বা স্নায়বিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে, বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
1/10
ভাল ঘুমের পরেও বারবার হাই উঠছে? আসল কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিশেষজ্ঞরাহাই ওঠা মানেই একঘেয়েমি বা ঘুমের অভাব—এমনটাই আমরা ধরে নিই। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও যদি বারবার, অনিয়ন্ত্রিত ভাবে হাই ওঠে, তা হলে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত হাই ওঠা শরীরের ভিতরে চলতে থাকা নানা শারীরিক ও মানসিক প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। মস্তিষ্কের কাজকর্ম থেকে শুরু করে মানসিক চাপ, জলশূন্যতা, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা স্নায়বিক সমস্যার সঙ্গেও এর যোগ থাকতে পারে।
ভাল ঘুমের পরেও বারবার হাই উঠছে? আসল কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিশেষজ্ঞরা হাই ওঠা মানেই একঘেয়েমি বা ঘুমের অভাব—এমনটাই আমরা ধরে নিই। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও যদি বারবার, অনিয়ন্ত্রিত ভাবে হাই ওঠে, তা হলে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত হাই ওঠা শরীরের ভিতরে চলতে থাকা নানা শারীরিক ও মানসিক প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। মস্তিষ্কের কাজকর্ম থেকে শুরু করে মানসিক চাপ, জলশূন্যতা, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা স্নায়বিক সমস্যার সঙ্গেও এর যোগ থাকতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
2/10
হাই ওঠা শুধু ঘুমের সংকেত নয়, এটি মস্তিষ্কনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া চিকিৎসকদের ব্যাখ্যায়, হাই ওঠা শুধুমাত্র ক্লান্তির লক্ষণ নয়। এটি মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি জটিল প্রক্রিয়া। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হাই ওঠার অন্যতম প্রধান কাজ হল মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। গভীর শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, যা মস্তিষ্ককে সতর্ক ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
হাই ওঠা শুধু ঘুমের সংকেত নয়, এটি মস্তিষ্কনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া চিকিৎসকদের ব্যাখ্যায়, হাই ওঠা শুধুমাত্র ক্লান্তির লক্ষণ নয়। এটি মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি জটিল প্রক্রিয়া। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হাই ওঠার অন্যতম প্রধান কাজ হল মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। গভীর শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, যা মস্তিষ্ককে সতর্ক ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। (Representative Image) 
advertisement
3/10
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মানসিক কাজের সময় বা দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার পর হাই ওঠা আসলে মস্তিষ্ককে ‘রিসেট’ করার একটি স্বাভাবিক উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মানসিক কাজের সময় বা দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার পর হাই ওঠা আসলে মস্তিষ্ককে ‘রিসেট’ করার একটি স্বাভাবিক উপায়। (Representative Image) 
advertisement
4/10
মানসিক পরিবর্তন, চাপ ও একঘেয়েমির প্রভাবঘুম থেকে ওঠার সময়, কাজ বদলের মুহূর্তে, একঘেয়েমি বা মনোযোগ হারালে অনেক সময় হাই ওঠে। এটি মস্তিষ্কের সতর্কতার মাত্রা বদলাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ ও উদ্বেগও হাই ওঠার কারণ হতে পারে। নার্ভাসনেস বা কোনও ঘটনার আগাম উৎকণ্ঠায় শরীরের স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে হাই ওঠার প্রবণতা বাড়াতে পারে।
মানসিক পরিবর্তন, চাপ ও একঘেয়েমির প্রভাব ঘুম থেকে ওঠার সময়, কাজ বদলের মুহূর্তে, একঘেয়েমি বা মনোযোগ হারালে অনেক সময় হাই ওঠে। এটি মস্তিষ্কের সতর্কতার মাত্রা বদলাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ ও উদ্বেগও হাই ওঠার কারণ হতে পারে। নার্ভাসনেস বা কোনও ঘটনার আগাম উৎকণ্ঠায় শরীরের স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে হাই ওঠার প্রবণতা বাড়াতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
5/10
মানসিক পরিবর্তন, চাপ ও একঘেয়েমির প্রভাবঘুম থেকে ওঠার সময়, কাজ বদলের মুহূর্তে, একঘেয়েমি বা মনোযোগ হারালে অনেক সময় হাই ওঠে। এটি মস্তিষ্কের সতর্কতার মাত্রা বদলাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ ও উদ্বেগও হাই ওঠার কারণ হতে পারে। নার্ভাসনেস বা কোনও ঘটনার আগাম উৎকণ্ঠায় শরীরের স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে হাই ওঠার প্রবণতা বাড়াতে পারে।
