
সাত বছর আগে তাঁর রোড-শো ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটেছিল কলকাতায়। সাত বছর পরে বৃহস্পতিবারেও তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। কিন্তু অমিত শাহ সন্তর্পণে তা এড়িয়ে গেলেন। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে জমায়েত এবং সংক্ষিপ্ত জনসভা করে একটি সুসজ্জিত ট্রাকে চড়ে রোড শো শুরু করেছিলেন শাহ। ট্রাকের মাথায় শাহের পাশে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু ছাড়াও ছিলেন রাসবিহারী, বালিগঞ্জ এবং চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী যথাক্রমে স্বপন দাশগুপ্ত, শতরূপা এবং সন্তোষ পাঠক। ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর পাশেই ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর শাহকে প্রণামও করেন বিরোধী দলনেতা। এ দিকে, শুভেন্দুর মনোনয়ন কর্মসূচির সময় তৃণমূলের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি ওঁকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওঁর তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন। ১৭০ আসনে জিতলে রাজ্যে পরিবর্তন হবে। ভবানীপুরের মানুষ একটা আসন বিজেপিকে জিতিয়ে দিলে আপনা থেকেই পরিবর্তন হয়ে যাবে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ভয়-ডরহীন হয়ে ভোট দিন ৷’’ হাজরা মোড়ের সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের ৷
Malda SIR Protest: বুধবার মালদার কালিয়াচকে অশান্তি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই-কে তদন্তভার দিল কমিশন। এসআইআরে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ। বুধবার মালদার কালিয়াচকে অশান্তি। সাত বিচারককে ঘেরাও। এতেই ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট। কমিশনকে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয় সিবিআই বা এনআই-কে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। এরপরই কড়া পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ছয়ই এপ্রিল প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে। ভার্চুয়াল উপস্থিত থাকতে হবে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিককে।
বাগদা বিধানসভায় এবার বড় চমক, মুখোমুখি ঠাকুর বাড়ির দুই সদস্য, হবে ননদ -বৌদির জোড় লড়াই! বিধানসভা নির্বাচনের বাগদা কেন্দ্রে প্রার্থী নিয়ে অবশেষে হল জল্পনার অবসান। ভারতীয় জনতা পার্টি এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করলেন ঠাকুরবাড়ির ছোট বৌমা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরের নাম। বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বাগদা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে গত কয়েকদিন ধরেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের একাধিক নাম ঘোরাফেরা করছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সোমা ঠাকুরের নাম ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে বিজেপির কৌশল। মতুয়া অধ্যুষিত এই কেন্দ্রে ঠাকুর পরিবারের প্রভাবকে কাজে লাগাতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি ৬ নম্বর ফর্ম নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও বলেন, “আমাদের অফিসে একগাদা ফর্ম ৬ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে বলা হচ্ছে। আমাদের এটা সরকারি অফিস, আমাদের এখানে যে কেউ ডকুমেন্ট জমা দিতে পারে। এখানে কোনো নিষেধ নেই। আমার কাছে কোনো খবর থাকে না কী জমা পড়েছে। এখানে সিস্টেম বউন্ড ডাউন আছে। আমার জানা ছিল না কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। ফর্ম ৬ এর নিয়ম কী বলে দিচ্ছি। ফর্ম ৬ ERO-এর যে কোনও অফিসে জমা পড়তে পারে। ফর্ম ৬ জমা দিতে কোনও বাধা নেই। ২৭ তারিখ এর আগে যে ফর্ম ৬ পাব, আর ৩০ তারিখ ফর্ম ৬ পাব সেটা দ্বিতীয় দফায় যদি নিস্পত্তি হয়ে যায় তাহলে ভোটার তালিকায় অন্তরভূক্ত হতে পারেন”।
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগোল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ভোটাররা নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না তা যাচাই করতে পারবেন।
পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট প্রচারে এক ব্যতিক্রমী ছবি সামনে এল। প্রচারের চিরাচরিত ধারা ভেঙে সাইকেলেই গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ সারছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিভা মাইতি। বয়স প্রায় ষাট ছুঁই ছুঁই হলেও, তাতে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি তাঁর উদ্যমে। বরং সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে তিনি বেছে নিয়েছেন একেবারে সহজ ও পরিচিত মাধ্যম—সাইকেল। প্রতিভা মাইতি শুধু একজন প্রার্থীই নন, তিনি বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি। সেই হিসেবে তাঁর জন্য গাড়ি ও অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা থাকলেও, তিনি সেগুলি ব্যবহার না করে সাইকেলকেই সঙ্গী করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি গ্রামেরই মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই সাইকেলে চড়ে চলাফেরা করেছি। আজও সেই অভ্যাসই আমাকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।”
West Bengal SIR News Live | আজ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট। ষাট লক্ষ বিচারাধীনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত উনত্রিশ লক্ষের নিষ্পত্তি বিচারবিভাগের। যুক্তিগ্রাহ্য তথ্য বিভ্রাট যাচাইয়ের পর কত নাম বাদ? প্রকাশ করবে কমিশন।
West Bengal Assembly Elections 2026 কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে নন্দীগ্রামে প্রার্থী করে বড় চমক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ সেই পবিত্র করের খাসতালুকেই শুক্রবার তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়েছেন বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী৷ শুক্রবার তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী বিজেপি-তে যোগ দেন৷ আর রবিবার নন্দীগ্রামে ভোট প্রচারে বেরিয়ে সেই পবিত্র করের বাড়ির পাশ দিয়ে শুভেন্দুর মিছিল যাওয়ার সময় ঘটল এক অভাবনীয় ঘটনা। রবিবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রামে ভোট প্রচারে বের হন শুভেন্দু। এক সময় বিজেপি নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল নিয়ে তিনি পৌঁছন পবিত্র করের বাড়ির কাছে। সেই সময় মিছিল পবিত্রর বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন! পবিত্র করের বাড়ির সামনে বিরাট পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে। বিজেপির মিছিল থেকে সেই পবিত্র করের নাম করে চোর চোর স্লোগান ওঠায় উত্তেজনা তৈরি হয়। তাই এরপরই সেখানে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও মিছিল শেষে শুভেন্দু দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘কেউ খারাপ শব্দ ব্যবহার করবেন না। আপনারা আমাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জিতিয়েছেন।’ দেখুন বাংলা নিউজ ভিডিও (Watch bangla news video)৷
ফের বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে অধীর চৌধুরী। দীর্ঘ তিরিশ বছর পরে। ১৯৯৬ সালের পরে ২০২৬। নিজেই জানালেন, এবার বহরমপুর থেকে ভোটে দাঁড়ানোর কথা। আবারও বিধানসভায় প্রত্যাবর্তন করবেন অধীর চৌধুরী? জল্পনা উস্কে দিলেন স্বয়ং কংগ্রেস নেতা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বৃহস্পতিবার সাফ জানিয়ে দিলেন, দল তাঁকে যেখান থেকে লড়তে বলবে, তিনি সেখান থেকেই প্রার্থী হবেন। নিজেকে ‘দলের সৈনিক’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অধীর চৌধুরী বলেন, ‘‘আমি দলের একজন সৈনিক। দল আমাকে যেখান থেকে লড়তে বলবে, আমি সেখান থেকেই লড়ব। আমাদের দলের প্রত্যেককে একজোট হয়ে লড়াই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’’ রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে, পশ্চিমবঙ্গের এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে হয়তো বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই হেরেছিলেন তিনি। যদিও ১৯৯৬ সালে তিনি রাজ্য বিধানসভায় গিয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালে নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন।
কামব্যাক বা প্রত্যাবর্তন ৷ এতদিন বাঙালির কাছে এই শব্দের অর্থ ছিল শুধুমাত্র সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ৷ ক্রিকেটের বাইশ গজে মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন ৷ এখন কামব্যাক বললেই যাঁর কথা মাথায় আসে, তিনি দিলীপ ঘোষ ৷ খেলার ময়দানে কামব্যাক করা কঠিন ৷ কিন্তু রাজনীতির ময়দানে কামব্যাক করা কার্যত অসম্ভব ৷ সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন দিলীপ ঘোষ ৷ তিনি নিজের শর্তে বাঁচেন ৷ নিজের পথে চলেন ৷ নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড মঞ্চে থাকেন ৷ আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরেও যান ৷ চর্চায় থাকেন ৷ শিরোনামে থাকেন ৷ নিউজ18 বাংলার সোজাসাপ্টায় দিলীপ ঘোষ বললেন, কীভাবে সম্ভব হল তাঁর কামব্যাক ৷
