
ইউজিসি-র তরফে ‘প্রোমোশন অফ ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন’ রেগুলেশনের অধীনে একাধিক বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। শুধু জাতি পরিচয় নয়, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য যে কোনও রকম পরিচয়ভিত্তিক অসাম্য দূর করতেই উদ্যোগী হতে বলা হয়েছে দেশের বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে। নয়া বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ইকুয়াল অপারচুনিটি সেন্টার’ গঠন করতে হবে। সেই কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা কলেজের অধ্যক্ষ। থাকবে একটি ‘ইকুইটি কমিটি’। সেখানে থাকবেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্র প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া থাকবেন নাগরিক সমাজের একজন প্রতিনিধিও। তবে তাঁদের প্রত্যেককেই তফশিলি জাতি, উপজাতি, অনগ্রসর শ্রেণি, বিশেষ ভাবে সক্ষম এবং মহিলা হতে হবে।