Shanir Astam Dristi: শনির অষ্টম দৃষ্টির প্রভাবে ছারখার জাতক-জাতিকার জীবন, কেরিয়ার থেকে শরীর স্বাস্থ্য নয়ছয়, জ্যোতিষীর সতর্কবাণী

Last Updated:
Shani Gochar: ১২ জানুয়ারির পর শনি অষ্টমে প্রবেশ করায় সিংহ ও মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে শারীরিক সমস্যা, কর্মক্ষেত্রের চাপ ও আর্থিক জ্বটিলতার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
1/6
বছরের শুরুতেই জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ গ্রহগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ১২ জানুয়ারির পর সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সময়টি বিশেষভাবে সংবেদনশীল বলে জানাচ্ছেন বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের স্বনামধন্য এক জ্যোতিষী। এই সময়ে শনি অষ্টম স্থানে প্রবেশ করায় জীবনে আসতে পারে হঠাৎ পরিবর্তন, যা একদিকে যেমন কর্মক্ষেত্রে উন্নতির পথ খুলে দেবে, তেমনই অন্যদিকে শারীরিক দিক থেকে চরম বাধা-বিপত্তির সম্ভাবনাও তৈরি করবে।
বছরের শুরুতেই জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ গ্রহগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ১২ জানুয়ারির পর সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সময়টি বিশেষভাবে সংবেদনশীল বলে জানাচ্ছেন বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের স্বনামধন্য এক জ্যোতিষী। এই সময়ে শনি অষ্টম স্থানে প্রবেশ করায় জীবনে আসতে পারে হঠাৎ পরিবর্তন, যা একদিকে যেমন কর্মক্ষেত্রে উন্নতির পথ খুলে দেবে, তেমনই অন্যদিকে শারীরিক দিক থেকে চরম বাধা-বিপত্তির সম্ভাবনাও তৈরি করবে। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
2/6
জ্যোতিষীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সিংহ রাশির জাতকদের কর্মজীবনে দায়িত্ব বাড়বে, সম্মান ও পদোন্নতির যোগ তৈরি হলেও শরীর সেই চাপ নিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে রক্তক্ষয়ের সম্ভাবনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়ে আঘাত, অপারেশন বা হঠাৎ শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যারা ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জন্য সতর্কতা আরও বেশি প্রয়োজন।
জ্যোতিষীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সিংহ রাশির জাতকদের কর্মজীবনে দায়িত্ব বাড়বে, সম্মান ও পদোন্নতির যোগ তৈরি হলেও শরীর সেই চাপ নিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে রক্তক্ষয়ের সম্ভাবনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়ে আঘাত, অপারেশন বা হঠাৎ শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যারা ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জন্য সতর্কতা আরও বেশি প্রয়োজন।
advertisement
3/6
বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান ও বৈদ্যুতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত সিংহ রাশির জাতকদের জন্য সময়টি অত্যন্ত সাবধানতার। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনা, শরীরে আঘাত বা দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না জ্যোতিষীরা। কাজের সময় নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান ও বৈদ্যুতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত সিংহ রাশির জাতকদের জন্য সময়টি অত্যন্ত সাবধানতার। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনা, শরীরে আঘাত বা দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না জ্যোতিষীরা। কাজের সময় নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
advertisement
4/6
অন্যদিকে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও এই সময়টি খুব একটা স্বস্তির নয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ ও বিবাদের সম্ভাবনা প্রবল। কর্মক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অর্থব্যয় আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করছেন জ্যোতিষীরা।
অন্যদিকে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও এই সময়টি খুব একটা স্বস্তির নয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ ও বিবাদের সম্ভাবনা প্রবল। কর্মক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অর্থব্যয় আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করছেন জ্যোতিষীরা।
advertisement
5/6
মেষ রাশির ক্ষেত্রেও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত মিলছে। মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও পেটের সমস্যার মতো ছোটখাটো উপসর্গ থেকে শুরু করে বড় শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়ে নিজের আচরণ ও সিদ্ধান্তে সংযম বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মেষ রাশির ক্ষেত্রেও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত মিলছে। মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও পেটের সমস্যার মতো ছোটখাটো উপসর্গ থেকে শুরু করে বড় শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়ে নিজের আচরণ ও সিদ্ধান্তে সংযম বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
advertisement
6/6
এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের জ্যোতিষী চট্টোপাধ্যায় জানান, “শনির প্রতিকার করলেই অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত অশ্বত্থ গাছে জল দেওয়া, তিলের তেলের প্রদীপ অশ্বত্থ গাছের তলায় জ্বালানো, নিরামিষ আহার করা এবং প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় হনুমান চালিশা পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।” তাঁর মতে, ভক্তি ও সংযমই এই কঠিন সময় পার করার প্রধান হাতিয়ার।
এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জ্যোতিষী গ্রামের জ্যোতিষী চট্টোপাধ্যায় জানান, “শনির প্রতিকার করলেই অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত অশ্বত্থ গাছে জল দেওয়া, তিলের তেলের প্রদীপ অশ্বত্থ গাছের তলায় জ্বালানো, নিরামিষ আহার করা এবং প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় হনুমান চালিশা পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।” তাঁর মতে, ভক্তি ও সংযমই এই কঠিন সময় পার করার প্রধান হাতিয়ার।
advertisement
advertisement
advertisement