TRENDING:

Bankura News: আয়ুর্বেদিক ও লোকজ ফলের বীজের সবচেয়ে বড় মার্কেট বাঁকুড়ায়, দেখুন ছবিতে

Last Updated:
Bankura News: শুনুক পাহাড়ি এলাকার প্রতি সোমবার বসা পশুর হাট শুধু পশু কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই হাট এখন জঙ্গলমহলের আয়ুর্বেদিক ও লোকজ বীজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিপণনকেন্দ্র।
advertisement
1/6
আয়ুর্বেদিক লোকজ ফলের বীজের সবচেয়ে বড় মার্কেট বাঁকুড়ায়, দেখুন ছবিতে
বাঁকুড়ার অন্যতম বৃহৎ আয়ুর্বেদিক বীজের বাজার বসে প্রতি সোমবার, বাঁকুড়া শহরের কাছেই শুনুকপাহাড়িতে। আয়ুর্বেদিক শুকনো বীজের সম্ভার মানুষের বিভিন্ন কাজে লাগে। অতি সোমবার পশুর হাটে, দেখতে পাওয়া যায় এই বীজের বাজারটিকে, যা অন্যান্য বাজারের সঙ্গে তুলনা করলে অনেক বড়। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
2/6
মহুয়া বীজ জঙ্গলমহলের অন্যতম প্রধান বনজ সম্পদ। এই বীজ থেকে নিষ্কাশিত তেল রান্না, প্রদীপ জ্বালানো ও সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মহুয়া ফলের শুকনো খোসা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি দেশি মদ প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা আদিবাসী সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
advertisement
3/6
এছাড়াও ছবিতে থাকা নির্মালি বীজ গ্রামবাংলায় পানীয় জল পরিশোধনের প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে পরিচিত। বহু গ্রামে এখনও কুয়ো বা জলাধারের জল পরিষ্কার করতে এই বীজ ব্যবহার করা হয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাতেও নির্মালি বীজের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
advertisement
4/6
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুকনো মহুয়া ফলের খোসা প্রধানত জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। রান্না ও দেশি চুল্লিতে এই খোসা সহজেই জ্বলে ওঠে এবং দীর্ঘক্ষণ তাপ দেয়। বিশেষ করে জ্বালানির সংকট থাকা গ্রামগুলিতে এই খোসা কাঠের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও কিছু এলাকায় মহুয়া-ভিত্তিক দেশি মদ প্রস্তুতের সময় এই খোসা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
advertisement
5/6
এক সময়ের প্রচলিত মুদ্রা কড়ি আজও জঙ্গলমহল ও গ্রামীণ বাংলার লোকজ সংস্কৃতিতে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। সমুদ্রজাত এই ছোট সাদা খোলস এককালে লেনদেনের মাধ্যম হলেও বর্তমানে তার ব্যবহার সীমাবদ্ধ নয় শুধুমাত্র অলঙ্কার বা সাজসজ্জায়। ধর্মীয় আচার, লোকাচার ও তন্ত্রসাধনায় কড়ির ব্যবহার এখনও চোখে পড়ার মতো।
advertisement
6/6
এইসব আয়ুর্বেদিক বীজ সহজেই পাওয়া যায় বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন শুনুক পাহাড়ি এলাকার প্রতি সোমবার বসা পশুর হাটে। এই হাট শুধুমাত্র পশু কেনাবেচার জন্যই নয়, বরং নানা বনজ ও ভেষজ সম্পদের এক গুরুত্বপূর্ণ বিপণনকেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। আশপাশের জঙ্গলমহল এলাকা থেকে আদিবাসী ও গ্রামীণ মানুষজন এই বীজ সংগ্রহ করে হাটে নিয়ে আসেন। নির্মালি, মহুয়া ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বীজের বেচাকেনা এখানে নিয়মিত হয়। স্থানীয় কবিরাজ ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারকদের কাছেও এই হাটের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি সোমবার ভোর থেকেই হাট চত্বরে জমে ওঠে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়। ফলে এই পশুর হাট ধীরে ধীরে বাঁকুড়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ লোকজ ও ভেষজ বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Bankura News: আয়ুর্বেদিক ও লোকজ ফলের বীজের সবচেয়ে বড় মার্কেট বাঁকুড়ায়, দেখুন ছবিতে
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল