Bollywood Actress: বিবাহবার্ষিকীর উপহার আনতে পোস্ট অফিসে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী, সেখানেই স্বামী দিলেন ডিভোর্স নোটিস!

Last Updated:
Bollywood Actress: বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি সম্প্রতি স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছেন, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, "১৫তম বিবাহবার্ষিকীর জন্য অর্ডার করা একটি উপহার নেওয়ার অজুহাতে" তাঁকে ডিভোর্সের চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, সন্তানদের যৌথ হেফাজত পাওয়ার পরেও তাঁকে তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
1/7
বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি সম্প্রতি স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছেন, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন,
বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি সম্প্রতি স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছেন, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, "১৫তম বিবাহবার্ষিকীর জন্য অর্ডার করা একটি উপহার নেওয়ার অজুহাতে" তাঁকে ডিভোর্সের চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, সন্তানদের যৌথ হেফাজত পাওয়ার পরেও তাঁকে তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
advertisement
2/7
নিজের ইনস্টাগ্রামে সেলিনা লিখেছেন, “আমার মর্যাদা, আমার সন্তান এবং আমার ভাইকে রক্ষা করার জন্য যেদিন আমি অস্ট্রিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেদিনই আমি আমার সন্তানদের হারিয়েছি। এই কথাটি সেই সব পুরুষ ও মহিলাদের জন্য, যাঁরা তাঁদের নির্যাতনমূলক বিবাহের গল্প নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আপনারা একা নন।” তিনি আরও লিখেছেন, “২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর, রাত ১টায়, প্রতিবেশীদের সহায়তায় আমি অস্ট্রিয়া ছেড়েছিলাম, নিপীড়ন ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে। আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সামান্য কিছু টাকা নিয়েই আমাকে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা দিয়ে আমার বাকি জীবন কাটাতে হবে।”
নিজের ইনস্টাগ্রামে সেলিনা লিখেছেন, “আমার মর্যাদা, আমার সন্তান এবং আমার ভাইকে রক্ষা করার জন্য যেদিন আমি অস্ট্রিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেদিনই আমি আমার সন্তানদের হারিয়েছি। এই কথাটি সেই সব পুরুষ ও মহিলাদের জন্য, যাঁরা তাঁদের নির্যাতনমূলক বিবাহের গল্প নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আপনারা একা নন।” তিনি আরও লিখেছেন, “২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর, রাত ১টায়, প্রতিবেশীদের সহায়তায় আমি অস্ট্রিয়া ছেড়েছিলাম, নিপীড়ন ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে। আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সামান্য কিছু টাকা নিয়েই আমাকে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা দিয়ে আমার বাকি জীবন কাটাতে হবে।”
advertisement
3/7
তিনি জানিয়েছেন যে, পিটারকে বিয়ে করার অনেক আগেই কেনা নিজের বাড়িতে প্রবেশের জন্য তাঁকে ভারতের আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। সেলিনা বলছেন, সেই সম্পত্তির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও পিটার তার মালিকানা দাবি করছেন।
তিনি জানিয়েছেন যে, পিটারকে বিয়ে করার অনেক আগেই কেনা নিজের বাড়িতে প্রবেশের জন্য তাঁকে ভারতের আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। সেলিনা বলছেন, সেই সম্পত্তির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও পিটার তার মালিকানা দাবি করছেন।
advertisement
4/7
তিনি যে তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না, সে সম্পর্কে লিখেছেন, “যৌথ হেফাজত এবং অস্ট্রিয়ান পারিবারিক আদালতের একটি বিদ্যমান আদেশ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে আমাকে আমার ৩ সন্তানের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না! আমার সন্তানদের আমার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বারবার হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, যার মধ্যে নির্বাচিত কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার শিকার হওয়াও অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে নিয়মিত বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি তাদের ব্রেইনওয়াশ করা হচ্ছে এবং ভয় দেখানো হচ্ছে, যাতে তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলে।”
তিনি যে তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না, সে সম্পর্কে লিখেছেন, “যৌথ হেফাজত এবং অস্ট্রিয়ান পারিবারিক আদালতের একটি বিদ্যমান আদেশ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে আমাকে আমার ৩ সন্তানের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না! আমার সন্তানদের আমার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বারবার হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, যার মধ্যে নির্বাচিত কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার শিকার হওয়াও অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে নিয়মিত বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি তাদের ব্রেইনওয়াশ করা হচ্ছে এবং ভয় দেখানো হচ্ছে, যাতে তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলে।”
advertisement
5/7
“সেপ্টেম্বরের শুরুতে আমার স্বামী আমাদের ১৫তম বিবাহবার্ষিকীর জন্য অর্ডার করা একটি উপহার স্থানীয় পোস্ট অফিস থেকে নেওয়ার অজুহাতে আমাকে একটি বিবাহবিচ্ছেদের নোটিস ধরিয়ে দেন, যেখানে তিনি নিজেই আমাকে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। এর পর আমি বার বার এবং আইনগতভাবে সদিচ্ছার সঙ্গে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ বিচ্ছেদের চেষ্টা করেছি, যেখানে আমি শুধুমাত্র সন্তানদের মঙ্গলের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম।
“সেপ্টেম্বরের শুরুতে আমার স্বামী আমাদের ১৫তম বিবাহবার্ষিকীর জন্য অর্ডার করা একটি উপহার স্থানীয় পোস্ট অফিস থেকে নেওয়ার অজুহাতে আমাকে একটি বিবাহবিচ্ছেদের নোটিস ধরিয়ে দেন, যেখানে তিনি নিজেই আমাকে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। এর পর আমি বার বার এবং আইনগতভাবে সদিচ্ছার সঙ্গে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ বিচ্ছেদের চেষ্টা করেছি, যেখানে আমি শুধুমাত্র সন্তানদের মঙ্গলের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম।"
advertisement
6/7
 "এই প্রচেষ্টাগুলোর জবাবে আমার বিয়ের আগের সম্পত্তি সংক্রান্ত দাবি এবং এমন অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হয়, যা বিবাহবিচ্ছেদের পরেও আমাকে আমার স্বাধীনতা ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল" দীর্ঘ পোস্টে তিনি জানান।
"এই প্রচেষ্টাগুলোর জবাবে আমার বিয়ের আগের সম্পত্তি সংক্রান্ত দাবি এবং এমন অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হয়, যা বিবাহবিচ্ছেদের পরেও আমাকে আমার স্বাধীনতা ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল" দীর্ঘ পোস্টে তিনি জানান।
advertisement
7/7
কীভাবে রাতারাতি তাঁকে একজন মা এবং অভিভাবক হসেবে তাঁর ভূমিকা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল, তা জানিয়ে তিনি উপসংহারে বলেন, “এক মুহূর্তে আমার পুরো পৃথিবী আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।”
কীভাবে রাতারাতি তাঁকে একজন মা এবং অভিভাবক হসেবে তাঁর ভূমিকা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল, তা জানিয়ে তিনি উপসংহারে বলেন, “এক মুহূর্তে আমার পুরো পৃথিবী আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।”
advertisement
advertisement
advertisement