লক্ষ্য পাঁচ বছরে নতুন চুঁচুড়া তৈরি করা, প্রার্থী ঘোষণার পর চুঁচুড়ায় পা রেখে বললেন দেবাংশু । গত লোকসভা নির্বাচনে তমলুক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেখানে বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হতে হয়েছিল তাঁকে। তৃণমূলের তরুণ তুর্কি দেবাংশুর উপরে ভরসা রেখেছে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দেবাংশুকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এই আসনে গত তিনবারের জয়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারকে এবারে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। তাতে কিছুটা অভিমানের সুর শোনা গিয়েছে দেবাংশুর গলাতে। এমনকি, রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার কথাও শুনিয়েছেন বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদার। মঙ্গলবার রাতে চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে আসেন তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন বহু তৃণমূল কর্মীরা। দেবাংশু বলেন, ‘‘পাঁচ বছরে নতুন চুঁচুড়া তৈরি করা আমার লক্ষ্য’’। চুঁচুড়ার মানুষ যেভাবে চুঁচুড়াকে দেখতে চায়, তাদের মতামত এবং তাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে, দলীয় নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে নতুন চুঁচুড়া গড়ে তোলা আমার লক্ষ্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এখানকার মানুষ সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নেন।’’
দিলীপ ঘোষের বিয়ে রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছিল বঙ্গের রাজনৈতিক মহলে৷ সেই বিয়ের পরে কিছুটা হলেও কি বদল এসেছে দিলীপ ঘোষের জীবনে? যা জানালেন বিজেপি নেতা...
ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশ—সবকিছু নিয়েই চাঁচাছোলা মন্তব্য তাঁর। বিজেপি তাঁকে ফের ভরসা করেছে খড়গপুর সদরে। নিউজ১৮ বাংলার ‘সোজাসাপ্টা’ এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে একাধিক ইস্যুতে সরাসরি মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। একসময় এই আসনেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি ছিল। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ধাক্কার পর আবার পুরোনো কেন্দ্রে ফেরা—এটা নিছক প্রার্থী ঘোষণা নয়, এটা স্পষ্ট বার্তা! সংগঠনের পুরোনো যোদ্ধাদের ফের সামনে আনা হচ্ছে। ব্রিগেড সমাবেশে তাঁর উপস্থিতি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যায় তাঁকে। এমনকি তাঁদের মধ্যে হালকা মজার কথোপকথনও হয়—মোদী তাঁর বিয়ে নিয়ে মিষ্টি চেয়েছিলেন, আর দিলীপের জবাব, “ভোটের পর।” এই ছোট্ট ঘটনাই দেখিয়ে দেয়—তিনি এখনও দলের ভেতরে প্রাসঙ্গিক এবং স্বচ্ছন্দ। এসআইআর প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে বলেই দাবি করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় বিপুল সংখ্যক ভুয়ো নাম থাকাই নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলছে, আর সেই কারণেই এসআইআর বা বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে চিত্র বদলাতে পারে।
দিলীপ ঘোষ আবার সক্রিয় রাজনীতির কেন্দ্রে ফিরেছেন. ব্রিগেড সমাবেশে উপস্থিতি ও খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়া তাঁর কামব্যাকের ইঙ্গিত. ২০২৬ নির্বাচনের আগে বিজেপির পুরোনো মুখদের সামনে আনার কৌশল হিসেবে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে.
বামফ্রন্ট এবং বিজেপির পক্ষ থেকে অর্ধেকের বেশি আসনে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ, মঙ্গলবার এই লড়াইয়ে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করতে পারে শাসকদল তৃণমূল। প্রথম পর্যায়ে বিজেপি ১৪৪ আসনে এবং বামফ্রন্ট ১৯২ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, শাসকদলের পক্ষ তেকে ২৯৪ আসনেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। আজ দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করতে পারেন। এই সাংবাদিক বৈঠকে থাকতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।
নিজের গড় খড়্গপুরেই ফিরলেন দিলীপ ঘোষ৷ খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে দিলীপ ঘোষকে প্রার্থী করল বিজেপি৷ ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ৷ ২০১৯ সালে মেদিনীপুরের সাংসদ হন তিনি৷ ২০২১ সালে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়৷ এবার হিরণের বদলে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে ফের দিলীপকেই প্রার্থী করল বিজেপি৷