ফিল্ম রিভিউ: ভাষা যাই হোক, ভালবাসেন সেটা বলুন রোজ
Last Updated:
মাত্র তিনটে শব্দ ৷ তবে এই তিনটে শব্দেই পর পর বাঁধা রয়েছে বিশ্বাস, ভালোবাসা আর নিশ্চিন্ত আশ্রয় !
#কলকাতা: মাত্র তিনটে শব্দ ৷ তবে এই তিনটে শব্দেই পর পর বাঁধা রয়েছে বিশ্বাস, ভালোবাসা আর নিশ্চিন্ত আশ্রয় ! ইংরেজি ‘আই লাভ ইউ’ ৷ দুনিয়ার অন্যান্য ভাষায় তা যাই হোক না কেন? সব ক্ষেত্রেই অনুভবটা সমান ৷ আর সেই অনুভবকে সঙ্গে নিয়েই প্রায় দু’ঘণ্টার ছবি ‘অংরেজি মে কহেতে হ্যায় ’ ৷ ‘অংরেজি মে কহেতে হ্যায়’ এমন একটা ছবি যা কিনা শক্ত চিত্রনাট্যে বাঁধা ৷ যা একচুলও ঢিলে হয় না ৷ ছবি দেখতে বসে কখনই মনে হবে না, এই দৃশ্যটা না থাকলেই হতো ৷ আর এখানেই আসল বাজিটা মেরে দিয়েছেন পরিচালক হরিশ ব্যাস ৷ আর বাদ বাকি ছবিটা অভিনেতা সঞ্জয় মিশ্রার ৷
advertisement
‘অংরেজি মে কহেতে হ্যায়’ ছবিটা একেবারেই অভিনয়ের ছবি ৷ যা কিনা সঙ্গ পেয়েছে ভালো চিত্রনাট্যের ৷ আর সেদিক থেকে প্রথম ছক্কাটা মেরেছেন সঞ্জয় মিশ্রা ৷ ছবির প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয়ভাগে নিজের অভিব্যক্তিকে একেবারে পালটে দিয়ে, একই ছবিতে দু’ধরণের অভিনয় ক্ষমতাকে সামনে এনেছেন সঞ্জয় ৷ তবে পাশাপাশি একাবলী খান্না, অংশুমান, শিবানীও এককথায় অসাধারণ ৷ তবে খুব অল্প পরিসরে থাকলেও, আলাদা করে নজর কেড়েছেন অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী ৷ বলা যেতে এই ছবির অনুঘটকের কাজটাই করেছেন পঙ্কজ ৷
advertisement
স্বামী, স্ত্রী ৷ একঘেঁয়ে জীবন ৷ সংসার ৷ আর তারই মাঝে স্ত্রী খুঁজে বেড়াচ্ছে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসাকে ৷ কিন্তু স্বামীর কাছে তা যেন অজানা ৷ বিয়ের পর, সন্তানের পর ভালোবাসা থাকে নাকি? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা থেকেই শুরু হয়েছে অংরেজি মে কহেতে হ্যায় ৷ যার উত্তর খুঁজতে গিয়ে ঢুকে পড়ে, ভালোবাসার অন্য চিত্র ৷ টিউমারে আক্রান্ত স্ত্রীয়ের প্রতিদিনকে ভালোবাসায় ভরে দিচ্ছেন তাঁর স্বামী ৷ দুই বিপরীত চিত্রকে পাশাপাশি ফ্রেমে ধরেই ছবির গল্প এগিয়েছেন ছবির পরিচালক ৷ আর সেখানেই মুন্সিয়ানা বা বলা যায় ছবিটিকে উপভোগ্য করে তুলেছে ৷ সঙ্গে বার্তা দিয়েছে, ভাষা যাই হোক, প্রিয়জনকে ভালোবাসেন সেটা উচ্চারিত হোক হৃদস্পদনের মতোই বার বার ৷
Location :
First Published :
May 19, 2018 1:30 PM IST









