advertisement

Success Story: বাবা হোটেল কর্মী, মা শ্রমিক, অদম্য জেদেই WBCS গ্রুপ-এ অফিসার জলপাইগুড়ির দৈব্যনাথ! কুর্নিশ

Last Updated:
Success Story: সীমিত আয়ের মধ্যেই চলত সংসার ও পড়াশোনা-- তবু অভাব কোনওদিন দৈব্যনাথের লক্ষ্যপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এই লড়াইয়ের গল্প শুনলে ঘুরে দাঁড়ানোর জেদ পাবেন।
1/5
অন্ধকার থেকে আলোর দিশা দেখাল WBCS! বাবা রাঁধুনি, মা শ্রমিক কোনও রকমে দিন যাপনের সংসারে এক রাশ আলো নিয়ে এল গ্রুপ এ অফিসার ছেলে। লক্ষ্য স্থির হলে যে সব বাঁধাই তুচ্ছ! আর্থিক সংকট জয় করে ডাবলু বিসিএসে বিরাট সাফল্য, রাজবংশী পরিবারের ছেলের।
অন্ধকার থেকে আলোর দিশা দেখাল WBCS! বাবা রাঁধুনি, মা শ্রমিক কোনও রকমে দিন যাপনের সংসারে এক রাশ আলো নিয়ে এল গ্রুপ এ অফিসার ছেলে। লক্ষ্য স্থির হলে যে সব বাঁধাই তুচ্ছ! আর্থিক সংকট জয় করে ডাবলু বিসিএসে বিরাট সাফল্য, রাজবংশী পরিবারের ছেলের।
advertisement
2/5
অদম্য জেদ, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্নের প্রতি অটল বিশ্বাস থাকলে যে আর্থিক অভাবও বড় বাধা হতে পারে না-- তা আবারও প্রমাণ করলেন ময়নাগুড়ির রাজবংশী পরিবারের ছেলে দৈব্যনাথ রায়। রাজ্য সরকারের ডব্লুবিসিএস (WBCS) পরীক্ষায় গ্রুপ–এ এক্সিকিউটিভ পদে ৩৯তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করে এক অনন্য সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। গত ২৭ জানুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরই এই সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ে ময়নাগুড়ি জুড়ে।
অদম্য জেদ, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্নের প্রতি অটল বিশ্বাস থাকলে যে আর্থিক অভাবও বড় বাধা হতে পারে না-- তা আবারও প্রমাণ করলেন ময়নাগুড়ির রাজবংশী পরিবারের ছেলে দৈব্যনাথ রায়। রাজ্য সরকারের ডব্লুবিসিএস (WBCS) পরীক্ষায় গ্রুপ–এ এক্সিকিউটিভ পদে ৩৯তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করে এক অনন্য সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। গত ২৭ জানুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরই এই সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ে ময়নাগুড়ি জুড়ে।
advertisement
3/5
তবে এই সফলতার যাত্রাপথ খুব একটা সহজ ছিল না। ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ খাগড়াবাড়ি হঠাৎ কলোনির বাসিন্দা দৈব্যনাথ রায় এক সাধারণ পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা সুভাষ রায় পেশায় হোটেলের কর্মচারী এবং মা সংসারের কাজের পাশাপাশি শ্রমিকের কাজ করে পরিবার চালান
তবে এই সফলতার যাত্রাপথ খুব একটা সহজ ছিল না। ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ খাগড়াবাড়ি হঠাৎ কলোনির বাসিন্দা দৈব্যনাথ রায় এক সাধারণ পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা সুভাষ রায় পেশায় হোটেলের কর্মচারী এবং মা সংসারের কাজের পাশাপাশি শ্রমিকের কাজ করে পরিবার চালান
advertisement
4/5
সীমিত আয়ের মধ্যেই চলত সংসার ও পড়াশোনা-- তবু অভাব কোনওদিন দৈব্যনাথের লক্ষ্যপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত দৈব্যনাথ ২০১৮ সালে শহীদগড় উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর ময়নাগুড়ি কলেজ থেকে ভূগোল বিষয়ে অনার্স এবং পরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
সীমিত আয়ের মধ্যেই চলত সংসার ও পড়াশোনা-- তবু অভাব কোনওদিন দৈব্যনাথের লক্ষ্যপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত দৈব্যনাথ ২০১৮ সালে শহীদগড় উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর ময়নাগুড়ি কলেজ থেকে ভূগোল বিষয়ে অনার্স এবং পরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
advertisement
5/5
২০২২ সালে প্রথমবার ডব্লুবিসিএস পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে মেইনসে বসা সম্ভব হয়নি। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ফের পরীক্ষায় বসে প্রিলিমিনারি, মেইনস ও ইন্টারভিউ-- সব ধাপ পেরিয়ে অবশেষে সাফল্যের শিখরে পৌঁছন। দৈব্যনাথ রায়ের এই কৃতিত্ব আজ শুধু তাঁর পরিবারের নয়, গোটা ময়নাগুড়ি এলাকার গর্ব। তাঁর জীবন সংগ্রাম ও সাফল্য অসংখ্য সাধারণ পরিবারের তরুণ-তরুণীদের কাছে নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে রইল।
২০২২ সালে প্রথমবার ডব্লুবিসিএস পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে মেইনসে বসা সম্ভব হয়নি। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ফের পরীক্ষায় বসে প্রিলিমিনারি, মেইনস ও ইন্টারভিউ-- সব ধাপ পেরিয়ে অবশেষে সাফল্যের শিখরে পৌঁছন। দৈব্যনাথ রায়ের এই কৃতিত্ব আজ শুধু তাঁর পরিবারের নয়, গোটা ময়নাগুড়ি এলাকার গর্ব। তাঁর জীবন সংগ্রাম ও সাফল্য অসংখ্য সাধারণ পরিবারের তরুণ-তরুণীদের কাছে নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে রইল।
advertisement
advertisement
advertisement