advertisement

Money Making Tips: অযত্নে বেড়ে ওঠা আকন্দই এখন 'লক্ষ্মী', একবার চারা লাগালেই কেল্লাফতে! বছরের পর বছর ফলন দিয়ে পকেট ভরাচ্ছে

Last Updated:
Money Making Tips: পরিত্যক্ত জমির আকন্দ ফুল এখন দিচ্ছে মোটা টাকা লাভ। কীভাবে কম পরিশ্রমে আকন্দ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন গ্রামের মহিলারা?
1/5
একসময় গ্রামের রাস্তার ধারে বা পরিত্যক্ত জমিতে অযত্নে বেড়ে ওঠা আকন্দ ফুলই এখন অর্থকরী ফসল। অল্প পরিশ্রমে আকন্দ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন এক চাষি। এই ফুলে পৌঁছে যাচ্ছে হাওড়ার বাজারে। (তথ্য: সায়নী সরকার)
একসময় গ্রামের রাস্তার ধারে বা পরিত্যক্ত জমিতে অযত্নে বেড়ে ওঠা আকন্দ ফুলই এখন অর্থকরী ফসল। অল্প পরিশ্রমে আকন্দ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন এক চাষি। এই ফুলে পৌঁছে যাচ্ছে হাওড়ার বাজারে। (তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/5
এই চাষ করে শুধু যে লাভের মুখ দেখছেন চাষি তাই নয় স্বাবলম্বী হচ্ছেন গ্রামের মহিলারাও।কারণ তাদের কাজ করতে আর যেতে হচ্ছে না বাইরে, গ্রামেই মিলছে কাজ।অন্যান্য চাষের থেকে লাভজনক তাই সবজী ছেড়ে আকন্দ ফুলের চাষ করছেন স্বস্তীপল্লী এলাকার এক চাষি। প্রথমে তার জমিতে সবজি চাষ করতেন তিনি কিন্তু সেই অর্থে লাভ হচ্ছিল না তার। পরে এক আত্মীয়ের পরামর্শ ভিন জেলা থেকে চারা কিনে এনে প্রথম এক বিঘা জমিতে শুরু করেছিলেন চাষ।
এই চাষ করে শুধু যে লাভের মুখ দেখছেন চাষি তাই নয় স্বাবলম্বী হচ্ছেন গ্রামের মহিলারাও।কারণ তাদের কাজ করতে আর যেতে হচ্ছে না বাইরে, গ্রামেই মিলছে কাজ।অন্যান্য চাষের থেকে লাভজনক তাই সবজী ছেড়ে আকন্দ ফুলের চাষ করছেন স্বস্তীপল্লী এলাকার এক চাষি। প্রথমে তার জমিতে সবজি চাষ করতেন তিনি কিন্তু সেই অর্থে লাভ হচ্ছিল না তার। পরে এক আত্মীয়ের পরামর্শ ভিন জেলা থেকে চারা কিনে এনে প্রথম এক বিঘা জমিতে শুরু করেছিলেন চাষ।
advertisement
3/5
বর্তমানে প্রায় চার বিঘা জমিতে এই আকন্দফুলের চাষ করছেন শ্যামল হাটি ও তার স্ত্রী।একবার চারা কিনে এনে বসালে সেই গাছে চলে বছরের পর বছর। তাই অন্যান্য চাষের তুলনায় খরচা কিছুটা হলেও কম।
বর্তমানে প্রায় চার বিঘা জমিতে এই আকন্দফুলের চাষ করছেন শ্যামল হাটি ও তার স্ত্রী।একবার চারা কিনে এনে বসালে সেই গাছে চলে বছরের পর বছর। তাই অন্যান্য চাষের তুলনায় খরচা কিছুটা হলেও কম।
advertisement
4/5
হাতে গ্লাভস, চোখে চশমা ও মুখে কাপড় বেঁধে সকাল হলেই প্রায় পাঁচ থেকে ছয় জন মহিলা বস্তা নিয়ে শুরু করেন ফুল তোলার কাজ।তারপর তা চলে যায় গ্রামেরই বেশ কয়েকটি বাড়িতে সেখানেই এই ফুল থেকে তৈরি মালা আর এই মালাই চলে যায় হাওড়ার ফুল বাজারে।
হাতে গ্লাভস, চোখে চশমা ও মুখে কাপড় বেঁধে সকাল হলেই প্রায় পাঁচ থেকে ছয় জন মহিলা বস্তা নিয়ে শুরু করেন ফুল তোলার কাজ।তারপর তা চলে যায় গ্রামেরই বেশ কয়েকটি বাড়িতে সেখানেই এই ফুল থেকে তৈরি মালা আর এই মালাই চলে যায় হাওড়ার ফুল বাজারে।
advertisement
5/5
এই ব্যবসার মাধ্যমে শুধু যে লাভবান হচ্ছেন শ্যামল বাবুর তাই নয় স্বনির্ভর হচ্ছেন গ্রামের মহিলারাও। কারণ ফুল তোলা থেকে শুরু করে মালা গাঁথা সবই করেন মহিলারা। আগে কাজের জন্য তাদের যেতে হতো বাইরে কিন্তু এখন অন্যান্য কাজের পাশাপাশি গ্রামের মধ্যেই তারা করতে পারছেন কাজ। বিশেষ করে শিবরাত্রি আগে এই ফুলের চাহিদা বাড়লেও সারা বছরই হয় এই ফুলের চাষ তাই বারোমাসই থাকে কাজ। (তথ্য: সায়নী সরকার)
এই ব্যবসার মাধ্যমে শুধু যে লাভবান হচ্ছেন শ্যামল বাবুর তাই নয় স্বনির্ভর হচ্ছেন গ্রামের মহিলারাও। কারণ ফুল তোলা থেকে শুরু করে মালা গাঁথা সবই করেন মহিলারা। আগে কাজের জন্য তাদের যেতে হতো বাইরে কিন্তু এখন অন্যান্য কাজের পাশাপাশি গ্রামের মধ্যেই তারা করতে পারছেন কাজ। বিশেষ করে শিবরাত্রি আগে এই ফুলের চাহিদা বাড়লেও সারা বছরই হয় এই ফুলের চাষ তাই বারোমাসই থাকে কাজ। (তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
advertisement
advertisement