advertisement

LPG cylinder Crisis: 'প্যানিক' নয়, গ্যাস বুক করার আড়াই দিনের মধ্যেই মিলবে সিলিন্ডার, আশ্বস্ত করল কেন্দ্র

Last Updated:
মধ্যপ্রাচ্যের আঁচে পুড়ছে গোটা ভারত-সহ বাংলা! গ্যাসের আকাল! গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য লম্বা লাইন! অনেকেই আগেভাগে ভয় পেয়ে বাড়তি গ্যাস করছেন! এই পরিস্থিতিতেই কেন্দ্র জানাল, প্যানিক নয়! বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যেই মিলবে সিলিন্ডার
1/5
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ ভারত-সহ পশ্চিমবঙ্গে। নানা জায়গায় গ্যাসের অফিসের বাইরে লম্বা লাইন। অভিযোগ ফোনে বুক করা যাচ্ছে না। বুক করলেও মিলছে না। অভিযোগ, কোথাও বুকিংয়ের পরেও মিলছে না রান্নার গ্যাস। কোথাও আবার বুকিং নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি। গ্যাস না থাকলে রান্না হবে কীভাবে। খাবেন কী। এই দুশ্চিন্তায় নানা জায়গায় গ্যাসের অফিসের সামনে লম্বা লাইন।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ ভারত-সহ পশ্চিমবঙ্গে। নানা জায়গায় গ্যাসের অফিসের বাইরে লম্বা লাইন। অভিযোগ ফোনে বুক করা যাচ্ছে না। বুক করলেও মিলছে না। অভিযোগ, কোথাও বুকিংয়ের পরেও মিলছে না রান্নার গ্যাস। কোথাও আবার বুকিং নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি। গ্যাস না থাকলে রান্না হবে কীভাবে। খাবেন কী। এই দুশ্চিন্তায় নানা জায়গায় গ্যাসের অফিসের সামনে লম্বা লাইন।
advertisement
2/5
কিন্তু দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে, গ্যাস বুক করার দুই থেকে আড়াই দিনের মধ্যেই সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। ফলে অযথা ‘প্যানিক’ করার কারণ নেই, বাড়তি গ্যাস সিলিন্ডার বুক করে রাখারও প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক আগেই জানিয়েছে,বাড়ির গ্যাস বুক করা যাবে ২৫ দিন অন্তর। সিলিন্ডারের কালোবাজারি এবং মজুত রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।
কিন্তু দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে, গ্যাস বুক করার দুই থেকে আড়াই দিনের মধ্যেই সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। ফলে অযথা ‘প্যানিক’ করার কারণ নেই, বাড়তি গ্যাস সিলিন্ডার বুক করে রাখারও প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক আগেই জানিয়েছে,বাড়ির গ্যাস বুক করা যাবে ২৫ দিন অন্তর। সিলিন্ডারের কালোবাজারি এবং মজুত রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।
advertisement
3/5
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও ভারতের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। ভয়ে জ্বালানি বা রান্নার গ্যাস মজুত করে রাখার কোনও প্রয়োজন নেই! বুধবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা। তিনি জানিয়েছেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। খনিজ তেলের সরবরাহও নিয়ন্ত্রণে। ভারতে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। ঘরোয়া নয়, এমন এলপিজি (নন-ডোমেস্টিক)-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং অন্য জরুরি পরিষেবাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বাড়তি গ্যাস যাতে কেউ বুক করে না-রাখেন, তা নিশ্চিত করতে দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও ভারতের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। ভয়ে জ্বালানি বা রান্নার গ্যাস মজুত করে রাখার কোনও প্রয়োজন নেই! বুধবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা। তিনি জানিয়েছেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। খনিজ তেলের সরবরাহও নিয়ন্ত্রণে। ভারতে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। ঘরোয়া নয়, এমন এলপিজি (নন-ডোমেস্টিক)-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং অন্য জরুরি পরিষেবাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বাড়তি গ্যাস যাতে কেউ বুক করে না-রাখেন, তা নিশ্চিত করতে দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।
advertisement
4/5
সুজাতা শর্মা জানান, বর্তমানে বিশ্ব একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবে ভারতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারতের অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। ভারত প্রায় ৪০টি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে এবং বর্তমানে দুটি ক্রুড অয়েলের কার্গো ভারতের পথে রয়েছে। ভারতের মোট বার্ষিক তেল ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ১৮৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন, যার মধ্যে প্রায় ৪৭ শতাংশ সরবরাহ বর্তমানে বৈশ্বিক বিঘ্নের কারণে প্রভাবিত হয়েছে। তবে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং যানবাহনের জন্য কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG)-এর ঘরোয়া সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। 

তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে তেল আসে, তা ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশ জোগানই আসছে অন্য রাস্তা দিয়ে।
সুজাতা শর্মা জানান, বর্তমানে বিশ্ব একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবে ভারতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারতের অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। ভারত প্রায় ৪০টি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে এবং বর্তমানে দুটি ক্রুড অয়েলের কার্গো ভারতের পথে রয়েছে।ভারতের মোট বার্ষিক তেল ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ১৮৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন, যার মধ্যে প্রায় ৪৭ শতাংশ সরবরাহ বর্তমানে বৈশ্বিক বিঘ্নের কারণে প্রভাবিত হয়েছে। তবে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং যানবাহনের জন্য কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG)-এর ঘরোয়া সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে তেল আসে, তা ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশ জোগানই আসছে অন্য রাস্তা দিয়ে।
advertisement
5/5
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেসে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে অনেকেই ভয় পেয়ে আগেভাগে গ্যাস বুক করে রাখছেন। সুজাতা জানিয়েছেন, এই ‘প্যানিক বুকিং’ মূলত ভুল তথ্যের কারণে হচ্ছে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন, একইসঙ্গে গ্যাসের অপচয় বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েছেন।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেসে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে অনেকেই ভয় পেয়ে আগেভাগে গ্যাস বুক করে রাখছেন। সুজাতা জানিয়েছেন, এই ‘প্যানিক বুকিং’ মূলত ভুল তথ্যের কারণে হচ্ছে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন, একইসঙ্গে গ্যাসের অপচয় বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েছেন।
advertisement
advertisement
advertisement