মানসিক পরিবর্তন, চাপ ও একঘেয়েমির প্রভাব ঘুম থেকে ওঠার সময়, কাজ বদলের মুহূর্তে, একঘেয়েমি বা মনোযোগ হারালে অনেক সময় হাই ওঠে। এটি মস্তিষ্কের সতর্কতার মাত্রা বদলাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ ও উদ্বেগও হাই ওঠার কারণ হতে পারে। নার্ভাসনেস বা কোনও ঘটনার আগাম উৎকণ্ঠায় শরীরের স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে হাই ওঠার প্রবণতা বাড়াতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
6/10
রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে শরীরের কোষে অক্সিজেন পৌঁছতে সমস্যা হয়, ফলে ক্লান্তি ও হাই ওঠা দেখা যায়। হাইপোথাইরয়েডিজমে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এছাড়া আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিও অতিরিক্ত হাই ওঠার কারণ হতে পারে।
রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে শরীরের কোষে অক্সিজেন পৌঁছতে সমস্যা হয়, ফলে ক্লান্তি ও হাই ওঠা দেখা যায়। হাইপোথাইরয়েডিজমে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এছাড়া আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিও অতিরিক্ত হাই ওঠার কারণ হতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
7/10
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, খুব কম ক্ষেত্রে হলেও অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত হাই ওঠা স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। মাইগ্রেন, খিঁচুনি বা স্ট্রোকের প্রাথমিক পর্যায়ে এমন উপসর্গ দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে যদি তার সঙ্গে মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, বুকে অস্বস্তি বা শ্বাসকষ্ট থাকে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, খুব কম ক্ষেত্রে হলেও অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত হাই ওঠা স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। মাইগ্রেন, খিঁচুনি বা স্ট্রোকের প্রাথমিক পর্যায়ে এমন উপসর্গ দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে যদি তার সঙ্গে মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, বুকে অস্বস্তি বা শ্বাসকষ্ট থাকে। (Representative Image) 
advertisement
8/10
আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবদীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাজ করা, অগভীর শ্বাস নেওয়া এবং পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার অভ্যাস আজকের দিনে হাই ওঠার বড় কারণ হয়ে উঠেছে। শরীর যখন গভীর ও কার্যকর শ্বাস নিতে পারে না, তখন হাই ওঠার মাধ্যমে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাব দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাজ করা, অগভীর শ্বাস নেওয়া এবং পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার অভ্যাস আজকের দিনে হাই ওঠার বড় কারণ হয়ে উঠেছে। শরীর যখন গভীর ও কার্যকর শ্বাস নিতে পারে না, তখন হাই ওঠার মাধ্যমে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। (Representative Image) 
advertisement
9/10
কখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজনবিশেষজ্ঞদের মতে, যদি হাই ওঠা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং তার সঙ্গে মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, মনোযোগে সমস্যা বা চরম ক্লান্তি থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
কখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি হাই ওঠা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং তার সঙ্গে মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, মনোযোগে সমস্যা বা চরম ক্লান্তি থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। (Representative Image) 
advertisement
10/10
Generated image সব মিলিয়ে, হাই ওঠা শুধু ঘুমের অভাবের লক্ষণ নয়। এটি মস্তিষ্কনিয়ন্ত্রিত একটি সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া, যা শরীরের সতর্কতা, তাপমাত্রা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। মাঝেমধ্যে হাই ওঠা স্বাভাবিক, কিন্তু কারণহীন ও ঘন ঘন হাই ওঠা শরীরের সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা উচিত।
সব মিলিয়ে, হাই ওঠা শুধু ঘুমের অভাবের লক্ষণ নয়। এটি মস্তিষ্কনিয়ন্ত্রিত একটি সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া, যা শরীরের সতর্কতা, তাপমাত্রা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। মাঝেমধ্যে হাই ওঠা স্বাভাবিক, কিন্তু কারণহীন ও ঘন ঘন হাই ওঠা শরীরের সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা উচিত। (Representative Image) 
advertisement
advertisement
advertisement